নারী আমি যামিনী এস এম মঈনুল হক পাত্র-পাত্রীরা যামিনী – নায়িকা, এক সময় গৃহকর্মী, পরে নারী অধিকারকর্মী রুদ্র – বিত্তবান পরিবারের ছেলে, খল চরিত্র রুদ্রের মা – গৃহিণী রুদ্রের বাবা – ব্যবসায়ী বন্ধু সাংবাদিক – যামিনীর সহকারী পুলিশ অফিসার চিকিৎসক অন্যান্য চরিত্র – প্রতিবেশী, সমাজকর্মী, ইত্যাদি দৃশ্য ১: গৃহস্থের বাড়ি, রান্নাঘর (যামিনী থালা ধুচ্ছে। রুদ্র পিছন থেকে এসে চুপিচুপি কথা বলে।) রুদ্র: (সঙ্কেতমূলক ভঙ্গিতে) তুই তো খুব চুপচাপ… এই নীরবতা ভাঙতে মন চায় না? যামিনী: (আতঙ্কিত, মাথা নিচু করে) দয়া করে স্যার, আমি শুধু আমার কাজটা করতে এসেছি। রুদ্র: (চোখে হিংস্রতা) কাজের বাইরেও অনেক কিছু শেখা দরকার… (আলো ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে যায়। ব্যাকগ্রাউন্ডে যামিনীর আর্তনাদ শোনা যায়।) দৃশ্য ২: অন্ধকার গলি, ভোর (যামিনী কাঁদতে কাঁদতে হেঁটে যাচ্ছে। থেমে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকায়।) যামিনী: (স্বগতোক্তি) আমি থেমে যাব না। এই অপমানের পিছু আমি আর ফিরবো না। আমাকে নতুন করে জন্ম নিতে হবে। দৃশ্য ৩: তিন বছর পর, "আলোকিতা" অফিস (রুচিসম্পন্ন ঘর, নামপ্লেট: "ডাঃ যামিনী সেন") বন্ধু সাংবাদিক: তুমি বদলে গেছো য...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...