সম্পাদকীয় দপ্তর থেকে কয়েকটি অনুরোধ ১) লেখকলেখিকাগণ নিজের নিজের লেখার লিংক সংগ্ৰহ করুন । সুচিপত্র থেকে অথবা সাইটের একেবারে নীচে বামদিকে প্রদত্ত সূচি থেকে। অসুবিধা হলে আমাদের জানান। আমরা অবশ্যই লিঙ্ক সংগ্ৰহ করে দেব। নিজের লেখার লিঙ্ক যতখুশি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করুন। কিন্তু কোনভাবেই হুবহু লেখা বা লেখার স্ক্রিনশট শেয়ার করবেন না। আমরা কঠোরভাবে এর বিরোধী। ২) নিজের লেখাটির পাশাপাশি অন্যের কিছু লেখা অন্তত পড়ুন। ৩) পোস্টের নীচে মন্তব্যের ঘরে পঠিত লেখা সম্বন্ধে আপনার প্রতিক্রিয়া জানান। পাঠকের মতামত লেখক-প্রকাশক সকলকেই পথ দেখাবে। ৪) সামগ্রিক আয়োজন সম্পর্কে আপনাদের অকপট মূল্যবান গঠনমূলক মতামত-পরামর্শ জানান। ধন্যবাদসহ-- নিরাশাহরণ নস্কর 9433393556 (call & w-app) সূচিপত্র নিবন্ধ ।। কাব্যে বর্ষা ।। ঐশ্বর্য্য কর্মকার কবিতা ।। কথা বলা প্রয়োজন ।। প্রসাদ সিং কবিতাগুচ্ছ ।। রাজেশ্বর গোপাল কবিতা ।। সেইসব গ্রাম্যপ্রবাদ || জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় কবিতা ।। ইচ্ছে পথ ।। পিঙ্কি ঘোষ কবিতা ।। শ্রাবণ এলে শালিক ঘামে ।। জগবন্ধু হালদার কবিতা ।। দুয়ারে দরকার ।। নীলমাধব প্রামাণিক কবিতা ...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...