সূচিপত্র বিশেষ রচনা ।। অন্নের ত্রিকোণমিতি ।। শ্রীজিৎ জানা একগুচ্ছ কবিতা ।। দেবাশিস সাহা আবদুস সালাম-এর গুচ্ছকবিতা কবিতা ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায় কবিতাগুচ্ছ ।। হীরক বন্দ্যোপাধ্যায় অণুগল্প ।। এক চিলতে রোদ্দুর ।। অদিতি ঘটক কবিতা ।। কাড়া নাকাড়া ।। হামিদুল ইসলাম কবিতা ।। আমাদের অক্লান্ত আহ্নিক ।। জগবন্ধু হালদার নিবন্ধ ।। মানুষই পারবে মানবতার অসুখ সারাতে ।। পার্থ সারথি চক্রবর্তী করোনা-পরিস্থিতিতে এক শিক্ষিকার একান্ত নিজস্ব অনুভূতি ।। অঞ্জনা গোড়িয়া গল্প ।। গাঁইয়া ।। চন্দন মিত্র গল্প ।। মিৎসুবিশি ।। অনিন্দ্য পাল অণুগল্প ।। শতরূপা ।। বিজয়া দেব কবিতা ।। দুপুর তার ।। অনিরুদ্ধ সুব্রত কবিতা ।। ফিরে আসতে হয় ।। সুমিত মোদক কবিতা ।। বল্ দেখি মা ।। বদ্রীনাথ পাল গল্প ।। একই সূত্রে ।। রণেশ রায় দুটি কবিতা ।। সুদীপ কুমার চক্রবর্তী গল্প ।। উপহার ।। কবিরুল কবিতা ।। সময়ের হাত ধরে ।। লক্ষ্মণ চন্দ্র নস্কর ছড়া || পাত্তারি || অবশেষ দাস কবিতা ।। রোদ্দুর ।। শংকর হালদার কবিতা ।। তোমার ছবি ।। জগদীশ মন্ডল কবিতা ।। সময়ের ক্যানভাসে ।। বিশ্বজিৎ কর ছড়া ।। জীবন-নদী ।। কার্ত্তিক মণ্ডল কবিত...
গুচ্ছকবিতা: ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...