লেখক-সূচি প্রবন্ধ –নিবন্ধ-মুক্তগদ্য রাজা দেবরায় সবিতা বিশ্বাস বটু কৃষ্ণ হালদার অনির্বাণ মন্ডল আবদুস সালাম সুবীর ঘোষ নন্দিনী পাল শেফালি সর দেব শংকর দাস শুভঙ্কর দাস গল্প : অরূপম মাইতি উত্তম বিশ্বাস অয়ন সাঁতরা বিজয়া দেব প্রতুল রীত অঞ্জনা গোড়িয়া তৃণা মুখার্জী রমলা মুখার্জী রণেশ রায় সুতর্না সিংহ সুব্রত দেব গুরুস্বরূপ মুখোপাধ্যায় মোহাঃ বেলালউদ্দিন মন্ডল নাটক সিদ্ধার্থ সিংহ কবিতা/ছড়া সৌমিত বসু তৈমুর খান অপর্ণা দেওঘরিয়া অংশুমান চক্রবর্তী আবির্ভাব ভট্টাচার্য শান্তনু মহাপাত্র সোমনাথ গুহ কুমারেশ তেওয়ারী বিশ্বজিৎ চ...
নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...