নারী: উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অপরিহার্য শক্তি চঞ্চল পান্ডে সভ্যতার ক্রমবিকাশে নারীর অবদান অনস্বীকার্য। সৃষ্টির আদিলগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত নারী কেবল গৃহকোণেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে পালন করেছে অগ্রণী ভূমিকা। বর্তমান বিশ্বে নারীর ক্ষমতায়ন আর কেবল স্লোগান নয়, বরং এটি একটি বাস্তব বাস্তবতা। শিক্ষা, রাজনীতি, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীরা তাদের মেধার স্বাক্ষর রাখছেন। পারিবারিক গণ্ডি ছাড়িয়ে নারীরা এখন মহাকাশ জয় করছেন, পাহাড়ের চূড়ায় উঠছেন এবং করপোরেট দুনিয়ায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে এই অগ্রযাত্রার পথটি সবসময় মসৃণ ছিল না। যুগ যুগ ধরে পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা, কুসংস্কার এবং বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে তাদের আজকের এই অবস্থানে আসতে হয়েছে। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ এবং সমান মজুরি নিশ্চিত করা এখনও বিশ্বব্যাপী বড় চ্যালেঞ্জ। একটি সমৃদ্ধ জাতি গঠনে নারীর অংশগ্রহণ অপরিহার্য। নেপোলিয়ন বোনাপার্ট বলেছিলেন, "আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাদের একটি শিক্ষিত জাতি দেব।" এই উক্তিটি নারীর গুরুত্বকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। নারীর মেধা ও শ্রমকে অবহেলা করে কোনো সমাজ পূর্ণতা...
স্রষ্টা বৈশাখী রায় তাদের খুঁজছি, খুঁজেই চলেছি... মস্তিষ্কের গভীর-গোপন কোণগুলিতে। তবুও প্রকাশ্যে আসেনি তারা, শব্দের ভিড় নামেনি হাতে। চাহিদার প্রাচুর্য! সংখ্যা বাড়ছে খুব... আমি স্রষ্টা, রচনাই আমার আরাধনা, সৃষ্টি সাধনা জলাঞ্জলি যাক! জবরদস্তি প্রতিযোগিতায় নামা। মনের ভাব প্রকাশ পায় না, তবুও লেখার স্বাধীনতা। অর্থ মিলুক ছাই না মিলুক , কঠিন তবু শব্দ খোঁজা। কলমে তারা ধরা না দিলে, মস্তিষ্ক শব্দ ধার করে । অনুভূতিরা আপন হয় না, অন্যের অনুভবে অট্টালিকা গড়া। উফ! শব্দ মেলানো কঠিন কাজ, মন এবার শব্দের ছক বাধে। ব্যস্ততা, সময়সীমা, প্রতিযোগিতার জটাজালে, স্বতঃস্ফূর্ততা হাঁপিয়ে ওঠে...।। ___________ নাম-বৈশাখী রায় ঠিকানা- ঠাকুরনগর (বণিক পারা) ডাক-ঠাকুরনগর থানা-গাইঘাটা পিন-৭৪৩২৮৭