লেখক-সূচি ========== প্রবন্ধ/নিবন্ধ/মুক্তগদ্য : অরুণ কুমার সরকার সুদর্শন মণ্ডল আবদুস সালাম বটু কৃষ্ণ হালদার অরুণ চট্টোপাধ্যায় শেফালি সর সর্বাণী বসু গৌর গোপাল সরকার অনুভব অধিকারী মৌমিতা ঘোষাল *** অণুগল্প : সংঘমিত্রা সরকার কবিরাজ অভ্র ঘোষ অরবিন্দ পুরকাইত কাজী মুহাম্মাদ রাকিবুল হাসান *** দুটি কবিতা : সোমের কৌমুদী রবীন বসু তপন কুমার মাজি প্রণবকুমার চক্রবর্তী *** কবিতা / ছড়া : উৎপলকুমার ধারা সুমিত মোদক সবিতা বিশ্বাস সুব্রত দাস তাপসী লাহা শম্ভু সরকার সুবীর মণ্ডল শুভাশিস দাশ মাথুর দাস মিনতি গোস্বামী উত্তমকুমার পুরকাইত হরেকৃষ্ণ দে সোমা মজুমদার মৃত্যুঞ্জয় হালদার রমলা মুখার্জী জয়তোষ ঘোষ সজল কুমার টিকাদার সুমন নস্কর মৃত্যুঞ্জয় দেবনাথ অমরেশ বিশ্বাস চন্দন সুরভি নন্দ অমিয়কুমার সেনগুপ্ত রণবীর বন্দ্যোপাধ্যায় দীনমহাম্মদ সেখ অনির্বাণ মন্ডল পার্থপ্রতিম দত্ত বিকাশ দাস বারিদ বরণ ভট্টাচ...
নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...