লেখক-সূচি ========== প্রবন্ধ/নিবন্ধ/মুক্তগদ্য : অরুণ কুমার সরকার সুদর্শন মণ্ডল আবদুস সালাম বটু কৃষ্ণ হালদার অরুণ চট্টোপাধ্যায় শেফালি সর সর্বাণী বসু গৌর গোপাল সরকার অনুভব অধিকারী মৌমিতা ঘোষাল *** অণুগল্প : সংঘমিত্রা সরকার কবিরাজ অভ্র ঘোষ অরবিন্দ পুরকাইত কাজী মুহাম্মাদ রাকিবুল হাসান *** দুটি কবিতা : সোমের কৌমুদী রবীন বসু তপন কুমার মাজি প্রণবকুমার চক্রবর্তী *** কবিতা / ছড়া : উৎপলকুমার ধারা সুমিত মোদক সবিতা বিশ্বাস সুব্রত দাস তাপসী লাহা শম্ভু সরকার সুবীর মণ্ডল শুভাশিস দাশ মাথুর দাস মিনতি গোস্বামী উত্তমকুমার পুরকাইত হরেকৃষ্ণ দে সোমা মজুমদার মৃত্যুঞ্জয় হালদার রমলা মুখার্জী জয়তোষ ঘোষ সজল কুমার টিকাদার সুমন নস্কর মৃত্যুঞ্জয় দেবনাথ অমরেশ বিশ্বাস চন্দন সুরভি নন্দ অমিয়কুমার সেনগুপ্ত রণবীর বন্দ্যোপাধ্যায় দীনমহাম্মদ সেখ অনির্বাণ মন্ডল পার্থপ্রতিম দত্ত বিকাশ দাস বারিদ বরণ ভট্টাচ...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...