মেল্লক গ্রামের মদনগোপাল জীউর মন্দির সায়ন মণ্ডল মদনগোপাল জীউ মন্দির হলো হাওড়ার সামতার কাছে মেল্লক গ্রামে অবস্থিত । এই মন্দিরটি গোপালের মন্দির হিসেবে স্থানীয়ভাবে পরিচিত । দক্ষিণ পূর্ব রেল পথ অনুযায়ী এটি দেউলটি স্টেশন থেকে প্রায় চার কিঃমিঃ মেল্লক গ্রামে অবস্থিত । শরৎচন্দ্রের বসতবাড়ি সামতাবেড় যাওয়ার রাস্তা ধরে যেতে হয় । এই গ্রামের জে এল নং - ২০ । এছাড়া আরোও একটি সহজ পথ রয়েছে যা সাম্যতা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রোড থেকে দেড় কিলোমিটারের পথ । এই মদনগোপাল জিউর মন্দিরটি হাওড়া জেলার সবচেয়ে প্রাচীন ও পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম আটচালা মন্দিরগুলির মধ্যে অন্যতম । এই মন্দিরটি আটচালা স্থাপত্যের ওপর পোড়ামাটি দ্বারা অলঙ্কৃত । এটি মন্ডলঘাট পরগনার ১৭শ তম শতাব্দীতে ( ১৬৫১ সালে ) জমিদার মুকুন্দপ্রসাদ রায়চৌধুরী র দ্বারা নির্মিত । মন্দিরে মদনগোপাল জিউর বিগ্রহটি দক্ষিণমুখী । তবে ইতিহাস ঘাটলে জানা যায় মন্দিরের প্রবেশপথে ...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...