সম্পাদকীয় অতিমারী, মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি, ধর্ষণ আর কিছু লাশ পেরিয়ে আরো একটা নতুন বৈশাখ এলো। কী চাইব আমরা এই নতুন বছরের কাছে? দুর্বৃত্তশাসিত রাজনীতি থেকে মুক্তি? ধর্মের নামে অধার্মিক-লাঞ্ছিত ভাতৃঘাত থেকে মুক্তি? অসহিষ্ণুতা থেকে মুক্তি? আসলে আমরা পাতিপাবলিক শুধু সুখেশান্তিতে জীবন কাটানোর স্বপ্ন দেখি। কিন্তু যে ব্যবস্থার মধ্যে আমাদের বাস, সেই ব্যবস্তাটাই যদি দূষিত হয়ে ওঠে তাহলে নিরাপদ যাপন ব্যাহত হবে বৈকি! তাই নতুন বছর বিশল্যকরণীর সন্ধান দিক -- এই আশায় সকলকে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শেষ করছি। ~ নিরাশাহরণ নস্কর। সম্পাদক: নবপ্রভাত। পুনঃ -- এই সংখ্যায় শুধুমাত্র নববর্ষ বিষয়ক লেখাগুলি রাখা হয়েছে। অন্য ভাবনার মনোনীত লেখাগুলি আগামী সংখ্যায় প্রকাশিত হবে। সূচিপত্র প্রবন্ধ ।। আবেগের নববর্ষ -- ঐতিহ্যের পয়লা বৈশাখ ।। মৃণাল কান্তি দেব স্মৃতিকথা ।। পয়লা বৈশাখ আর কালবৈশাখী ।। সোমা চক্রবর্তী মুক্তগদ্য ।। "নব আনন্দে জাগো আজি…" ।। শ্রীজিৎ জানা নিবন্ধ ।। পয়লা বোশেখ ।। শিবপ্রসাদ পুরকায়স্থ নিবন্ধ ।। নববর্ষের আবির্ভাব ।। রমলা মুখার্জী মুক্তগদ্য ।। নববর্ষের কুচুটে ভাবনা ।। মুক্তিপ্রকাশ...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...