প্রকাশিত হল নবপ্রভাত ব্লগ- ম্যাগের ৪র্থ (জুন ২০১৮/ আষাঢ় ১৪২৫) সংখ্যা । ঘোষণা মতো এটি "আলোচনা সংখ্যা" হিসাবেই প্রকাশিত হল। বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সময় ভয় ছিল কটি লেখা পাবো! কিন্তু আপনাদের ঐকান্তিক সহযোগিতায় শেষ পর্যন্ত একটা সম্মানজনক সংখ্যা বোধহয় করা গেল। এই সংখ্যায় ৪৬টি বইয়ের আলোচনা আছে। আর আছে ৮ জন কবি-সাহিত্যিক, ৫টি সাহিত্যতত্ত্ব ও সাহিত্য-আঙ্গিক এবং ৫ টি পত্রিকা বিষয়ক আলোচনা। কবিতা গল্প বাদ দিয়ে একটা সংখ্যা করতে চাওয়ার ঝুঁকিটা কতটা ওতরাল বা আদৌ কিছু হল কিনা সে কথা আপনারাই বলবেন। মতামতের আশায় উন্মুখ থাকলাম। সকলকে ধন্যবাদ, শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা। ...
গুচ্ছকবিতা: ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...