প্রকাশিত হল নবপ্রভাত ব্লগ- ম্যাগের ৪র্থ (জুন ২০১৮/ আষাঢ় ১৪২৫) সংখ্যা । ঘোষণা মতো এটি "আলোচনা সংখ্যা" হিসাবেই প্রকাশিত হল। বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সময় ভয় ছিল কটি লেখা পাবো! কিন্তু আপনাদের ঐকান্তিক সহযোগিতায় শেষ পর্যন্ত একটা সম্মানজনক সংখ্যা বোধহয় করা গেল। এই সংখ্যায় ৪৬টি বইয়ের আলোচনা আছে। আর আছে ৮ জন কবি-সাহিত্যিক, ৫টি সাহিত্যতত্ত্ব ও সাহিত্য-আঙ্গিক এবং ৫ টি পত্রিকা বিষয়ক আলোচনা। কবিতা গল্প বাদ দিয়ে একটা সংখ্যা করতে চাওয়ার ঝুঁকিটা কতটা ওতরাল বা আদৌ কিছু হল কিনা সে কথা আপনারাই বলবেন। মতামতের আশায় উন্মুখ থাকলাম। সকলকে ধন্যবাদ, শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা। ...
নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...