বাংলার নদী নালা ও ধীবর সম্প্রদায় বারিদ বরন গুপ্ত বাংলার ধীবর সম্প্রদায় সেই প্রাচীন কাল থেকেই নদীকে বুকে করে বেঁচে রয়েছে, নদী এদের কাছে মায়ের মত! মা যেমন তার সন্তানদের লালন পালন করে নদী ও ঠিক সেভাবেই এদেরকে লালন পালন করে আগলে রেখেছে! বংশ কৌলিন্যের দিক থেকে পিছিয়ে পড়া এই অবহেলিত শ্রেণী দীর্ঘকাল ধরে বাংলার মানুষকে মাছে ভাতে করে রেখেছে, পুষ্টির যোগান দিয়েছে, কিন্তু তার বিনিময়ে পেয়েছে কতখানি? তা অবশ্যই আজ ভাববার বিষয়! জলের উপর নির্ভর করে এদের জীবন ও জীবিকা, সাধারণত জল থেকে জাল দিয়ে এরা মৎস্য সংগ্রহ করে, সেই হিসেবে মনে করা যেতে পারে যে এই জাল থেকে জেলে কথাটি এসেছে। এক সময় এরা খাল বিল নদী নালা ইত্যাদি থেকে মৎস্য সংগ্রহ করত, মূলত খাবারের জন্য। পরবর্তীকালে তারা এই মৎস্য আহরনকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করে! এই জেলে সম্প্রদায় কৈবর্ত, ধীবর ব...
কবিতাগুচ্ছ: “বাংলাবিদ”: অনামা আলোর বিচ্ছেদে… আবদুল্লাহ আল আদীব তোমাকে ভালবাসি বলেই… বন্ধুবরেষু “বাংলাবিদ”, আমার কোমল প্রাণ মৌমাছি, অতি নরম-স্নিগ্ধ রোদে হেসে ওঠা মুক্তোদানা শিশির- দুঃখ করো না। তোমাকে ভালবাসি বলেই আজ এই দূরত্ব— যেন আমার কোন কিছু তোমার ক্ষতি না করতে পারে! তোমাকে ভুলিনি— তুমি আমার অন্তরের ইচ্ছের অন্তঃপুরে পাহাড়ের মতো ভারী হয়ে বসে আছো, এ যেন সভ্যতার এক ধ্বংসাবশেষ। প্রতিটি নিঃশ্বাসে তোমার নাম প্রকম্পিত হয়, যেন ধারালো ছুরি বুক চিরে রক্ত ঝরায়। ভুলতে চেয়েছি— কিন্তু স্মৃতিগুলো আমার রক্তে জমাট বেঁধে আছে, যেন পাথরখচিত প্রাচীন লিপি। তুমি হয়ে গেছো আমার নীরব কান্না, প্রতিটি লিখতে না পারা কবিতা আমার ভাঙা আত্মার লুকানো আর্তনাদ। তোমার স্পর্শ নেই, নেই আমাদের সম্পর্কের কোন নাম— তবু তুমি আছো অদৃশ্য, অমোঘ, যেন প্রতিটি ক্ষতচিহ্নে চিরন্তন বসবাস করা এক নিঃশব্দ মৃত্যু। ক্ষত-নিবদ্ধ বাঁশি… প্রিয় “বাংলাবিদ” আমার, কি এক আশ্চর্য সমর্পণ তন্ময়তা, মোহময় আকর্ষণ, বকুলের বিহ্বল ঘ্রাণ তোমার সত্তায়! তোমার বিস্তীর্ণ গালিচা থেকে বিদীর্ণ হয়ে আজ আমি বিচ্ছেদের নিঃ...