উৎসর্গ চাঁদ ভাঙতে ভাঙতে ভাটা লাগে সম্পর্কের গায়ে , জোয়ারের পলি খুইয়ে বেরিয়ে পড়ছে হাড়গোড় : স্রোতের বুকে সিঁড়ি ভাঙার শব্দ, নির্জন হাওয়া কাটে শঙ্খচিলের ডানা স্নায়ু ছিঁড়তে চাইছি একা একা , তবুও রক্তক্ষরণ তাকিয়ে থাকে- যতসব বিষ পোকা ঘুমিয়ে পড়ে মাঝ রাত্তিরের কুয়াশায় হাতে হাত ধরার চলার রাস্তাটায় ছড়িয়ে দেয় উৎসর্গ পালক তাকিয়ে থাকে চেনা পায়ের শব্দ মিলিয়ে যাওয়ার দিকে – আলো আমরা আর প্রেমিক নই , বন্ধু নই, শুধু কিছু চিহ্নে ফরফর উড়ে পাতা শিশির শুকিয়ে ধূসর দেয়াল, দখিনা বাতাসে ফাঁকা মাঠ সূর্য বীণা বাজায় ; সেই সুরে অদেখা মানচিত্র উৎস প্রবাহীর কাল্পনিক আবাস ঝরে পড়ে গোত্রহীন রূপকে। কৃষ্ণচূড়ার গা থেকে শীতের শেষ তবু এক মেঘলা হাওয়ায় শীত আর বর্ষার মাঝামাঝি সুখাশ্রয় বন্ধুত্ব নয় প্রেম নয় একা একা কিছু পাখি তোমার বসার স্থানে নতজানু শব্দমালা খুঁটে খায় পালিয়ে যাওয়া ...