বহুরুপী অর্থাৎ বহুরূপ যার। । ঈশ্বর তো সর্বশ্রেষ্ঠ বহুরূপী । তাঁকে আমরা সাধনার মাধ্যমে শক্তির আধার হিসাবে বহুরূপে পাই ।আবার মানুষের কত রূপ! ভালোমানুষের মুখোশের আড়ালে এক জঘণ্য চরিত্র । কিংবা কারো বাহ্যিক সৌন্দর্য এর আড়ালে কুৎসিত মন । সমাজের বিভিন্ন দিকে বিভিন্ন বিষয়ে আমরা তাদের গিরগিটি রূপে দেখা পাই । সময় ঠিক বুঝিয়ে দেয় তাদের বহুরূপতা । তারা বহুরূপী । তবে এখানে সমাজের এক শ্রেণির অবহেলিত ও প্রান্তিক শিল্পীদের ও একইসঙ্গে একটি সুপ্রাচীন শিল্পের পতনোন্মুখ অবস্থা এবং তাকে রক্ষার প্রয়োজনীয়তার সম্পর্কে কিছু কথা আলোচনা করবো। আমরা যারা জেলার মানুষ গ্রামে মফস্বলে বড়ো হয়েছি তারা অবশ্যই বহুরূপী শব্দ বা এই কালচারের দের সাথে পরিচিত আছি । বৃহস্পতি বার বাদ দিয়ে ( গ্রামের গৃহস্থ বাড়িতে সাধারনত বৃহস্পতি অর্থাৎ লক্ষ্মী বারে লক্ষ্মী পুজো হওয়াতে তারা ঐ দিন টাকা পয়সা দিতে চায়তো না ) গ্রামে নিয়মিত বহুরূপী আসতো নানা সং এ নানা ঢং এ। ছোটবেলায় বহুরপী দের দেখে ভয় পায় নি এমন মানুষ কম আছেন ।কখোনো দেব দ...
কবিতাগুচ্ছ: “বাংলাবিদ”: অনামা আলোর বিচ্ছেদে… আবদুল্লাহ আল আদীব তোমাকে ভালবাসি বলেই… বন্ধুবরেষু “বাংলাবিদ”, আমার কোমল প্রাণ মৌমাছি, অতি নরম-স্নিগ্ধ রোদে হেসে ওঠা মুক্তোদানা শিশির- দুঃখ করো না। তোমাকে ভালবাসি বলেই আজ এই দূরত্ব— যেন আমার কোন কিছু তোমার ক্ষতি না করতে পারে! তোমাকে ভুলিনি— তুমি আমার অন্তরের ইচ্ছের অন্তঃপুরে পাহাড়ের মতো ভারী হয়ে বসে আছো, এ যেন সভ্যতার এক ধ্বংসাবশেষ। প্রতিটি নিঃশ্বাসে তোমার নাম প্রকম্পিত হয়, যেন ধারালো ছুরি বুক চিরে রক্ত ঝরায়। ভুলতে চেয়েছি— কিন্তু স্মৃতিগুলো আমার রক্তে জমাট বেঁধে আছে, যেন পাথরখচিত প্রাচীন লিপি। তুমি হয়ে গেছো আমার নীরব কান্না, প্রতিটি লিখতে না পারা কবিতা আমার ভাঙা আত্মার লুকানো আর্তনাদ। তোমার স্পর্শ নেই, নেই আমাদের সম্পর্কের কোন নাম— তবু তুমি আছো অদৃশ্য, অমোঘ, যেন প্রতিটি ক্ষতচিহ্নে চিরন্তন বসবাস করা এক নিঃশব্দ মৃত্যু। ক্ষত-নিবদ্ধ বাঁশি… প্রিয় “বাংলাবিদ” আমার, কি এক আশ্চর্য সমর্পণ তন্ময়তা, মোহময় আকর্ষণ, বকুলের বিহ্বল ঘ্রাণ তোমার সত্তায়! তোমার বিস্তীর্ণ গালিচা থেকে বিদীর্ণ হয়ে আজ আমি বিচ্ছেদের নিঃ...