নবপ্রভাত মাসিক ব্লগ-ম্যাগ শ্রাবণ ১৪২৫ # জুলাই ২০১৮ বিষয়ঃ '' বর্ষা-বিচিত্রা'' সম্পাদকীয়ঃ বাংলার জনজীবনে বর্ষার প্রভাব বহুমাত্রিক। সেই বহুমাত্রিকতাকে আমরা বর্তমান সংখ্যায় ধরতে চেয়েছি। যদি আপনারা স্নাত হন, তাহলেই আমরা তৃপ্ত। মতামত ও পরামর্শের অপেক্ষায় রইলাম। শ্রদ্ধা ও শুভকামনা সহ- নিরাশাহরণ নস্কর ১লা শ্রাবণ, ১৪২৫ ============================================================== সূচিপত্র প্রবন্ধ ও মুক্তগদ্য রীনা তালুকদার সুবীর ঘোষ অরবিন্দ পুরকাইত অমৃতা বিশ্বাস সরকার বৈশাখী চ্যাটার্জী আশিস চৌধুরী শান্তা কর রায় সুশীল কুমার রায় অণুগল্প মৌমিতা ঘোষাল পারিজাত পায়েল খাঁড়া স্বরূপা রায় সন্তু চ্যাটার্জি রিংকু বিশ্বাস পবিত্র চক্রবর্তী বসন্ত কুমার প্রামানিক রিক্তা মুখার্জি শেফালি স র অঞ্জলি দে নন্দী কবিতা ও ছড়া রীনা তালুকদার জয়ীতা ব্যানার্জী গোস্বামী মৌ দাশগুপ্ত সবর্না চট্টোপাধ্যায় তৈমুর খান সোমনাথ বেনিয়া প্রশান্ত সেন ক...
গুচ্ছকবিতা: ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...