সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ শিকড়ের সন্ধানে: আধুনিকতার স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে ললোকজ শিল্প ।। ভাস্কর সিনহা রাশিয়ার তুষারে একাকিত্ব ।। শিবাশিস মুখার্জী নোবেলের সাতকাহন ।। পুলকরঞ্জন চক্রবর্তী মানবজীবনের সৃজনশীলতা ।। অনন্তকুমার করণ শিক্ষক ও ছাত্র সম্পর্কের সেকাল-একাল ।। দীপক পাল মাটি বিনা সবই মাটি ।। রমলা মুখার্জী রম্যরচনা-ভ্রমণকথা-মুক্তগদ্য রম্যগল্প ।। কাদের কিংবা কেদার ।। সন্তোষ ঢালী ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে ।। দীনেশ চ্যাটার্জী হেমন্তের ভ্রমণমুখর জুমু'আ ।। জুয়াইরিয়া সারাহ মুক্তগদ্য ।। শীতের অদৃশ্য উষ্ণতার ।। আবু সাঈদ কবিতাগুচ্ছ দুটি কবিতা ।। শোভন মণ্ডল বোধি ।। পুণ্যব্রত মুখোপাধ্যায় আলোর অন্তরালে ।। অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় ডিসেম্বর ।। কমল মজুমদার গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম দুটি কবিতা ।। শম্পা সামন্ত এই সেই মুহূর্ত ।। অর্ণব সামন্ত সময়ের নৌকা ।। আবদুস সালাম দুটি কবিতা ।। সুশান্ত সেন নীড়হারা পাখি ।। ইকবাল খান আবার দেখা হবে ।। প্রণব কুমার চক্রবর্তী নুন ভাতের স্বপ্ন ।। কল্যাণ সুন্দর হালদার স্বরাজ আসেনি আজও ।। অঞ্জন বল কার্ফু ।। তপন দাস অন্ধকারের মহাক...
গুচ্ছকবিতা: ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...