নারীপাচার কেন? শেফালি সর আমাদের আধুনিক ও উন্নত সভ্য সমাজে নারীরা অবস্হান ঠিক কোথায় সেটিই আগে জেনে নেওয়া দরকার। একসময় আমাদের মনুষ্য সমাজ ছিল মাতৃতান্ত্রিক। মায়ের পরিচিতিতেই সন্তানের পরিচিতি হ'ত। ঠিক এমনি ধর্মবিশ্বাসের জন্য নারী পূজিতা হ'তেন কখনো মাতৃরূপে,দেবীরূপে। মানব সমাজের গোড়ার দিকে মানুষের প্রয়োজনের দুটি কাম্য বস্তু ছিল-একটি সন্তান ও অপরটি হলো শস্য। যাযাবর জীবনের অনিশ্চয়তার হাত থেকে মুক্ত হ ওয়ার জন্য , প্রকৃতি ও হিংস্র জীব জগতের সাথে লড়াই করার জন্য চাই গোষ্ঠী আর শস্যের প্রাচূর্য।আর ঠিক এই কারণেই মানুষের দৃষ্টিতে নারী ধরিত্রী। সন্তান ধারণের প্রাকৃতিক নিয়ম থাকার জন্য নারী মহিমান্বিত অবস্থায় প্রতিষ্ঠিত হ'ল সমাজে তথাকথিত মানুষের দৃষ্টিতে। তাই সমাজে মাতৃ পূজার সৃষ্টি হ'ল। নারী মাতৃরূপে প্রতিষ্ঠিত হ'ল সমাজে। মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রাম যত ই এগিয়েছে পুরুষের সামাজিক শ্রম তত ই হয়ে উঠেছে দক্ষ।উন্নত হয়েছে তাদের হাতিয়ার।এর জোরে ই পুরুষ সামাজিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত উৎপাদন করতে পেরেছে। সেই অতিরিক্ত সম্পদ পরিনত হয়েছে সম্পত্তিতে।সেদিক থেকে নারীদের গার্হস্থ্য...
কবিতাগুচ্ছ: “বাংলাবিদ”: অনামা আলোর বিচ্ছেদে… আবদুল্লাহ আল আদীব তোমাকে ভালবাসি বলেই… বন্ধুবরেষু “বাংলাবিদ”, আমার কোমল প্রাণ মৌমাছি, অতি নরম-স্নিগ্ধ রোদে হেসে ওঠা মুক্তোদানা শিশির- দুঃখ করো না। তোমাকে ভালবাসি বলেই আজ এই দূরত্ব— যেন আমার কোন কিছু তোমার ক্ষতি না করতে পারে! তোমাকে ভুলিনি— তুমি আমার অন্তরের ইচ্ছের অন্তঃপুরে পাহাড়ের মতো ভারী হয়ে বসে আছো, এ যেন সভ্যতার এক ধ্বংসাবশেষ। প্রতিটি নিঃশ্বাসে তোমার নাম প্রকম্পিত হয়, যেন ধারালো ছুরি বুক চিরে রক্ত ঝরায়। ভুলতে চেয়েছি— কিন্তু স্মৃতিগুলো আমার রক্তে জমাট বেঁধে আছে, যেন পাথরখচিত প্রাচীন লিপি। তুমি হয়ে গেছো আমার নীরব কান্না, প্রতিটি লিখতে না পারা কবিতা আমার ভাঙা আত্মার লুকানো আর্তনাদ। তোমার স্পর্শ নেই, নেই আমাদের সম্পর্কের কোন নাম— তবু তুমি আছো অদৃশ্য, অমোঘ, যেন প্রতিটি ক্ষতচিহ্নে চিরন্তন বসবাস করা এক নিঃশব্দ মৃত্যু। ক্ষত-নিবদ্ধ বাঁশি… প্রিয় “বাংলাবিদ” আমার, কি এক আশ্চর্য সমর্পণ তন্ময়তা, মোহময় আকর্ষণ, বকুলের বিহ্বল ঘ্রাণ তোমার সত্তায়! তোমার বিস্তীর্ণ গালিচা থেকে বিদীর্ণ হয়ে আজ আমি বিচ্ছেদের নিঃ...