সম্পাদকীয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে ব্লগ-নবপ্রভাতের এই সংখ্যাটি প্রকাশিত হল। বাংলার সন্তান হিসাবে গর্বিত ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী আমরা । সেই গর্ব থেকেই এই সংখ্যা। সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন। সূচিপত্র গদ্যঃ অরুণ চট্টোপাধ্যায় আশিস চৌধুরী মনীষা কর বাগচী বনশ্রী রায় দাস মানসী বিশ্বাস শেফালি সর অমৃতা বিশ্বাস সরকার রণেশ রায় রাণা চ্যাটার্জী স্বরূপা রায়। কবিতা/ছড়াঃ জয়ীতা চ্যাটার্জী কবি আর্যতীর্থ সোমের কৌমুদী হীরক বন্দ ্যোপাধ ্যায় অর্ণিশা সেন অবশেষ দাস সুমন কুমার সাহু অনুরূপা পালচৌধুরী আবদুস সালাম সোমনাথ বেনিয়া শুভাশিস দাস নৃপেন্দ্রনাথ মহন্ত সুমন নস্কর স্বপনকুমার বিজলী অমিত পাটোয়ারী নির্মল করণ ...
গুচ্ছকবিতা: ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...