সম্পাদকীয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে ব্লগ-নবপ্রভাতের এই সংখ্যাটি প্রকাশিত হল। বাংলার সন্তান হিসাবে গর্বিত ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী আমরা । সেই গর্ব থেকেই এই সংখ্যা। সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন। সূচিপত্র গদ্যঃ অরুণ চট্টোপাধ্যায় আশিস চৌধুরী মনীষা কর বাগচী বনশ্রী রায় দাস মানসী বিশ্বাস শেফালি সর অমৃতা বিশ্বাস সরকার রণেশ রায় রাণা চ্যাটার্জী স্বরূপা রায়। কবিতা/ছড়াঃ জয়ীতা চ্যাটার্জী কবি আর্যতীর্থ সোমের কৌমুদী হীরক বন্দ ্যোপাধ ্যায় অর্ণিশা সেন অবশেষ দাস সুমন কুমার সাহু অনুরূপা পালচৌধুরী আবদুস সালাম সোমনাথ বেনিয়া শুভাশিস দাস নৃপেন্দ্রনাথ মহন্ত সুমন নস্কর স্বপনকুমার বিজলী অমিত পাটোয়ারী নির্মল করণ ...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...