প্রসঙ্গ : রাম সীতা দীপক পাল পদ্ম পুরাণে রাবণ বধের পর আরম্ভ এবং পূর্বের ঘটনা ডায়েরির মত দিন-ক্ষণ দিয়ে লেখা । রাম যখন জনক রাজার গৃহে হরধনু ভঙ্গ করেন তখন তাঁর বয়স ১৫ বছর । সীতা তার চেয়ে ৯ বছর ছোট , তাঁর বয়স তখন ৬ বছর । বিবাহের পর ১২ বছর তাঁরা অযোধ্যায় সুখে বাস করেন । বন গমনের সময় রামের বয়স ২৭ ও সীতা ১৮ বছরের তরুণী । ১৩ বছর বনবাসের পর রাবণ সীতা হরণ করেন মাঘ মাসের কৃষ্ণা অষ্টমীর বিন্দু মুহূর্তে । সীতার বয়স তখন ৩১, অর্থাৎ রামের বয়স ৪০ বৎসর । দশমাস পরে সীতার সন্ধান পাওয়া যায় জটায়ুর বড় ভাই সম্পাতির কাছে । সেদিন ছিল অগ্রহায়ন মাসের শুক্লা নবমী । লঙ্কায় গিয়ে হনুমান সীতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আসার পরে অষ্টমীর বিজয় মুহূর্তে রামচন্দ্র যুদ্ধ যাত্রা শুরু করেন । অমাবস্যা পর্য্যন্ত তাঁরা সমুদ্র তীরে শিবির করে বাস করেন । পৌষ মাসের শুক্লা দশমী থেকে ত্রয়োদশী পর্য্যন্ত সেতু ...
কবিতাগুচ্ছ: “বাংলাবিদ”: অনামা আলোর বিচ্ছেদে… আবদুল্লাহ আল আদীব তোমাকে ভালবাসি বলেই… বন্ধুবরেষু “বাংলাবিদ”, আমার কোমল প্রাণ মৌমাছি, অতি নরম-স্নিগ্ধ রোদে হেসে ওঠা মুক্তোদানা শিশির- দুঃখ করো না। তোমাকে ভালবাসি বলেই আজ এই দূরত্ব— যেন আমার কোন কিছু তোমার ক্ষতি না করতে পারে! তোমাকে ভুলিনি— তুমি আমার অন্তরের ইচ্ছের অন্তঃপুরে পাহাড়ের মতো ভারী হয়ে বসে আছো, এ যেন সভ্যতার এক ধ্বংসাবশেষ। প্রতিটি নিঃশ্বাসে তোমার নাম প্রকম্পিত হয়, যেন ধারালো ছুরি বুক চিরে রক্ত ঝরায়। ভুলতে চেয়েছি— কিন্তু স্মৃতিগুলো আমার রক্তে জমাট বেঁধে আছে, যেন পাথরখচিত প্রাচীন লিপি। তুমি হয়ে গেছো আমার নীরব কান্না, প্রতিটি লিখতে না পারা কবিতা আমার ভাঙা আত্মার লুকানো আর্তনাদ। তোমার স্পর্শ নেই, নেই আমাদের সম্পর্কের কোন নাম— তবু তুমি আছো অদৃশ্য, অমোঘ, যেন প্রতিটি ক্ষতচিহ্নে চিরন্তন বসবাস করা এক নিঃশব্দ মৃত্যু। ক্ষত-নিবদ্ধ বাঁশি… প্রিয় “বাংলাবিদ” আমার, কি এক আশ্চর্য সমর্পণ তন্ময়তা, মোহময় আকর্ষণ, বকুলের বিহ্বল ঘ্রাণ তোমার সত্তায়! তোমার বিস্তীর্ণ গালিচা থেকে বিদীর্ণ হয়ে আজ আমি বিচ্ছেদের নিঃ...