সূচিপত্র প্রবন্ধ : সুদর্শন মণ্ডল বটু কৃষ্ণ হালদার অরুণ চট্টোপাধ্যায় রণেশ রায় # অণুগল্প : সত্যম ভট্টাচার্য # মুক্তগদ্য : তরুণ প্রামানিক শেফালী সর # ভ্রমণকাহিনি : প্রলয় বসু রমলা মুখার্জী # পত্রিকা আলোচনা: বঙ্কিম কুমার বর্মন # শব্দ-প্রভা ২: ঐন্দ্রিলা মিত্র ছড়া/কবিতা: অনিন্দ্য পাল সঞ্জীব সেন সুমিত মোদক সুমন নস্কর অমরেশ বিশ্বাস আবদুস সালাম প্রিয়ব্রত দত্ত ঐন্দ্রিলা মিত্র তাপসকিরণ রায় সোমনাথ বেনিয়া তপন কুমার মাজি তমোঘ্ন নস্কর দীপ্তেন্দু প্রকাশ ধাড়া নৃপেন্দ্রনাথ মহন্ত পারমিতা রাহা হালদার প্রতুল রীত প্রদীপ কুমার সামন্ত বারিদ বরণ ভট্টাচার্য্য মাথুর দাস মৃত্যুঞ্জয় হালদার রানা চ্যাটার্জী রণবীর বন্দ্যোপাধ্যায় শক্তিপদ পণ্ডিত শুভঙ্কর দাস শুভাশিস দাশ সাইফুল ইসলাম সায়ন মোহন্ত সায়নী ব্যানার্জী সান্ত্বনা চ্যাটার্জী সোমা মজুমদার সঞ্চিতা চক্রবর্তী সঞ্জয় কুমার মল্লিক সুদর্শন মণ্ডল সবিতা বিশ্বাস সুবীর হালদার সুব্রত দাস আলাপন রায় চৌধুরী সম্পা পাল অষ্ট...
গুচ্ছকবিতা: ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...