নবপ্রভাত সাহিত্যপত্রের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪৩১-এর প্রীতি, শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা। সূচিপত্র প্রবন্ধ ।। বাংলার গাজন, চড়ক ও বর্ষশেষের সংস্কৃতি ।। সৌভিক দে নিবন্ধ ।। আমার নববর্ষ ।। সুবীর ঘোষ নিবন্ধ ।। বর্ষবরণ ।। এস এম মঈনুল হক নববর্ষের নেপথ্যে কিছু কথা ।। আবদুস সালাম প্রবন্ধ ।। ঈশ্বর ও বিজ্ঞান ।। মৃণাল বন্দ্যোপাধ্যায় স্থানীয় কিছু কথ্যশব্দ, উচ্চারণ, বাগ্্ধারা ইত্যাদি (পর্ব—পাঁচ) ।। অরবিন্দ পুরকাইত বাংলা সাহিত্যে প্রথম ভারতীয় নারী আত্মজীবনীকার ।। শেফালি সর প্রবন্ধ ।। মধ্যযুগে ভারতীয় নার্রীর অসহায়তার ইতিহাস ।। শ্যামল হুদাতী গল্প ।। স্মৃতিময় হালখাতা ।। গোবিন্দ মোদক গল্প ।। নববর্ষের উপহার ।। কেতকী বসু গল্প ।। ভালবাসার বাড়ি ।। বন্দনা সেনগুপ্ত কবিতা ।। নতুন দিন ।। রবীন বসু পয়লা বৈশাখের কবিতা ।। সুমিত মোদক কবিতা ।। নববর্ষের প্রার্থনা ।। দীনেশ সরকার কবিতা ।। দিনটা ছিলো ।।বদ্রীনাথ পাল কবিতা ।। অজিত কুমার জানা ।। নববর্ষ নক্ষত্র কবিতা ।। প্রতীক মিত্র ।। নতুন বছর বাঙালিমানসে বাংলা নববর্ষ ও হালখাতা ।। পাভেল আমান স্মৃতির পাতায় নববর্ষ ।। মিঠুন মুখার্জী অণুগল্প ।। শীর্ষা ...
গুচ্ছকবিতা: ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...