[কল্পনার গল্পকথা ইমাজিটাউনের উপকথা] ভাসমান শহরে একদিন অরুণ চট্টোপাধ্যায় দিদি তো বলেই খালাস তার বাড়িতে যাবার কথা। কিন্তু সদ্য গ্র্যাজুয়েট হওয়া দীপকের মাথার অবস্থা এখন সেই 'হর্নস অন এ ডিলেমা'র মত। সে এখন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট হবার জন্যে ইউনিভার্সিটিতে ঘুর ঘুর করবে নাকি চাকরির সন্ধানে এদিক সেদিক ঘুরে বেড়াবে? এই সিদ্ধান্ত কিছুতেই নিতে পারছে না। মনের মধ্যে থেকে কেউ বলছে কেন তুই পোস্ট গ্র্যাজুয়েটের জন্যে খামোকা দুটো বছর নষ্ট করবি? বুঝতেই তো পারছিস দেশের চাকরির অবস্থা। এই দুটো বছরে চাকরির বাজারে কত লক্ষ চাকরিপ্রার্থীর পেছনে পড়ে যাবি বল তো? সত্যিই তো সে এখন কোন দিকে যায়। জামাইবাবু অবশ্য অভয় দিয়েছে, শালাবাবু তুমি নির্ভয়ে এম-এস-সিটা কর। তারপর গবেষণা। দেশে চাকুরে অনেক পাবে কিন্তু বিজ্ঞানী পাওয়াটা খুব জরুরি। আর দেশের উন্নতিতে বিজ্ঞানীর অবদানের কথা তোমার মত বিজ্ঞানের গ্র্যাজুয়েট ছেলেকে বোঝাতে হবে না নিশ্চয়? জামাইবাবু নিজে একজন বিজ্ঞানী। তাই সে চায় তার দলে লোক বাড়ুক। দীপকের নিজের ইচ্ছেও তো কম নয়। আবার একজন বলল, তোর ভা...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...