সূচিপত্র শ্রাবণ সংখ্যার জন্য একটি প্রবন্ধ ।। কবিতায় বর্ষা যাপন ।। শংকর ব্রহ্ম তিনটি কবিতা ।। নিমাই জানা কবিতা ।। অরণ্যকন্যা ।। অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় ছড়া ।। শ্রাবণের গান ।। দীনেশ সরকার দ্বিভাষিক কবিতা বিষয়ক কিছু কথা ।। রণেশ রায় ছড়া ।। যায় আর আসে ।। বদরুল বোরহান কবিতা ।। আকাশ থমকে গেছে ।। সুনন্দ মন্ডল কবিতা ।। ভিখারী ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায় গল্প ।। সন্তান ।। প্রণব কুমার চক্রবর্তী ছড়া ।। যখন থাকি একা ।। মানস চক্রবর্তী ছোটগল্প ।। চোখের আলোয় চেয়ে ।। সৌমেন দেবনাথ দুটি কবিতা ।। মহাজিস মণ্ডল কবিতা ।। পাথর ।। তন্ময় দেবনাথ কবিতা ।। বাস্তবতার ক্যানভাসে ।। বিশ্বজিৎ কর কবিতা ।। ফাঁসজাল ।। বিবেকানন্দ নস্কর ছড়া ।। গুঁতোগুঁতি ।। বদ্রীনাথ পাল ছড়া ।। ঠিক তালে ।। কার্ত্তিক মণ্ডল কবিতা ।। অভাগা ।। নিরঞ্জন মণ্ডল কবিতায় নদিয়া-কথা ।। সবিতা বিশ্বাস কবিতা ।। গানের গুঁতোয় ।। গোবিন্দ মোদক তিনটি কবিতা ।। সুশান্ত সেন কবিতা ।। সুর পরিবর্তন ।। নিবেদিতা দে কবিতা ।। বটবৃক্ষ কাহিনি ।। তীর্থঙ্কর সুমিত গল্প ।। জীবন দান ।। মিঠুন মুখার্জী কবিতা ।। তোমাকে ।। গৌ...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...