সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ: নন্দিনী পাল শুভদীপ রায় চৌধুরী মৌসুমী মুখোপাধ্যায় সর্বাণী বসু নিসর্গ নির্যাস মাহাতো সুদীপ্ত মন্ডল মুক্তগদ্য-গল্প: সোমনাথ বেনিয়া সঞ্জয় গায়েন শেফালী সর কবিতা-ছড়া: চন্দন মিত্র সুমিত মোদক কৌশিক চক্রবর্ত্তী উত্তমকুমার পুরকাইত সনাতন মাজী রণেশ রায় বারিদ বরণ ভট্টাচার্য্য তপন কুমার মাজি চন্দন সুরভি নন্দ অমৃতা বিশ্বাস সরকার কুনাল গোস্বামী মোনালিসা পাহাড়ী প্রসেনজিৎ মাইতি প্রসেনজিৎ মান্না ভুবন বন্দ্যোপাধ্যায় সুকুমার কর সবিতা বিশ্বাস মৃত্যুঞ্জয় হালদার শুভ্র বন্দ্যোপাধ...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...