সম্পাদকীয়র পরিবর্তে কয়েকটি জরুরি কথা ১) লেখা পড়ুন। সঙ্গে লেখার নীচে মন্তব্যের ঘরে আপনার মতামত জানান। যিনি লেখক তিনিও পাঠক হিসাবে অন্তত কয়েকটি লেখা পড়ে মন্তব্য জানান। আমার লেখা সম্বন্ধে পাঠকের মতামত আশা করব অথচ আমি কোন লেখা সম্বন্ধে মতামত জানাব না -- এটা কেমন বিসদৃশ! ২) আবারও অনুরোধ, সামাজিক মাধ্যমে নিজের বা অন্য যে কোন লেখার লিঙ্ক শেয়ার করুন কিন্তু মূল লেখা বা তার ছবি শেয়ার করবেন না। ৩) এই সংখ্যার সমস্ত লেখা একত্রিত করে একটি সুসজ্জিত ইবুক তৈরি করা হয়েছে। আপনি যদি সংগ্রহ করতে আগ্রহী হন তাহলে ৯৪৩৩৩৯৩৫৫৬ নম্বরে ন্যুনতম ১০ টাকা google pay, phonepe, paytm, freecharge বা amazon pay করতে পারেন। প্রদানের স্ক্রীনশট ওই নম্বরে whatsapp করলেই ইবুকটি পেয়ে যাবেন। সহযোগিতা কাম্য। সকলকে শুভ মহালয়ার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা। =======০০০======= সূচিপত্র ও লিঙ্ক প্রবন্ধ ।। তৈমুর খান https://nabapravat.blogspot.com/2020/09/blog-post_665.html নিবন্ধ ।। সুদর্শন মণ্ডল https://nabapravat.blogspot.com/2020/09/blog-po...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...