পাত্তারি অবশেষ দাস আটচালা পাঠশালা পন্ডিত একটা স্তব্ধতা ভেঙে দিয়ে ডাকে প্যাকঁ প্যাঁকটা। আট ছড়া গাঁটছড়া কাট ছড়া চলকে লাউমাচা চোখ নাচা শোল-ল্যাটা ঝোল খে। শরপুঁটি ধর পুঁটি ধর খুঁটি জাপটে শোল পোনা বলবো না শিরদাঁড়া সাপটে। আটচালা পাঠশালা চার চালা সামনে রাত হলে ভয় নেই দারোগার নাম নে। খোকা লেখে ক্যালকাটা খুকি লেখে পাটনা বড়োবউ দুই বেলা বেটে যায় বাটনা। প্রতিবেশী খড়খড়ি মুখে নেই ঢাকনা মেয়েগুলো বড়ো হলে মেলে দেয় পাখনা। পাঠশালা রোজ বসে রাখালের টিকি নেই ছুটে ছুটে মাস যায় কানাকড়ি সিকি নেই। পন্ডিত ডাক দেয় হাঁক দেয় জোর সে এসব তো সেকালের পুরাতন ভোর সে। আটচালা পাঠশালা আঁকছিল পটলা বাঁধানো সে বটগাছে হচ্ছিল জটলা। নিধিরাম আলুওলা বেচুরাম সবজি কুস্তিতে প্যালারাম ভেঙেছিল কব্জি। কত ছবি উঁকি মারে রকমারি পাতাতে কিছু ছবি মুছে যায় থাকে না সে মাথাতে। জলপাই জল খাই চল ভাই বাড়িতে ঠাকুর দা এঁকেছিল ক্লাশ পাত্তারিতে। ====000====
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...