সম্পাদকীয় উৎসব সংখ্যার জন্য যে-সমস্ত লেখা এসেছিল, তার সব আমরা প্রকাশ করতে পারিনি। অতিরিক্ত লেখাগুলির সঙ্গে কিছু নতুন লেখা নিয়ে এই সংখ্যাটি প্রকাশিত হল। কেমন হল জানাবেন। সকলে ভালো থাকবেন। সৃজনে থাকবেন। নমস্কারান্তে, নিরাশাহরণ নস্কর বিজ্ঞপ্তি: মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৪ সংখ্যার জন্য লেখা পাঠান। ইমেল: printednabapravat@gmail.com বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি শীঘ্রই আসছে। সূচিপত্র প্রবন্ধ ।। বাংলাদেশে সাঁওতাল আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবন যাপন ।। রুদ্র সুশান্ত তিনটি কবিতা ।। আবদুস সালাম উপন্যাসিকা ।। মুদ্রার উল্টো পিঠ ।। সুদীপ পাঠক স্মৃতিকথা ।। মনের স্মৃতিতে ।। দীপক পাল নিবন্ধ ।। খিদে ।। দীপঙ্কর বেরা বড়গল্প ।। মানতে মানতে ।। কাকলী দেব গল্প ।। ছেলেবেলা ।। সম্পা মাজি অনুবাদ গল্প ।। সত্যজিৎ রায়ের লেখা 'বর্ণান্ধ' গল্পের ইংরেজি অনুবাদ ।। রণেশ রায় গল্প ।। দরাদরি ।। সেখ মেহেবুব রহমান দুটি অণুগল্প ।। সুদামকৃষ্ণ মন্ডল গল্প ।। সান্ত্বনা চ্যাটার্জি ।। রঙিন পাথর দুটি কবিতা ।। বদরুল বোরহান কবিতা ।। এভাবে না বললেই হতো ।। সুদীপ কুমার চক্রবর্তী নিবন্ধ ।। নারীদের প্রকৃত রূপ ।...
গুচ্ছকবিতা: ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...