নারীমুক্তির কালিতে লেখা ইতিহাসের কটি পাতা ডাঃ অরুণ চট্টোপাধ্যায় ইতিহাস কথাটা শুনলেই কেমন যেন নাকে সোঁদা সোঁদা গন্ধ লাগে। চোখের সামনে ভেসে ওঠে একরাশ ছেঁড়া ছেঁড়া ধুলো ভর্তি পাতা। এই ধুলো ময়লা ছেঁড়া পাতাগুলোতেও যে লুকিয়ে থাকতে পারে অমূল্য রতন সেটা যেন আমাদের বিশ্বাস হয় না। আসলে এই যে বিশ্বাস অবিশ্বাস দোলাচলে ভোগা এটা কিন্তু ইতিহাস না জানা বা পড়ার ফল। ইতিহাস হল একটা দলিল যা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রমাণে ভরপুর। ইতিহাস প্রাপ্ত তথ্যগুলিকে বিচার বিশ্লেষণ করে, বিভিন্ন সূত্র থেকে । তারপর কোন তথ্য সে রাখবে বা কতটা রাখবে আথবা আদৌ কোন তথ্য সে রাখবে না সে বিচার করে। তাই যেহেতু ইতিহাস অনেকগুলো ছাঁকনির মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে আসা অতীত, তাই ইতিহাস থেকে প্রাপ্ত তথ্যগুলিকে আমারা মেনে নিই। ইতিহাসে নারীর কথা বলতে গেলে তিনটি কথা বলতে হয়। এক, নারীর পরিচিতি। দুই, নারীর ভূমিকা আর তিন, নারীর অবদান। সর্বপ্রথম নারীর পরিচিতির কথা বলতে গেলে বলতে সব নারী ইতিহাসে পরিচিতি পায় নি। পেয়েছে সামান্য কিছু যারা...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...