সূচিপত্র ======== প্রবন্ধ 'মহিষাসুরমর্দিনী' : বীরেন্দ্রকৃষ্ণের কন্ঠে পূজা উদযাপন ।। পিনাকী সরকার অনুভবে, অনুধ্যানে অনালোকিত কবি গিরীন্দ্রমোহিনী দাসী ।। সুপ্রিয় গঙ্গোপাধ্যায় অন্নদাশঙ্কর রায়ের রম্য ছন্দছড়া ।। মনোজিৎ কুমার দাস দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মগরাহাট এলাকার কিছু কথ্যশব্দ, উচ্চারণ, বাগ্.ধারা ইত্যাদি ।। অরবিন্দ পুরকাইত কাজী নজরুল ইসলামের লেখনী ও এই সময় ।। সৌমিক ঘোষ রিমঝিম ঝিম বৃষ্টি ।। সিদ্ধার্থ সিংহ বিজ্ঞানের চোখে কান্না ।। অনিন্দ্য পাল রুবাই ও শায়েরী প্রসঙ্গে ।। শংকর ব্রহ্ম করোনাকাল ও ভারতে কৃষিসংস্কার ।। রণেশ রায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও আমাদের কর্তব্য ।। আবদুস সালাম গল্প / স্মৃতিকথা রওনা ।। অদিতি ঘটক ছাতা ।। দেবশ্রী সরকার বিশ্বাস একবাটি পোস্ত ।। সংঘমিত্রা সরকার কবিরাজ অবলুপ্তি ।। অঞ্জনা গোড়িয়া চায়ের দোকানের ছেলেটি ।। তাপসকিরণ রায় ধূসর স্মৃতি ।। পারমিতা রাহা হালদার (বিজয়া) অসম সুখ ।। পারিজাত ব্যানার্জী ্ সেকেলে ।। মিনাক্ষী মন্ডল তুক ।। চন্দন মিত্র উ...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...