যুদ্ধ- প্রতিপত্তি বৃদ্ধির উদগ্র বাসনার এক অবশ্যম্ভাবী ফল পার্থ সারথি চক্রবর্তী বিংশ শতাব্দীর দুই দশক পেরিয়ে এসেও মানুষ যেন সত্যিকারের মানুষ হয়ে উঠতে পারল না। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহারে সে উন্নত হয়েছে কেবল নিজের প্রভাব, প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বিস্তার করার জন্য। কিভাবে পারিপার্শ্বিককে ও চারপাশের পরিবেশকে,মানুষকে পরাভূত ও নিয়ন্ত্রিত করা যায়, তার বিভিন্ন ফন্দিফিকির বের করাই যেন হয়ে উঠছে রাষ্ট্রনেতা বা রাষ্ট্রনায়কদের একমাত্র লক্ষ্য। আসলে তারা তো অন্য কেউ নন, আমাদেরই মতো সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি। গুহামানব থেকে জেটমানব হয়ে ওঠার এই পথে চেতন বা অবচেতন মনে এই প্রভুত্ব করার বিষয়টি বরাবর প্রাধান্য পায় বা পেয়ে এসেছে। যার কাছে কূটনীতি বা পররাষ্ট্রনীতি শুধু কয়েকটি হাতিয়ার মাত্র। যেখানে দেশসমূহের সংস্থা বা মঞ্চকে নির্ভর করতে হয় বৃহৎ ও শক্তিশালী দেশগুলোর অর্থ ও অনুদানের উপরে, সেখানে নিরপেক্ষ ও সময়োচিত পদক্ষেপ গৃহীত হবে এমন আশা বা ভরসা বোধহয় না করাই শ্রেয়। এমতাবস্থায় মেরুকরণ ঘটবে বা কেউ কেউ ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়বে, এটাই তো হওয়ার কথা। কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগ করে, বিজ্ঞানীদের নতুন নতুন উদ্ভাবনাকে ...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...