মাতৃভাষা: হৃদয়ের প্রথম স্বর বাসিরা খাতুন মাতৃভাষা শুধু একটি ভাষা নয়, এটি মানুষের জীবনের প্রথম অনুভব, প্রথম পরিচয় এবং প্রথম ভালোবাসা। মানুষ জন্মের পর যখন চোখ খুলে পৃথিবীর আলো দেখে, তখন সে ভাষার অর্থ বুঝতে পারে না, কিন্তু মায়ের কণ্ঠের উষ্ণতা বুঝে যায়। শিশুর কান প্রথম যে শব্দ শোনে, সেই শব্দের ভেতর থাকে আদর, আশ্বাস, নিরাপত্তা এবং ভালোবাসা। সেই প্রথম শব্দগুলোই ধীরে ধীরে মাতৃভাষায় পরিণত হয়। মাতৃভাষা তাই কেবল কথাবার্তার মাধ্যম নয়, এটি আমাদের অস্তিত্বের ভিত, স্মৃতির মাটি, আর আত্মার শিকড়। আমরা যে ভাষায় কাঁদি, যে ভাষায় হাসি, যে ভাষায় ভালোবাসা প্রকাশ করি, যে ভাষায় অভিমান করি, যে ভাষায় স্বপ্ন দেখি—সেই ভাষাই মাতৃভাষা। পৃথিবীর বহু ভাষা আমরা শিখতে পারি, অনেক ভাষায় দক্ষ হতে পারি, কিন্তু মাতৃভাষার মতো করে আর কোনো ভাষা আমাদের মনের গভীরে পৌঁছাতে পারে না। কারণ মাতৃভাষা আমাদের শিখতে হয় না, মাতৃভাষা আমাদের ভেতরে জন্মায়। মাতৃভাষা মানুষের পরিচয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী অংশ। মানুষকে শুধু পোশাক, ধর্ম, দেশ কিংবা জাতি দিয়ে চেনা যায় না; মানুষের আসল পরিচয় ধরা পড়ে তার ভাষার...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...