সূচিপত্র ======== প্রবন্ধ-নিবন্ধ-মুক্তগদ্য: বটু কৃষ্ণ হালদার অরুণ চট্টোপাধ্যায় রণেশ রায় স্নেহা দেব সর্বাণী বসু তরুণ প্রামানিক নিসর্গ নির্যাস মাহাতো রাণা চ্যাটার্জী গল্প : চন্দ্রানী দত্ত মনীষা কর বাগচী রণেশ রায় সঞ্জয় গায়েন সোমনাথ বেনিয়া কবিতা/ছড়া: অনন্য বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতীক মাইতি অমিতাভ দাস শেকানুল শাহী ফরহাদ হোসেন আবদুস সালাম দীপ্তেন্দু বিকাশ ষন্নিগ্রহী অনিন্দ্য পাল হারুন অর রশীদ চন্দন মিত্র প্রভাস মণ্ডল প্রিয়ব্রত দত্ত তাপস বাগ সবিতা বিশ্বাস রিঙ্কু মণ্ডল সুমন নস্কর কার্তিক চন্দ্র পাল অমিয়কুমার সেনগুপ্ত তাপসী লাহা মনোজকুমার রায় অঞ্জন দাস মহাপাত্র সজল কুমার টিকাদার শম্পা দাস সুমন দাস সংঘমিত্রা সরকার কবিরাজ মাথুর দাস মৃত্যুঞ্জয় হালদার প্রণবকুমার চক্রবর্তী তাপসকিরণ রায় তপন কুমার মাজি মোনাল...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...