জীবনের প্রথম শিক্ষক মাকে নিয়ে কবিতা আদি শিক্ষক বিবেকানন্দ নস্কর মায়ের ঠোঁট থেকে পেয়েছি বর্ণ স্পর্শ দিয়েছে অনুভূতি মাতৃ দৃষ্টি দু'চোখ এঁকেছে শরীরে মায়ের দ্যুতি। পথচলা শেখা, হাঁটি হাঁটি পা শিরদাঁড়াতে টান নির্ভীকতার প্রতীক যে মা বিপদেও আগুয়ান। আদি শিক্ষক, অনন্ত কাল মায়ের উপরে নির্ভর যাপন আপন তাপন জীবন সে আমার পরিসর। প্রথম গুরু, প্রথম মন্ত্র আজন্ম মাতৃঋণ রাত্রি যন্ত্রণা মুছে নিয়ে আসে একটি আলোর দিন। ===================== বিবেকানন্দ নস্কর সন্তোষ পুর ফলতা দ: ২৪পরগনা
কবিতাগুচ্ছ: “বাংলাবিদ”: অনামা আলোর বিচ্ছেদে… আবদুল্লাহ আল আদীব তোমাকে ভালবাসি বলেই… বন্ধুবরেষু “বাংলাবিদ”, আমার কোমল প্রাণ মৌমাছি, অতি নরম-স্নিগ্ধ রোদে হেসে ওঠা মুক্তোদানা শিশির- দুঃখ করো না। তোমাকে ভালবাসি বলেই আজ এই দূরত্ব— যেন আমার কোন কিছু তোমার ক্ষতি না করতে পারে! তোমাকে ভুলিনি— তুমি আমার অন্তরের ইচ্ছের অন্তঃপুরে পাহাড়ের মতো ভারী হয়ে বসে আছো, এ যেন সভ্যতার এক ধ্বংসাবশেষ। প্রতিটি নিঃশ্বাসে তোমার নাম প্রকম্পিত হয়, যেন ধারালো ছুরি বুক চিরে রক্ত ঝরায়। ভুলতে চেয়েছি— কিন্তু স্মৃতিগুলো আমার রক্তে জমাট বেঁধে আছে, যেন পাথরখচিত প্রাচীন লিপি। তুমি হয়ে গেছো আমার নীরব কান্না, প্রতিটি লিখতে না পারা কবিতা আমার ভাঙা আত্মার লুকানো আর্তনাদ। তোমার স্পর্শ নেই, নেই আমাদের সম্পর্কের কোন নাম— তবু তুমি আছো অদৃশ্য, অমোঘ, যেন প্রতিটি ক্ষতচিহ্নে চিরন্তন বসবাস করা এক নিঃশব্দ মৃত্যু। ক্ষত-নিবদ্ধ বাঁশি… প্রিয় “বাংলাবিদ” আমার, কি এক আশ্চর্য সমর্পণ তন্ময়তা, মোহময় আকর্ষণ, বকুলের বিহ্বল ঘ্রাণ তোমার সত্তায়! তোমার বিস্তীর্ণ গালিচা থেকে বিদীর্ণ হয়ে আজ আমি বিচ্ছেদের নিঃ...