"আমার চোখে চণ্ডী প্রাথমিক" কার্ত্তিক মণ্ডল ধনেশ্বরপুর চণ্ডী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গৌরবময় উজ্জ্বল ইতিহাস নক্ষত্রের ন্যায় জ্বলজ্বল করে জ্বলছে আমাদের চোখের সামনে আজও। ফেলে আসা দিনগুলোর ইতিহাস লিখতে গিয়ে আমি অভিভূত,আমি গর্বিত।স্বাধীনতার ঠিক পর মূহুর্তে ১৯৪৮ সালে তদানিন্তন সরকার বাহাদুরের বদান্যতায় ভূপতি সীট মহাশয়ের ভূমি দানে ও বাসুদেবপুর গ্রামবাসীর শুভ প্রয়াসে চণ্ডী মাতাঠাকুরানীর নামাঙ্কিত ধনেশ্বরপুর চণ্ডী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা লাভ করে যা শিক্ষার আঙিনায় এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।বহু ঘাত প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে মাননীয় শিক্ষক রামশংকর ভট্টাচার্য মহাশয় হাত ধরে এই বিদ্যালয়টি নিজস্ব মহিমায় মহিমান্বিত। এলাকাবাসীর চেষ্টায় ও তদানিন্তন শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের সহযোগিতায় এই বিদ্যালয়টি এখনও স্বমহিমায় মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে ।কালের স্রোত প্রবাহে বিদ্যালয়ের কলেবরের পরিবর্তন ঘটেছে ,খড়ের চালা থেকে মাটির আবার মাটির দেয়াল টপকে পাকার কাঠামো । আমাদের এলাকার গর্ব পিংলা থানার অন্তর্গত এই প্রাথমিক বিদ্যালয়টি যা কিনা বহু কৃতি ছাত্র ছাত্রিদের পাঠদান কেন্দ্র রূপে পরিচিতি লাভ করেছে ও এখনো উ...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...