সূচিপত্র ।। প্রবন্ধ-নিবন্ধ ।। নিন্দা সহ্য করতে হয়েছিল বিশ্বকবিকেও ।। অনিন্দ্য পাল দলিত সাহিত্যে মিনা কান্ডাশমী ।। রণেশ রায় সমরেশ বসুর "আদাব" : শ্রমজীবী মানুষের মনুষ্যত্বের দলিল ।। আবদুস সালাম জানা-অজানা তারকেশ্বর মন্দির ।। সৌভিক দে মা সারদা - চিন্ময়ী ।। সত্যেন্দ্রনাথ পাইন বাংলা সাহিত্যে প্রবন্ধের উৎপত্তি ও ব্যাপ্তি ।। শ্যামল হুদাতী বাংলা সাহিত্যে এখনো জনপ্রিয় বহু পঠিত ও চর্চিত বঙ্কিমচন্দ্র ।। পাভেল আমান কবি হওয়ার কারণ ।। শংকর ব্রহ্ম ।। মুক্তগদ্য- স্মৃতিকথা ।। তমসার উৎস পথে ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত বর্ষা সংক্রান্ত ।। নীলম সামন্ত আবর্জনা ।। কৌশিক চক্রবর্ত্তী শ্রাবণ সাঁঝে ।। শেফালি সর অমাবস্যার রাত ।। রবিউল ইসলাম মন্ডল বড় ঠাকুমা ।। সুশান্ত সেন শুভেচ্ছা ।। রজত চন্দ্ বাবা ।। অরুণ কিরণ বেরা ।। গল্প ।। অপরাধ ।। স্তুতি সরকার পর্দা || মৃণাল কান্তি দেব লেডি ম্যানেজার ।। দেবাংশু সরকার কেন পারলাম না ।। অঞ্জনা গোড়িয়া সাউ সিপাহী বিদ্রোহের কবলে ।। সৈকত মাজী বুদ্ধির মূলে জল ।। শম্পা পাত্র ...
স্রষ্টা বৈশাখী রায় তাদের খুঁজছি, খুঁজেই চলেছি... মস্তিষ্কের গভীর-গোপন কোণগুলিতে। তবুও প্রকাশ্যে আসেনি তারা, শব্দের ভিড় নামেনি হাতে। চাহিদার প্রাচুর্য! সংখ্যা বাড়ছে খুব... আমি স্রষ্টা, রচনাই আমার আরাধনা, সৃষ্টি সাধনা জলাঞ্জলি যাক! জবরদস্তি প্রতিযোগিতায় নামা। মনের ভাব প্রকাশ পায় না, তবুও লেখার স্বাধীনতা। অর্থ মিলুক ছাই না মিলুক , কঠিন তবু শব্দ খোঁজা। কলমে তারা ধরা না দিলে, মস্তিষ্ক শব্দ ধার করে । অনুভূতিরা আপন হয় না, অন্যের অনুভবে অট্টালিকা গড়া। উফ! শব্দ মেলানো কঠিন কাজ, মন এবার শব্দের ছক বাধে। ব্যস্ততা, সময়সীমা, প্রতিযোগিতার জটাজালে, স্বতঃস্ফূর্ততা হাঁপিয়ে ওঠে...।। ___________ নাম-বৈশাখী রায় ঠিকানা- ঠাকুরনগর (বণিক পারা) ডাক-ঠাকুরনগর থানা-গাইঘাটা পিন-৭৪৩২৮৭