Skip to main content

Posts

কবিতা ।। মেয়েটির মৃত্যু দেখে ।। তুষার ভট্টাচাৰ্য

মেয়েটির মৃত্যু দেখে  তুষার ভট্টাচাৰ্য  এই মৃত্যু উপত্যকায় রাত দুপুরে নিরীহ  অসহায় মেয়েটির হাড় হিম নৃশংস    মৃত্যু দেখে যদি প্রতিবাদে না নামো আজ  রাস্তায় পথে পথে তবে বুঝে নেবো সুবিধাবাদী  তোমার     মেরুদন্ড    বিকিয়ে     গেছে কবেই    শাসকের কাছে    ; যদি আজ না নামো রাস্তায় l ============ তুষার ভট্টাচাৰ্য l কাশিমবাজার l বহরমপুর l মুর্শিদাবাদ l

কবিতা ।। অন্ধকারের আলো ।। বিবেকানন্দ নস্কর

অন্ধকার ের  আলো বিবেকানন্দ নস্কর অন্ধকার  ডেকেছে তোমায় অন্ধ স্রোতে ভেসে যাও আঁধার পৃথিবী  এঁকেছো  এভাবে ? অন্ধ হয়েছো মোহে অন্ধ কারাগারে নত মনুষ্যত্বের ছবি হা জির জিরে কালসিটে মুখ ! আমাদের পৃথিবী এত  আলো  মাখা তার পিঠে কালি দিয়ে আমরা এঁকেছি  অন্ধকার   ! অন্ধ মুনির উপাসনাতে থাকে  আলো অন্ধ পথের দু পাশে  আলো র সারি আড়ালে লুকিয়ে কাঁদে  ! আদিম  অন্ধকার ের জীব খুঁজেছো কি  অন্ধকার ের  আলো অন্ধ রাতেই জ্বলে ওঠে দীপ । ================ বিবেকানন্দ নস্কর সন্তোষপুর ফলতা দক্ষিণ ২৪ পরগনা পিন ৭৪৩৫০৩

কবিতা ।। ঘোষণা ।। প্রতীক মিত্র

ঘোষণা  প্রতীক মিত্র হুমকি যত বাড়তে থাকবে ফুলকি তত ছড়াতে থাকবে এদিক ওদিক সবদিকে। তুমি বরং মাপতে থাকো জল রাস্তায় সাধারণের ঢল উঁচু ছাদের কার্নিশে ঝুঁকে। নিভবে না এ আগুন যতদিন না মিলছে বিচার, মৃত জাতি জেগেছে কি দারুণ  এটাই তো ছিল হওয়ার। দর কষাকষি ছেড়ে মিথ্যের শহরে আয়নায় মুখ দেখে জানিয়ে দিই নিজের পরিচয় আশাবাদেরই আলো চোখে। যে যেদিক থেকে আসুক মিলবে পথ একই অভিমুখে। পা যতটা পথই হাঁটুক এ বিবেকে নেই কোনো অসুখ। হুমকি যত বাড়তে থাকবে ফুলকি তত ছড়াতে থাকবে এদিক ওদিক সবদিকে। ============== প্রতীক মিত্র, কোন্নগর, পশ্চিমবঙ্গ

কবিতা ।। অপেক্ষায় ।। রণেশ রায়

অপেক্ষায় রণেশ রায়  নিশি ডেকে বেড়ায়  চোখ বন্ধ রাতে, ঘুম হারায়,  কার যেন পদধ্বনি শুনি----  কোন এক নীরবতা জানায়, কথা বলে আমার অশরীরি বেটি  অভয়া বা নির্ভয়া বা তিলোত্তমা  বা ওই আদিবাসী মেয়েটি---   সুপ্ত নারীশক্তির জাগরণ, ওদের বুকে ত্রাস ছড়ায় নতুন দিনের দিশা দেখায়  অন্ধকার  পথে  আলো  ছড়ায়, ছিনিয়ে নেয় চলার  অন্ধকার  পথ,  লক্ষ্য কোটি মানুষের গর্জন জ্বলে ওঠে মশাল  রাতের আঁধারে ঊষার আগমন। চোখে উজ্জ্বল সকাল, আমি বসি উঠে  অপেক্ষায় থাকি কখন সূর্য ওঠে।

কবিতা ।। গ্লানি ।। সুজন দাশ

গ্লানি  সুজন দাশ  কতটা ক্ষমতা থাকলে ওদের উপেক্ষা করে জনতার দাবি ,  জনগণ বুঝি জেনে গেছে সব?  কার কাছে আছে ক্ষমতার চাবি!  জানে ওরা জানে বিচার করলে  থলের বিড়াল ডাক দেবে মিউ,  বাঁচাচ্ছে তাই সন্দেহ নাই  দেয় না পাত্তা পাবলিক ভিউ।  আগুন জ্বালালে জনতার মনে  নিস্তার নেই এটা মনে রেখো,  দাবানল হয়ে জ্বলে ধিকিধিকি  না শিখলে তাহা দেখে শুনে শেখো।  আর জি করের অভয়া তুমি  ভেবো না জননী হবে না বিচার,  বেরিয়ে আসবে পশুদের নাম  ফুটবে কলমে ঠিকই ফিচার।  আমরা রেখেছি চোখ চারিদিকে  ব্যর্থ হবে না বিচারের বাণী,  ক্ষমা চাই মাগো সবার পক্ষে  চাইনা আসুক এরকম গ্লানি। =================== সুজন দাশ  আটলান্টিক সিটি, নিউজার্সি,  যুক্তরাষ্ট্র।

কবিতা ।। বিনীত আবেদন ।। শংকর ব্রহ্ম

বিনীত আবেদন শংকর ব্রহ্ম ভাতা পাওয়া বুদ্ধিজীবী কোথায় আছ সব? দেশে যা আজ ঘটছে সেটা করছ অনুভব? ভাতাজীবী বুদ্ধিজীবী সব অন্ধ কালা হয়ে, রাজ্যে যা সব ঘটছে দেখবে না তা চেয়ে? ভাতায় লোভে চোখটি বুজে  মুখটি বুজে থেকে,  দলদাস করবে প্রমাণ সব কিছু আজ দেখে? বিবেক কোথায় হারিয়ে গেছে খোঁজ করে তা দেখ দু'এক ছত্র সুবিচার চেয়ে আজকে না হয় লেখ। ------------------------ SANKAR BRAHMA. 8/1, ASHUTOSH PALLY, P.O. - GARIA, Kolkata - 700 084 .

কবিতা ।। তুই যে মেয়ে তিলোত্তমা ।। অশোক দাশ

তুই যে মেয়ে তিলোত্তমা অশোক দাশ তুই যে মেয়ে তিলোত্তমা,  চোখ ফেটে তোর রক্ত ঝরে                    ক্ষতবিক্ষত শরীর, হায়নার  দল  খুবলে খেলো  স্বপ্নের  কুঁড়ি  ছিঁড়ে   নিলো নিলো কেড়ে তাজা ফুটফুটে প্রাণ। তুই যে মেয়ে তিলোত্তমা               বুকে অযুত বল,  দুর্জনের দুর্নীতি ভ্রষ্টাচারের     ভেঙেছিলিস সুখের ঘর। স্বপ্ন  চোখে  সেবার   মন্ত্র              কর্তব্যে  অবিচল,  বাঁচতে তাই দিলো না তোকে  জেনেছিলিস ওদের কু কীর্তির মতলব।  তুই যে মেয়ে তিলোত্তমা  আগুন রাঙা পলাশ কৃষ্ণচূড়া, সারা ভুবন একটাই দাবি জাস্টিস                             রাত দখল ধরনা। তোর   যন্ত্রণার  আর্তনাদ  কোটি  কন্ঠে  অগ্নি-স্বর, ঘৃণার বারুদে জ্বলে ক্রোধ        ধিক্কার ধর্ষক...

কবিতা ।। শোক সন্তাপের দুর্গা ।। সুদামকৃষ্ণ মন্ডল

শোক সন্তাপের দুর্গা সুদামকৃষ্ণ মন্ডল আমার দুর্গা হারিয়ে গেছে শোক বিহ্বল রাতে ফিরবে না সে আর কোনওদিন শরৎ শিউলি প্রাতে ঘরে বাইরে কুমারী প্রতিমা  রাস্তায় ট্রেনে বসে বারো মাসে দিনে রাতে হাঁটছে উষ্ণ শ্বাসে হায়না শেয়ালে রক্ত চাটে শকুনে খায় মাংস নারীর মাংস ওদের প্রিয় মাতৃ নিধনে অংশ রক্তেও ঘামে শহর গ্রাম মিছিলে আমজনতা মোমের বাতি জ্বলছে মৃদু শাসক মুখে ভণিতা রক্ষক দলে ভক্ষক ভিড়ে গদি দখলে হুমকি সাধুর বেশে শয়তান ঘুরে নয়তো বিষয় ঠুনকি চোখের জলে প্লাবন আসে কন্যার পিতা কাঁদছি কন্যা  হারানোর বিষম ব্যথায় সন্তাপে  মুষড়ে  আছি ================== সুদামকৃষ্ণ মন্ডল গ্রাম: পুরন্দর পুর (অক্ষয় নগর) পোস্ট : অক্ষয় নগর থানা : কাকদ্বীপ জেলা : দঃ চব্বিশ পরগণা

কবিতা ।। মেয়েদের স্বাধীনতা চাই ।। সুনীপা শী

মেয়েদের স্বাধীনতা চাই  সুনীপা শী আসিসনে মা মর্তে এবার,  আসিস নে মা আমাদের মাঝে। ভয় যে হয় তোকে ও নিয়ে, দানব দের কু নজরে পরিস নে যেনো তুই ও। স্বর্গ লোকে করেছিস তুই অসুর দমন। মর্ত লোকে করবে কে অসুর নিধন?  জনগণ আজ রাস্তায় নেমে করছে আন্দোলন।  দলে দলে এক হয়ে চাই ছে বিচার।  চাই ছে মেয়েদের নিরাপত্তা,স্বাধীনতা। জনগণের মাথার উপর বসে যারা, তাদের আন্দোলনের ডাক যায় না শোনা।  তাদের কাছে ধর্ষিতা মেয়েদের দাম - মাত্র দশ লক্ষ টাকা। তারা তো জনগণের মুখ বন্ধ করতে চাই।  চাই, জনগণ কে আড়াল করতে। লক্ষীর ভান্ডার আছে,  অথচ ,লক্ষীদের নিরাপত্তা নেই।  কন্যাশী, রুপশী এমন কি -  বছর বছর - তুই মা আসবি বলে, মণ্ডপে মণ্ডপে হাজার হাজার টাকা দিচ্ছে । চাই না আমরা অমন টাকা। চাই না অমন টাকায় মণ্ডপ সাজিয়ে-  তোকে সজ্জিত করতে। ভয় যে হয় দানব দের চোখে , তুই যেনো না -পরিস মা । তুই যেনো না পরিস । ===================== নাম-সুনীপা শী গ্রাম -মামুদপুর থানা -ফলতা পোষ্ট- রাজারামপুর জেলা -দক্ষিণ ২৪পরগনার 

কবিতা ।। গর্জে ওঠো এবার ।। সঞ্জয় বৈরাগ্য

গর্জে ওঠো এবার  সঞ্জয় বৈরাগ্য  বিচার চাই, বিচার চাই বলে, আর আবেদন নয়, নয় কোনো প্রার্থনা  ওগো নারী, এবার তোমরা গর্জে ওঠো! মোমবাতিগুলো নিভিয়ে দিয়ে, জ্বালো এবার, মশাল জ্বালো। প্রভাবশালী, ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে  গর্জে ওঠো, আওয়াজ তোলো। তুমি তো সেই নারী, দশ হাতে, দশটি অস্ত্র নিয়ে বধিলে  মহিষাসুর, শুম্ভ-নিশুম্ভ আর রক্তবীজের দল, তবে আজ কেন ঘুমিয়ে তুমি! আর কতদিন, কতদিন আর, থাকবে তোমরা চুপ? করো প্রতিবাদ, ওঠো গর্জে আমরাও আছি তোমাদের সাথে; আজকে যদি গর্জে না ওঠো, তবে তোমার রক্তে, তোমার যন্ত্রণা'য়  ঐ নরপিশাচদের হবে জয়! ============= ✏️ সঞ্জয় বৈরাগ্য   কৃষ্ণনগর , নদীয়া ।

কবিতা ।। ভবিতব্য ।। জীবন সরখেল

ভবিতব্য জীবন সরখেল ছল চাতুরী নকল সাজে  বাগালেও শিরোপা  মুখোশ খুলে হবেই একদিন  মিথ্যের দফারফা! সবাই জেনে বুঝে আপনার কদর্য চরিত্র  নামটাও মুখে নেবে না কেউ  ঘৃণায় হবে ক্ষিপ্ত! দেরি হলেও সত্যের জয়  সময়ের অপেক্ষা ভুলবেই মেকি অবদান সব অভিনয় আর ভিক্ষা!  মানুষ বাঁচুক খেলুক হাসুক শুভবোদ্ধা তাই চায় শোষণ ক্ষমতা দম্ভে কেউ  শ্রদ্ধা সম্মান কী পায়?  _________________ জীবন সরখেল, বাঁকুড়া, ভারত। 

কবিতা ।। ঘুমিয়েই থাকবে? ।। মনোরঞ্জন ঘোষাল

ঘুমিয়েই থাকবে? মনোরঞ্জন ঘোষাল ঘুমিয়ে কি থাকবে চিরকাল? মানুষ! কুম্ভকর্ণ রাক্ষস সেও ঘুমিয়ে থাকত; ছয় মাস অত‍্যাচারের সাম্রাজ্য ঘিরে দমন নীতি। স্বাধীনতা হরণ করে দমিয়ে রাখা যায়? তারা ছিল ইংরেজ বিভেদী মানুষ লোভ লালসায় সম্পর্কে ধরেছে ছেদ জন্ম দিয়েছে শোষণ দমন বিচ্ছেদ। আর কত কাল? কত কাল সইবে বল শুধু বদল নয়, বদলাও চাই যত পাকা হাত কলুষিত মন আর দুষ্টু বুদ্ধি আর নেই দরকার; হোক সংস্কার  চলে যাক সব মর্গে; ফেলে দাও আবর্জনার দলে নতুন সূর্য উদয় হোক নতুন এক ভোরে। যদি দেখ বেগতিক তার; তবে থাকবে না সেও শেকড় গেড়ে বট বৃক্ষের মত যুগ থেকে যুগ পেরিয়ে যেতে দেবেনা তারে ধরণীর যেন বোঝা হয়ে সে না রয় জয়ী হয়ে চিরকাল অন‍্যায় সমরে। ================= মনোরঞ্জন ঘোষাল আত্মারামপুর পশ্চিম রামেশ্বর পুর বজ বজ দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা পিন 700140

কবিতা ।। লিখতে পারো ।। নীলমাধব প্রামাণিক

লিখতে পারো নীলমাধব প্রামাণিক সত্যি তুমি লিখতে পারো পারোই তুমি লিখতে তাই গিলতে হবে যতোই সে হোক অস্বস্তিকর যাচ্ছেতাই । সত্যি সত্যি লিখতে পারো টেনেই সে সব প্রসঙ্গ লিখতে সবার হয়না সাহস হবেন শেষে অনঙ্গ  ? সত্যি কি আর লিখতে পারো কেবল শুধু যাও বলে ঘটতে থাকা দৃশ্যাবলি চোখের সামনে জ্বলজ্বলে । সত্যি সত্যি লিখতে বসে হিজিবিজি ভ্যানতাড়ায় সময় কাটে ঠাটবাটে আর তফাৎ বাড়ে শিরদাঁড়ায় । মিথ্যে না হোক ফলিয়ে যদি বলিয়ে হন নামকরা সত্যি ভীষণ বিখ্যাত লোক ভীতরে বেশ ঘুণধরা । সত্যি তুমি লিখতে পারো বলতে পারো যা ইচ্ছে মিথ্যে কেবল মানুষ হলে গুরুত্ব আর কে দিচ্ছে । -------- নীলমাধব প্রামাণিক কিসমত মাধব নগর (ধোপাহাট) ডাক- পূর্ব চাঁদপুর, মন্দির বাজার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ডাক সূচক-  ৭৪৩৩৩৬

কবিতা ।। একটু শান্তির খোঁজে ।। দীপক পাল

একটু শান্তির খোঁজে দীপক পাল তোমাদের নিয়ে এবার বিবেকের       ডাক এসেছে আমাদের মননে তোমরা এক এক জন চিকিৎসক,       অবশ্য কেউ কেউ বলে ভগবান, কত আশা কত স্বপ্ন নিয়ে       হয়েছ এক এক জন ডাক্তার। মানব সেবার শপথ নিয়ে        করবে সব রোগের সমাধান। মূমূর্ষ রুগীর চিকিৎসা করে        পেয়েছ কত আনন্দ, চোখে জল আনে তখন যখন       সুস্থ হয়ে ভরে তোলে আশীর্বাদে। কত সন্মান পাও মানুষের       পাও যে কত শ্রদ্ধা তাদের কাছে, অতি উৎসাহে করে যাও রুগীর সেবা       বেডের পর বেড অতি নির্বিবাদে। কিন্তু এত নিঃস্বার্থ সেবার কাজ বিঘ্নিত হয়       কিছু দুর্নীতিপরায়ন মানুষের জন্য। হিংস্র পশুরা যেমন তার শিকার ধরে       তার মাংস ছিঁড়ে ছিঁড়ে খায়, এরাও কেউ কেউ রাতের আঁধারে       নারী সঙ্গে পেতে চায়। অন্ধকারে নীর্জন পথে চলে তারা        বিষাক্ত হিংস্র শ্বাপদের মত সুযোগ খুঁজে বেড়ায় প্রতিবাদীদেরকে       খুন  কর...

কবিতা ।। গণতন্ত্রের পরিহাস ।। মোহিত ব্যাপারী

  গণতন্ত্রের পরিহাস  মোহিত ব্যাপারী  মরছে মানুষ মারছে মানুষ। চলছে খেলা গণতন্ত্রের। বন্দুকের গুলি আর বোমার শব্দে বুক কেঁপে ওঠে। আকাশে বাতাসে গণতন্ত্রের জয় ধ্বনিত হয়। মাইকের স্বরে জননেতার কন্ঠ চড়ে। মাথা নষ্ট হয় সাধারণ মানুষের। গণতন্ত্র গণতন্ত্র গণতন্ত্র। চিৎকার চেঁচামেচি। গণতন্ত্রের নামে শুধুই প্রহসন দেখি। যে জনগণ সিদ্ধান্ত নিতে পারে না তারাই গনতন্ত্রের ভিত্তি। যে জনগণ ভাইয়ের গলা টিপে ধরে তারাই গণতন্ত্রের খুঁটি। একটা বাংলা মদের বিনিময়ে যারা নিজের ভোট বেঁচে দেয়,  তারাই শেষ কথা বলে। দুর্ভাগ্যের এখানেই শেষ নয়। দেশ মানে যার কাছে অস্পষ্ট ভূখণ্ড, সরকার মানে যার কাছে দু'কেজি আটা পাঁচ কেজি চাল, তারাই সরকার নির্বাচন করে। একে একে ভোট দিতে যায়। ব্যালট পেপারটা বুক পকেটে নিয়ে বাড়ি ফিরে যায়। উৎকোচ নিয়ে ভোট দেয় যারা তারাই আবার আশা রাখে, ঠিক পথে হাঁটবে সরকার। মরছে মানুষ মারছে মানুষ। চলছে বোমা গুলির লড়াই। রাজনীতির ময়দানে স্বজন দুর্জন হয়। আর নেতারা সব এক টেবিলে চুমুক দেয়। গণতন্ত্র গণতন্ত্র গণতন্ত্র। অকারণ চিল চিৎকার। গণতন্ত্রের নামে শুধুই প্রহসন। পেটে খিদে নিয়ে খালি পায়ে মানুষ চায়...

কবিতা ।। বিচার চেয়ে যাব ।। শঙ্খ চক্রবর্তী

বিচার চেয়ে যাব   শঙ্খ চক্রবর্তী   তুমি আমায় গন্ধ দিয়ে যেও।  আমি পরাগরেণু হব।  মাটির গায়ে ছড়িয়ে পড়ে জোরসে বিচার চাব।  বিচার যদি না মেলে তবে হাওয়ায় উড়ে যাব।  নতুন দেশের নতুন ফুলের গর্ভমুণ্ডে মিশে,  নতুন রঙের নতুন গানের নতুন  ফুল ফোটাব।  পাওয়া যত অবিচারের, কথা যত অন্ধকারের, সবই ভুলে যাব।  আমি পরাগরেণু হব।  তুমি বৃষ্টি দিয়ে যেও,  এই মাটিতেই আবার জন্ম লব।  মাটির বুকে ফসল হয়ে, কখনো সোনার রোদ্রু হয়ে, আবার বিচার চাব। তুমি আমায় হৃদয়ে ধরে রেখো।  আমি তোমার গান গাব। এমনভাবেই প্রতিকালে বিচার চেয়ে যাব।  ======================= শঙ্খ চক্রবর্তী ১৭৪, পূর্ব সিঁথি বাই লেন,  রাধারমণ প্লাজা, ফোরথ ফ্লোর, ফ্ল্যাট ফোর এ, দমদম, কোলকাতা।

কবিতা ।। অপেক্ষায় ।। রণেশ রায়

অপেক্ষায় রণেশ রায়  নিশি ডেকে বেড়ায়  চোখ বন্ধ রাতে, ঘুম হারায়,  কার যেন পদধ্বনি শুনি----  কোন এক নীরবতা জানায়, কথা বলে আমার অশরীরি বেটি  অভয়া বা নির্ভয়া বা তিলোত্তমা  বা ওই আদিবাসী মেয়েটি---   সুপ্ত নারীশক্তির জাগরণ, ওদের বুকে ত্রাস ছড়ায় নতুন দিনের দিশা দেখায়  অন্ধকার পথে আলো ছড়ায়, ছিনিয়ে নেয় চলার অন্ধকার পথ,  লক্ষ্য কোটি মানুষের গর্জন জ্বলে ওঠে মশাল  রাতের আঁধারে ঊষার আগমন। চোখে উজ্জ্বল সকাল, আমি বসি উঠে  অপেক্ষায় থাকি কখন সূর্য ওঠে। ===========

কবিতা ।। মেয়ে ডাক্তার খুঁজিস না আর ।। প্রবীর বারিক

মেয়ে ডাক্তার খুঁজিস না আর  প্রবীর বারিক  "মা মাগো আমি দেশসেবা করব বীর দেশপ্রেমিকের মতো  দরিদ্র আর্তের জন্য উৎসর্গ করব ঘুচিয়ে দেব সকল জ্বালা ক্ষত।" ছোট্ট মেয়ের জীবনাদর্শে মা আপ্লুত "তোর স্বপ্ন সার্থক হোক মামি" মা একগাল হেসে বুকে টেনে নেয় "মৌ তুই আমাদের জীবনে সবচেয়ে দামি"। বইয়ের পাতায় বুঁদ হয়ে কঠোর সংগ্রাম  জীবনে এমন কিছু করতে হবে যা মানুষকে ভগবানতুল্য করে দেয় মেয়ে হয়েও টেক্কা দেবে সবে। দিনরাত এক করে ঈশ্বর হওয়ার সাধনায়  সর্বপ্রকার স্বাধীনতা ছিল তার পিতা কখনও আক্ষেপ করে না "মেয়ে হয়েছে আমার"। বরং আদর যত্ন ত্যাগ তিতিক্ষা বহুগুণে বাড়িয়ে দেন মানব সেবক ডাক্তার হতে হবে আপোষহীন স্বপ্নের লেনদেন। নারী পুরুষ সমানাধিকার এক বিংশের বাণী তিলোত্তমাও টের পেয়েছে কত সম্মানহানি। ভগবানরূপে সেবা করে যায়  বিনিদ্র রাত্রি সেমিনার হলে চোখ ঢলে যায় মৃত্যুপথের যাত্রী। নর পিশাচ পাষণ্ড ধর্ষক মদ্যপ ক্ষুধার্ত হায়না  চুল থেকে নখ সর্বাঙ্গ রক্তস্নাত আয়না। সমাজ বিরোধী অমানুষেরা আজ দাপায় যত্রতত্র ওরা হল এক দানব নেই তাদের কোন গোত্র। সভ্য সমাজ বুদ্ধিজীবী বিক্রি হয়...

কবিতা ।। তিলোত্তমা ।। শম্পা পাত্র

তিলোত্তমা শম্পা পাত্র  হে অভয়া কাদম্বিনী তিলোত্তমা তুমি প্রতিবাদের পথ দেখলে আমার বঙ্গভূমি। মৃত্যু আজি পরাজিত তোমার রুদ্র রূপে কত শত নর নারী  জ্বলছে মশাল ধূপে। সভ্য সমাজ মুখোশ পরে  করে রক্তের খেলা নগ্নতার ঘোর বহিঃপ্রকাশ সহনের শেষ বেলা। বিচারের দাবি সবার মুখে হৃদয় বহ্নিশিখা দোষীদের আর নয় গো ক্ষমা  ফাঁসি হোক তার টিকা। লোক সমাবেশ সড়ক জুড়ে সিংহ সম গর্জন অত্যাচারী মূষিক গর্তে  কুর্শি করে বর্জন। =========== 

কবিতা ।। আসিস না মা ।। প্রিশিতা পরী

আসিস না মা প্রিশিতা পরী  এই বাংলায় আসিস না মা কৈলাস ধামেই থাক তুই যারা তোকে একহাতে পুজো করে তারাই অন্য হাতে জ্যান্ত্দুর্গা নিধন করে। তোর জন্য তাই আর কাশফুল হাসে না মহালয়ার সুরও বিষন্নতায় পূর্ণ হয়েছে কুমোরটুলিতে তোর মৃন্ময়ী রূপ আর চিন্ময়ী নেই তোকে বরণ করার মতো মায়ের আঁচল নেই। তোর আগমনে নববস্ত্রে নবপুষ্পে ভরে উঠতো ধরা খুশির বীণার রাগ ছড়িয়ে পড়ত আকাশে বাতাসে সকল গ্লানি বেদনা ভুলে উৎসবে মত্ত হতো বাঙালি যে হাত তোর পাদস্পর্শ করতো সে আজ কলঙ্কিত। ফিতে কেটে যে তোর আবাহন দিত মুখোশের আড়ালে সেই খুনের কান্ডারী ধর্ষকের মুখ বাঁচাতে ন্যায়ালয়ে হাজির বাঙালি হয়ে আমরা লজ্জিত। যে শারদোৎসব বাংলার ঐতিহ্য মাতৃশক্তির আরাধনা হত প্রতিটি ঘরে সে আজ মুহ্যমান তাসের ঘরের মতো ভগ্ন গগন বিদারী আর্তনাদে মানুষ আজ ঘুমহীন। ================

ছড়া ।। শিরদাঁড়া ।। প্রনীল মাধব

শিরদাঁড়া প্রনীল মাধব শিরদাঁড়াটা কোথায় গেল পাই না খুঁজে ভাইরে  সাধারণের মিছিল দেখে ভয়ে মরে যাইরে । পদলেহল করে করে থাকি সদাই নিচে মাথা তুলে দাঁড়াবো কি বিবেক বুদ্ধি মিছে। কেমন করে নামবো পথে প্রতিবাদের ভিড়ে তাবেদারি না করে যে ভিজে না মোর চিড়ে। বুদ্ধিজীবী ছিলাম ভালো সুটে বুটে কোটে  আজকে সবাই ধিক্কার দেয় রে আমার উপর চটে। শিরদাঁড়াহীন বাঁচবো না আর করছে খোকা শপথ না যদি আজ শুধরে যাই  আসবে ঘরে আপদ। ==========

ছড়া ।। জাস্টিস ।। সুজিত কুমার মালিক

  জাস্টিস সুজিত কুমার মালিক  ছুটছে গিমিক বাজছে রিমিক বুনছি লিরিক। আছি ভাতায় মিলছে খাতায় তলায় তলায়। নেই আর্জি  বড্ড পাজি সব কারসাজি। এসো উৎসবে, সব ভুলে যাবে বিচার পাবে! নেই অহংকার ছাড়বো চেয়ার ডোন্ট কেয়ার। মাতাল হাওয়া  পাল্টি খাওয়া চোখ সওয়া। শহীদ মিনার আর জি কার এক দাবি এক স্বর। ওহে মাস্টার একি ডাক্তার পাবে বিচার! =================   সুজিত কুমার মালিক  হেলান, আরামবাগ, হুগলী 

কবিতা ।। উৎসব ।। গীতা রাউথ

উৎসব গীতা রাউথ  কী উৎসব কোথায় হবে জানো কি তার দেশ মহালয়ার গান বাজবে আগমনীর রেশ। মাতবে কারা হই হুল্লোড় নব পোশাক পরে বোধ বুদ্ধি নেই যাদের শোষণ জালে মরে। যে কন্যাটা হাসতো সদা পিতামাতায় দেখে শুভ বিজয়া প্রণাম দিত সোহাগ রাশি মেখে। ফিরবেনা সে মায়ের কাছে শারদ প্রাতে কভু প্রতীক্ষায় প্রহর গুনে বিচার চাই তবু। প্রতিবাদী পা থেমে যাক না ধামা চাপায় রোষে বঙ্গদেশে অপরাধীরা নৃত্য করে জোশে। ===========

কবিতা ।। রণজয় ।। বিশ্বজিৎ সেনগুপ্ত

রণজয়  বিশ্বজিৎ সেনগুপ্ত  যা সুন্দর তা সুন্দর  তার ঘটে যাওয়া সর্বনাশে উজ্জ্বল নয় ফিকে হতে হতে  হারিয়ে যায় সর্বনাশী মন কোথায় পালাবে তুমি সুমন!  পালাতে পালাতে ইতিহাস থেকে  কবে আর খুঁজে পাবে  জীবন! ওরা কারা তোমার জীবন থেকে সূক্ষ্মতায় কেড়ে নিতে চায় অধিকার! চুপ নয়, তোমার অস্ত্র আজও নির্ভয় পৌরাণিক চিৎকার।  আজন্ম রণজয়।           --০-- বিশ্বজিৎ সেনগুপ্ত  যশোহর রোড  অমরপল্লী, কোলকাতা-৭০০০৭৪ 

কবিতা ।। অবশিষ্ট কত কথা ।। তীর্থঙ্কর সুমিত

অবশিষ্ট কত কথা তীর্থঙ্কর সুমিত অবশিষ্ট কত কথা চাদরের মত জড়িয়ে আছে নদীর এপাড় থেকে ওপাড় বিস্তর ব্যবধান না এর ঘরে হ্যাঁ কথারা দাঁড়িয়ে ক্ষণিকে ক্ষণিকে মিশে যায় অবলুপ্তির প্রান্তরেখা তাইতো আজও পথে মিছিল কৃষ্ণচূড়া গাছে পাখি বসে নদী মেশে সাগরে আমি দাঁড়িয়ে থাকি গোধূলির রঙ গায়ে মাখবো বলে। ============= তীর্থঙ্কর সুমিত মানকুন্ডু ব্রাহ্মণ পাড়া হুগলী  ৭১২১৩৯

গল্প ।। আলোকতীর্থ ।। সৌমেন মণ্ডল

আলোকতীর্থ   সৌমেন মণ্ডল   ( এক) রাঘব সরকার শিক্ষাদরদী মানুষ। শিক্ষক হয়েছেন , তবে এখনো পড়াশোনা ছাড়েননি। যখনই সময় পান বই নিয়ে বসেন। শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় তিনি রাজ্যে প্রথম হয়েছিলেন। চাইলে সুসজ্জিত শহরের কোনো স্কুলকে কর্মক্ষেত্র করতেই পারতেন। কিন্তু তাঁর সাধক মন বেছে নিয়েছে গ্রামের এক প্রত্যন্ত স্কুল। উদ্দেশ্য , আলোর সাধনা — মনের মতো কিছু মানুষ গড়া।       ছোট্ট একটা বাজার পেরিয়ে স্কুল। সবুজে শোভিত তার চত্বর। বিল্ডিংগুলি আয়তাকারে চতুর্দিক থেকে ঘিরে রেখেছে মধ্যবর্তী প্রাঙ্গনকে। প্রথম দিন এই স্কুলে ঢোকার মুখে রাঘববাবু নিজ আদর্শকে মনে মনে প্রণতি জানালেন। স্কুলে যোগ দিয়ে অফিসিয়াল আনুষ্ঠানিকতা ও সহকর্মীদের সাথে আলাপ সেরে শ্রেণিকক্ষে পড়াতে গেলেন। পড়াশুনায় দৈন্যতাকে উপলব্ধি করে মন প্রাণ দিয়ে দিনের পর দিন কঠোর পরিশ্রমে তিনি শিক্ষার্থীদের সম্ভাবনাকে প্রস্ফুটিত করতে চাইলেন। কিন্তু যত সময় গড়াল ততই অভিজ্ঞতা অন্যরকম হতে লাগল। একদিন ক্লাস নাইনে নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের ' দাম ' পড়াচ্ছিলেন। গল্পের একটি বাক্য ছিল ' গাধা পিটিয়ে ঘোড়া করা যায় না...

বিধিবদ্ধ স্বীকার্য :

লেখার বক্তব্যের দায়িত্ব লেখকের, পত্রিকার নয়। আমরা বহু মতের প্রকাশক মাত্র।

সাম্প্রতিক বাছাই

কবিতাঃ চন্দন ঘোষ

এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল  তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র!   কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও  বোধহয় যে...

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

কবিতা ।। স্রষ্টা ।। বৈশাখী রায়

  স্রষ্টা   বৈশাখী রায় তাদের খুঁজছি, খুঁজেই চলেছি... মস্তিষ্কের গভীর-গোপন কোণগুলিতে। তবুও প্রকাশ্যে আসেনি তারা, শব্দের ভিড় নামেনি হাতে। চাহিদার প্রাচুর্য! সংখ্যা বাড়ছে খুব... আমি স্রষ্টা, রচনাই আমার আরাধনা, সৃষ্টি সাধনা জলাঞ্জলি যাক! জবরদস্তি প্রতিযোগিতায় নামা। মনের ভাব প্রকাশ পায় না, তবুও লেখার স্বাধীনতা।  অর্থ মিলুক ছাই না মিলুক , কঠিন তবু শব্দ খোঁজা।  কলমে তারা ধরা না দিলে, মস্তিষ্ক শব্দ ধার করে । অনুভূতিরা আপন হয় না, অন্যের অনুভবে অট্টালিকা গড়া। উফ! শব্দ মেলানো কঠিন কাজ, মন এবার শব্দের ছক বাধে। ব্যস্ততা, সময়সীমা, প্রতিযোগিতার জটাজালে, স্বতঃস্ফূর্ততা হাঁপিয়ে ওঠে...।।               ___________       নাম-বৈশাখী রায়  ঠিকানা- ঠাকুরনগর (বণিক পারা) ডাক-ঠাকুরনগর  থানা-গাইঘাটা  পিন-৭৪৩২৮৭

বিজয়ন্ত সরকারের গল্প

// রাস্তার ছেলে মন্টু // গতরাতে যখন অঝোর ধারা... স্বস্তির গন্ধ দালানের মালিকদের উরুভাঁজে-কার্নিশে তখন ভেজা শরীরে বছর নয়ের মন্টু আশ্রয় নিয়েছিল একটা জীর্ণ একচালায়। যার নীচে দাঁড়িয়ে শরীরটা অন্তত একটু কম ভেজে ।  বৃষ্টিস্নাত রাতে এই একটাই সমস্যা মন্টুর । সকালে মবিন মিঞাঁকে দেখেই- - আরে চাচা, গতরাতে যা বৃষ্টি, তোমার এই একচালার নীচেই তো ছিলাম । - কী কইতাসস্ ! এই চালায় যত ফুটা, দিনে বারিষ আইসলে মুই বুঝবার পারিনা জুতা সিলাইয়ের জিনিস রাকপো কই আর মুইবা খাড়াবো কই ! - যাই বল চাচা, ভগবান আমার জন্যই তোমাকে পাঠিয়েছে । তা না হলে খদ্দের তো তেমন আসেনা, তবু ওই কটা পুরানা জুতা-কালি-সুতা নিয়ে বসে থাকো।  - হা হা হা (প্রাণখোলা হাসি) সহী বাত্ বেটা...সহী বাত্ । 'যাই ওদিকে হয়তো চা ফুটছে, পরে এসে নিউজ শোনাব তোমাকে' মন্টু বলতে বলতে ঝটপট্ বেরিয়ে যায়।  দাস টিফিন সেন্টারে কাজ করে মন্টু । সারদিন খেটে নাম মাত্র টাকা পায় আর কখনও কখনও পায় এক বেলার টিফিন । অথচ কথায়, চাল-চলনে, ফুরফুরে-উড়ে বেড়ায় বেশ । (ব্যাগ হাতে এপাড়ার গন্যিমান্যি গগন বাবুর আগমন) - আরে ও মবিন...

পুস্তক-আলোচনা ।। পুস্তক : বেগমপুরের ইতিহাস ।। লেখক : ড. দেবব্রত নস্কর ।। আলোচক: অরবিন্দ পুরকাইত

'বেগমপুরের ইতিহাস' :  অনুসরণযোগ্য জন্মগ্রাম-গাথা — অরবিন্দ পুরকাইত আজন্ম যে স্থানে মানুষের শৈশব-কৈশোর কাটে, যৌবন কাটে, তার স্মৃতি সচরাচর অবিস্মরণীয়। যত নগণ্যই হোক না সে স্থান। প্রত্যক্ষভাবে যদি না-ও হয়, আমরণ ছায়াসঙ্গী যেন তা মানুষের! আমাদের ইতিহাসচেতনা বলবার মতো নয়। একাধিক খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব এ আক্ষেপ করে গেছেন, বঙ্কিমচন্দ্রের কথা তো স্বত-ই মনে আসে। আমরা এমনকি ইতিহাস নিয়ে ভাবি-ই না তেমন করে! মৌখিক পরম্পরা একসময় হারিয়ে যেতে থাকে আগের প্রজন্মের মানুষের একের পর এক প্রস্থানের সঙ্গে সঙ্গে, তার লিখিত বা অন্য রূপ তেমন ধরে রাখতে না পারার কারণে।        কেবল শৈশব-কৈশোর-যৌবনই নয়, জন্মতক দেবব্রত নস্করের প্রায়-সাতদশকজোড়া জীবন নিরবচ্ছিন্নভাবে কেটেছে তাঁর ধাত্রী, পালয়িত্রী বেগমপুরে — দুশো-আড়াইশো বছর আগে বর্তমান উত্তর চব্বিশ পরগনার দাড়া গ্রাম থেকে এসে তাঁদের পূর্বপুরুষদের জঙ্গল হাসিল-করা স্থানেই। জন্মভূমির প্রতি দায়বদ্ধতাস্বরূপ লিখেছেন তিনি তাঁর জন্মগ্রামের কথা। বহু মানুষেরই স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ তাঁদের জন্মভূমির সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। সেই জন্মভূমির প্রতি প্রায়...

ছোটগল্প ।। নীলিমার আত্মজাগরণ ।। পরেশ চন্দ্র মাহাত

নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

উন্মুক্ত পাগলামি ।। আশরাফুল মণ্ডল

উন্মুক্ত পাগলামি আশরাফুল মণ্ডল আহা, অপরূপ নিজস্বতার দাহ! কুঁকড়ে যায় আবহমান, সজনে পাতার বোঁটায়! ভাপওঠা ভাতের কাছে মাছি সত্তায় কী নিপুণ! তবুও ঘোর লাগা বসন্তের ডাক, হাঁকে! খেদিয়ে দেয় পা দোলানো প্রস্তাব, ওই ধুনুরি চোখ! রাংতায় মোড়া ডাকের সাজ, দে দোল দোল! হুইসেল বাজিয়ে কে রুখে দ্যায় সেই নাকছাবির রুদালি কাঁপন! খালবিল ছেঁচে পাঁচসিকের  মানত কুড়িয়ে আনে, বাংলা বাজার। ঠ্যাং নাচানো সুরে চোখ মারছে, দ্যাখো ভ্যানতারা! মুখ খোলা মানেই পাঁজরের স্রোত ভাবা যেন উগরানো টালমাটাল! ঢিল মারা প্রশ্নের রোয়াকে বক্রচোখে যেন মেধাবী কবিতা! মুছে দিও তবে লাজুক গুপ্ত রোগ, দিনরাত্রি! ভালো থেকো তোমরা বাছাধন, রং মাস সে আর কতদিন... ================    ASRAFUL MANDAL Chandidas Avenue, B-zone, Durgapur, Paschim Bardhaman, Pin - 713205,  

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৫

   মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠানো ভালো,  তাতে অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) য...

কবিতা ।। ভাষার জন্য লড়াই ।। চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু

ভাষার জন্য লড়াই চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু মুখের ভাষা বাংলা ভাষা মাকে ডাকি মা, সারা বিশ্বে তোমার মাগো নেই তো তুলনা। তোমার মুখের প্রথম ভাষা আমার মনের সকল আশা তোমার ভাষায় বলবো মাগো আমার মনের কথা, এই ভাষাতেই জড়িয়ে আছে সকল স্বাধীনতা।  এই ভাষাকে আনতে গিয়ে তাজা বুকের রক্ত দিয়ে রাজপথে সব লড়াই হলো করলো লড়াই কারা, আমার মায়ের দামাল ছেলে রক্ত পলাশ যারা।  তোমার ছেলে লড়াই করে আনলো ভাষা ঘরে ঘরে সেদিন থেকে শহীদ মিনার সাজাই ফুলে ফুলে, বীর শহীদের ত্যাগের কথা যাইনি আজও ভুলে।    ++++++++++++++++++++++++++++++++    চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু শহীদ আবুল কাশেম সড়ক, বড় বাজার, চুয়াডাঙ্গা, বাংলাদেশ।

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

বছরের বাছাই

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

সূচিপত্র ।। ৮৯তম সংখ্যা ।। শ্রাবণ ১৪৩২ জুলাই ২০২৫

সূচিপত্র   প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান প্রবন্ধ ।। শ্রমিকের অধিকার ।। চন্দন দাশগুপ্ত প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস কবিতা ।। মশালের রং তুলি ।। তূণীর আচার্য কবিতা ।। জললিপি ।। রূপক চট্টোপাধ্যায় গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম নিবন্ধ ।। পূনর্জন্ম ।। শংকর ব্রহ্ম মুক্তভাবনা ।। কোলাহল তো বারণ হলো ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত গল্প ।। গানের হাড় ।। শুভজিৎ দত্তগুপ্ত গল্প ।। শিকড়ের খোঁজে ।। সমীর কুমার দত্ত সুপ্রভাত মেট্যার পাঁচটি কবিতা গ্রন্থ-আলোচনা ।। আবদুস সালামের কাব্যগ্রন্থ 'অলীক রঙের বিশ্বাস'।। তৈমুর খান অণুগল্প ।। হরিবোল বুড়ো ।। সুমিত মোদক রম্যরচনা ।। গোয়েন্দা গোলাপচন্দ আর প্রেমের ভুল ঠিকানা ।। রাজদীপ মজুমদার দুটি গল্প ।। মুহাম্মদ ফজলুল হক দুটি কবিতা ।। তীর্থঙ্কর সুমিত কবিতা ।। মেঘমুক্তি ।। বন্দনা পাত্র কবিতা ।। ব্যবচ্ছিন্ন শরীর ।। কৌশিক চক্রবর্ত্তী কবিতা ।। শমনচিহ্ন ।। দীপঙ্কর সরকার কবিতা ।। ভালোবাসার দাগ ।। জয়শ্রী ব্যানার্জী কবিতা ।। ফণীমনসা ।। বিবেকানন্দ নস্কর ছড়া ।। আজও যদি ।। বদ্রীন...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৮৭তম সংখ্যা ।। জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ মে ২০২৫

  প্রচ্ছদ চিত্র: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সূচিপত্র রবীন্দ্রনাথ এবং কয়েকজন নারী ।। অনিন্দ্য পাল পরাবাস্তববাদ ও বাংলায় জীবনানন্দের কাব্যচর্চা ।। রণেশ রায় প্রতীক্ষা ।। চন্দন দাশগুপ্ত আশ্রয় ।। সায়নী সাহা বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্র ।। দেবাংশু সরকার প্রণামের প্রভু ।। সুপ্রভাত মেট্যা দুর্ভাগ্যের সম্মুখ সমরে ।। সমীর কুমার দত্ত আচমকা শরৎ ।। অর্ণব সামন্ত প্রতিধ্বনি ✍️ সুবীর কুমার ঘোষ জীবন যেখানে যেমন ।। আরজু মুন জারিন বছর সীমান্তে হিসেব নিকেশ ।। রানা জামান চারটি কবিতা ।। বিবেকানন্দ নস্কর আমরা আছি ।। লালন চাঁদ চাওয়া ।। মাথুর দাস কাগজ ফুলে ।। সফিউল মল্লিক সময়ের স্রোত ।। দুর্গাদাস মিদ্যা তুমি মানুষ ।। বদরুল বোরহান দিঘার সমুদ্র ।। মাখনলাল প্রধান পুস্তক-আলোচনা ।। অরবিন্দ পুরকাইত সংযম ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত  চেনা প্রতিবেশী (প্রথম পর্ব) ।। দীপক পাল খেলার মাঠ ।। তূয়া নূর বন্ধু শ্যামলকান্তি ।। শংকর ব্রহ্ম তুমি তোমার মতো থাকলে ।। সত্যেন্দ্রনাথ বেরা গ্রীষ্মে খুবই হিংস্র রবি ।। জগবন্ধু হালদার স্বপ্ন দর্শন ✍️ পার্থ প্রতিম দাস মৌন মুখরতা ।। মুসা মন্ডল রুদ্র বৈশাখ ।। দীনেশ সরকার চিহ্নিত পদযুগ পদাঘাত ।। দেবাশীষ...

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস

নারীমর্যাদা ও অধিকার হিমাদ্রি শেখর দাস  নারীর মর্যাদা বলতে বোঝায় নারীর সম্মান, অধিকার, এবং তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। এটি সমাজে নারীর অবস্থান এবং তার প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিকে নির্দেশ করে। নারীর প্রতি সম্মানজনক আচরণ করা হয় এবং তাদের অধিকার গুলি সুরক্ষিত থাকে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে এই শ্রেণি সংগ্রাম শুরু হয়েছিল অনেক আগে।  একদিকে শ্রেণী বৈষম্য অপরদিকে নারী পুরুষের বৈষম্য এই দুটি ছিল শ্রেণীবিভক্ত সমাজের অন্যতম দুটি মূল ভিত। নারীর অধিকারহীনতা বা দাসত্ব শুরু হয় পরিবার ও সম্পত্তির উদ্ভাবনের ফলে। বহু যুগ ধরে নারী সমাজকে পারিবারিক ও সামাজিক দাসত্বের বোঝা বহন করতে হয়েছে বিনা প্রতিবাদে। সভ্যতার ক্রম বিকাশের সাথে সাথে নিপীড়ন ও নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে - দাস সমাজব্যবস্থা এবং সামন্ততান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীরা পুরুষ ও পরিবারের অধীনতা স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়েছে। সামাজিক উৎপাদনের কাজে নারীদের বঞ্চিত রেখেই তাদের পরাধীন জীবন যাপনের মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। নারীর অধিকারহীনতার বিরুদ্ধে সংগ্রামের সূচনা হয় ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে। নতুন করে নারীদের সামাজিক উৎপাদনের কাজে ...

প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান

বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় মাখনলাল প্রধান বাংলার শিল্প-সংস্কৃতির জগতে যাত্রা শিল্প তথা নাট‍্যশিল্পে মড়ক নেমে এসেছে । যাত্রা শিল্পের মড়কে শুধু কোভিড নয় তার বহুপূর্ব থেকেই অর্থনৈতিক বিপর্যয় , শিক্ষাক্ষেত্রে বন্ধ‍্যাত্ব এবং গ্ৰাম বাংলার পটপরিবর্তন শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। যাত্রা-শিল্পের লীলাভূমি ছিল গ্ৰাম বাংলা। গ্ৰামে প্রচুর যাত্রাপালা হত নানা উৎসবকে কেন্দ্র করে । জমিদারি ব‍্যবস্থা লুপ্ত হওয়ার পর গ্ৰামীণ মানুষের উদ‍্যোগে শীতলা পূজা,  কালীপূজা, দুর্গাপূজা, কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, চড়ক ইত‍্যাদিকে উপলক্ষ‍্য করে যাত্রাপালার আয়োজন না হলে কেমন যেন ম‍্যাড়ম‍্যাড়ে লাগতো। সেই সঙ্গে কলকাতার বড়বড় কোম্পানির যাত্রাপালা ঘটা করে, টিকিট সেল করে হত মাঠে। খুব বড় মাপের খেলার মাঠ যেখানে ছিল না সেখানে ধানের মাঠ নেওয়া হত ‌। ত্রিশ-চল্লিশ হাজার মানুষ দেখতে আসত। স্পেশাল বাস পাঠাত  আয়োজক কর্তৃপক্ষ। বিনা ভাড়ায় বাসে যাতায়াত করত যাত্রার দর্শকেরা। কিন্তু বিকল্প ধানচাষ শুরু হলে জমিগুলো সময় মতো ফাঁকা পাওয়া গেল না । প্রথম দিকে ব‍্যাপকহারে ধান শুরু না হওয়ায় খুব একটা অসুবিধা হত না। বহুক্ষেত্রে  ধান কা...

প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী

ভিনগ্রহীদের সন্ধানে  শ্যামল হুদাতী  ইতিহাসের শুরু থেকে বারবার মানুষকে একটা প্রশ্ন কুঁড়ে কুঁড়ে খায় – এই মহাবিশ্বে আমরা কি একা? পৃথিবীর মতো আরও গ্রহ রয়েছে, যেখানে মানুষের মতো বুদ্ধিমান প্রাণীরা বাস করে – এই সম্ভাবনা বরাবর মানুষকে মুগ্ধ করেছে। আমাদের প্রত্যেকের জীবনের কখনও না কখনও এই ভাবনা এসেছে। দীর্ঘ কয়েক দশকের গবেষণার পরও, এই বিষয়ে কোনও নিশ্চয়তা দিতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। জেমস ওয়েব মহাকাশ টেলিস্কোপ, বহু দূরের এমন কিছু গ্রহের সন্ধান দিয়েছে, যেগুলিতে প্রাণ থাকতেই পারে। তবে, নিশ্চিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে, আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ভিনগ্রহীদের খুঁজতে বহু দূরে যাওয়ার কোনও দরকার নেই। তারা এই পৃথিবীতেই মানুষের ছদ্মবেশে মানুষের মধ্যেই বসবাস করতে পারে। আমরা ভিনগ্রহীদের যেমন কল্পনা করি, এরা তার থেকে আলাদা। এরা অনেকটাই, দেবদূতদের মতো। মানব জগতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক প্রযুক্তিগত নয়, বরং জাদুকরি। মহাকাশে সৌরজগতের গ্রহ পৃথিবী ছাড়া অন্য কোথায় প্রাণ রয়েছে কি না তা নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা। একই সঙ্গে পৃথিবী ছাড়া অন্য কোনো গ্রহে মানুষ বসবাস ক...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৬তম সংখ্যা ।। ফাল্গুন ১৪৩২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। প্রথম পর্ব : 'প্রেম' বিষয়ক লেখাগুচ্ছ

সূচিপত্র   গদ্য-গল্প-কবিতা প্রেম বিষয়ক কবিতা ।। উত্তম চৌধুরী   উদভ্রান্ত আমি ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায় গুচ্ছকবিতা || অভিজিৎ হালদার   প্রেম: মানুষের অন্তরে জ্বলে থাকা অনন্ত আলোর নাম ।। আদিল হোসেন মাহি অসমাপ্ত ভালোবাসা ✍️ শিবাশিস মুখার্জী অসমাপ্ত শ্রুতি ।। জয় মণ্ডল রম্যরচনা ।। ভালোবাসা প্রাইভেট লিমিটেড ।। অভীক চন্দ্র প্রেমিক-জন্ম ।। নবনীতা সরকার সুব্রতাসম্ভব, সহজ গান ।। অর্ণব সামন্ত যৌবনের বিগত ঋণ ।। শম্পা সামন্ত দেখা ।। রাজশ্রী দে খেলাঘর ।। অদিতি চ্যাটার্জি ক্ষণস্থায়ী ।। শ্যামল হুদাতী মন ।। লালন চাঁদ আনমনে ।। সন্দীপ গাঙ্গুলী রজনীর গন্ধে ভেজা রাত ।। কৃষ্ণনীল মিস্টার ব্যানার্জী || আরজু মুন জারিন দুটি কবিতা ।। জয়শ্রী দাস কড়ানাড়া ।। মলয় সরকার অদেখা চিঠির নদী ।। দেবব্রত মণ্ডল অপূর্ণতা ।। ​সুখেন সিনহা জুলি এবং আমি ।। মাখনলাল প্রধান প্রেমের আরেক নাম ।। সুমিত মোদক হৃদয় ঘটিত ।। চঞ্চল পাণ্ডে তোমার জন্য ।। বনশ্রী চক্রবর্তী কল্পপ্রেম ।। প্রদীপ সেন বেনারসিটা শুধুই তোর জন্য ।। সৈকত প্রসাদ রায় তিনটি কবিতা ।। স্নেহা ঘণ্টেশ্বরী ...

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

প্রবন্ধ ।। শ্রমিকের অধিকার ।। চন্দন দাশগুপ্ত

শ্রমিকের অধিকার  চন্দন দাশগুপ্ত          এই নিবন্ধের পরিধিটি বিশাল। ভারতবর্ষের বিভিন্ন শ্রম- আইনানুসারে শ্রমিকদের বেশ কিছু অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ এই ক্ষুদ্র নিবন্ধে নেই, তাই শুধু কয়েকটি প্রধান উল্লেখযোগ্য বিষয়েই আলোকপাতের চেষ্টা করা যাক।            [১] কাজে নিযুক্ত হবার সময়েই প্রত্যেক শ্রমিক একটি নিয়োগপত্র [ পশ্চিমবঙ্গ দোকান ও সংস্থা আইন-১৯৬৩ -র অধীনে থাকা শ্রমিকেরা এক্স (X) ফর্মে ] পাবেন ।           [২] (ক) জুট মিলে কর্মরত কোনও শ্রমিকের পাক্ষিক উপস্থিতি ১২ দিন হলে, তিনি বেতন ছাড়াও অতিরিক্ত ২০ টাকা পাবেন।                 (খ) 'ঠিকা'-তে উল্লিখিত পরিমাণের চেয়ে বেশি চাপাতা সংগ্রহ করলে বাগিচা শ্রমিকেরাও নির্দিষ্ট নিয়মানুসারে অতিরিক্ত টাকা পাবেন।            [৩] (ক) ১০ বা তার বেশি শ্রমিক কাজ করেন, অথবা বিগত ১২ মাসের যেকোনও একদিন ১০ বা তার বেশি কর্মী ছিলেন ( সিনেমা হলের ক্ষেত্রে এটি ৫ জন )-- এমন সংস্থ...

মাসের বাছাই

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৭তম সংখ্যা ।। চৈত্র ১৪৩২ মার্চ ২০২৬ ।। নারী বিষয়ক সংখ্যা

 সম্পাদকীয় দপ্তর থেকে :  শুধুমাত্র 'নারী' বিষয়ক লেখাই এই সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। অন্যান্য বিষয়ের ভালো লাগা কিছু লেখা আগামী সংখ্যার জন্য রইল। সকলকে ধন্যবাদ। ~নিরাশাহরণ নস্কর, সম্পাদক, নবপ্রভাত। সূচিপত্র নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস নারীমুক্তির কালিতে লেখা ইতিহাসের কটি পাতা ।। ডাঃ অরুণ চট্টোপাধ্যায় সাহসী এবং লড়াকু নারীরা ।। উৎপল সরকার পল গগ্যাঁর চিত্রে নারী ।। ড. সবুজ সরকার সুন্দরবনের নারীদের গল্প "নোনাজলের নীরবতা" ।। কাবেরী মাতৃত্ব অন্তকোষীয় স্থপতি ।। মেশকাতুন নাহার অপ্রয়োজনীয় ।। শ্যামাপ্রসাদ সরকার নারী: উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অপরিহার্য শক্তি ।। চঞ্চল পাণ্ডে নিরুদ্দেশ ।। স্বাতী রায় চৌধুরী ইলা ঘোষ : বাংলার প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ার ।। সঙ্ঘমিত্রা দাস অক্ষরের আলো ।। জয় মণ্ডল প্রতিশোধ ।। কাবেরী মিত্র বর্তমান প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের গুরুত্ব ।। পাভেল আমান যে পথ হারিয়েছে দূরে ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায় সেই লাল ফ্রকটা ।। সৈকত প্রসাদ রায় অন্য এক নারীর গল্প ।। অদিতি চ্যাটার্জি শৃঙ্গার ।। চন্দ্রকান্ত চক্রবর্তী একালের অর্জুন ।। জয়শ্রী সরকার এক সাহসিনী সিন্ধু ক...

ছোটগল্প ।। নীলিমার আত্মজাগরণ ।। পরেশ চন্দ্র মাহাত

নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

কবিতাঃ চন্দন ঘোষ

এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল  তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র!   কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও  বোধহয় যে...

কবিতা ।। ভাষার জন্য লড়াই ।। চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু

ভাষার জন্য লড়াই চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু মুখের ভাষা বাংলা ভাষা মাকে ডাকি মা, সারা বিশ্বে তোমার মাগো নেই তো তুলনা। তোমার মুখের প্রথম ভাষা আমার মনের সকল আশা তোমার ভাষায় বলবো মাগো আমার মনের কথা, এই ভাষাতেই জড়িয়ে আছে সকল স্বাধীনতা।  এই ভাষাকে আনতে গিয়ে তাজা বুকের রক্ত দিয়ে রাজপথে সব লড়াই হলো করলো লড়াই কারা, আমার মায়ের দামাল ছেলে রক্ত পলাশ যারা।  তোমার ছেলে লড়াই করে আনলো ভাষা ঘরে ঘরে সেদিন থেকে শহীদ মিনার সাজাই ফুলে ফুলে, বীর শহীদের ত্যাগের কথা যাইনি আজও ভুলে।    ++++++++++++++++++++++++++++++++    চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু শহীদ আবুল কাশেম সড়ক, বড় বাজার, চুয়াডাঙ্গা, বাংলাদেশ।

পল গগ্যাঁর চিত্রে নারী ।। ড. সবুজ সরকার

পল গগ্যাঁর চিত্রে নারী  ড. সবুজ সরকার পল গগ্যাঁ ( ১৮৪৮ - ১৯০৩)  ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রতিভাবান ও প্রভাবশালী ফরাসি চিত্র শিল্পী। গগ্যাঁ তাঁর শিল্পচর্চার  শুরুতে একজন Impressionist শিল্পী হিসেবে  চিত্র অঙ্কন শুরু করলেও ( ১৮৮০ র দশকে) পরবর্তীতে পরিচিতি এবং খ্যাতি পেয়েছিলেন  একজন বিশিষ্ট Post- Impressionist চিত্র শিল্পী হিসেবে। নিজের জীবন দর্শন এবং তাঁর শিল্পকলা গগ্যাঁর কাছে চিহ্নিত হয়েছিল বন্য " savage" হিসেবে।     গগ্যাঁ তাঁর রেখায় এবং রঙে বারে  বারে ফিরে যেতে চেয়েছেন আদিমতার কাছে। একাত্ম হতে চেয়েছেন প্রকৃতির সাথে। মিশে যেতে চেয়েছেন প্রকৃতির সম্মোহনী সত্ত্বায়। ১৮৮০ র পরে সময় যত এগিয়েছে গগ্যাঁ ততই আধুনিক সভ্য সমাজের যান্ত্রিকতা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে গেছেন। বারংবার আঁকতে চেয়েছেন কল্পনার সাম্রাজ্যের স্বর্গীয় অনুভূতিগুলিকে, আর তাঁর ছবিগুলো হয়ে উঠেছে অকৃত্রিম, খাঁটি এবং আদিম। জীবনের প্রকৃত সত্য ও আদিম চেতনার সন্ধানে গগ্যাঁ ১৮৯১ সালে ফরাসি পলিনেশিয়ার তাহিতি দ্বীপে চলে যান। এই দ্বীপে সাধারণ মানুষের জীবন যাপন তাঁকে আকৃষ্ট করে। এব...

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

উন্মুক্ত পাগলামি ।। আশরাফুল মণ্ডল

উন্মুক্ত পাগলামি আশরাফুল মণ্ডল আহা, অপরূপ নিজস্বতার দাহ! কুঁকড়ে যায় আবহমান, সজনে পাতার বোঁটায়! ভাপওঠা ভাতের কাছে মাছি সত্তায় কী নিপুণ! তবুও ঘোর লাগা বসন্তের ডাক, হাঁকে! খেদিয়ে দেয় পা দোলানো প্রস্তাব, ওই ধুনুরি চোখ! রাংতায় মোড়া ডাকের সাজ, দে দোল দোল! হুইসেল বাজিয়ে কে রুখে দ্যায় সেই নাকছাবির রুদালি কাঁপন! খালবিল ছেঁচে পাঁচসিকের  মানত কুড়িয়ে আনে, বাংলা বাজার। ঠ্যাং নাচানো সুরে চোখ মারছে, দ্যাখো ভ্যানতারা! মুখ খোলা মানেই পাঁজরের স্রোত ভাবা যেন উগরানো টালমাটাল! ঢিল মারা প্রশ্নের রোয়াকে বক্রচোখে যেন মেধাবী কবিতা! মুছে দিও তবে লাজুক গুপ্ত রোগ, দিনরাত্রি! ভালো থেকো তোমরা বাছাধন, রং মাস সে আর কতদিন... ================    ASRAFUL MANDAL Chandidas Avenue, B-zone, Durgapur, Paschim Bardhaman, Pin - 713205,  

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৫

   মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠানো ভালো,  তাতে অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) য...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৬তম সংখ্যা ।। ফাল্গুন ১৪৩২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। পর্ব: ২ ।। বিষয় : মাতৃভাষা

  সূচিপত্র শঙ্করের প্রস্থান : বাংলা নগরসাহিত্যের এক মহাযুগের অবসান ।। শিবাশিস মুখার্জী মাতৃভাষা: অস্তিত্বের শেকড়, ঐতিহ্যের ধারক ও সংগ্রামের ফসল ।। উৎপল সরকার অগ্নিগর্ভ একুশে ফেব্রুয়ারি ।। মুক্তি দাশ সঙ্কটে আমাদের মাতৃভাষা চর্চা।। পুলকরঞ্জন চক্রবর্তী মাতৃভাষা: হৃদয়ের প্রথম স্বর ।। বাসিরা খাতুন আমি বাংলাকে ভালবাসি ।। সৌম্য পাল মাতৃভাষা ।। এস এ বিপ্লব সুখে দুঃখে মাতৃভাষা ও মাতৃভূমি ।। সামসুজ জামান শেকড়ের খতিয়ান ।। মামুন চাকলাদার মধুর ভাষা বাংলাভাষা ।। রবীন বসু মাতৃভাষা ।। দিলীপ সামন্ত ভাষার কথা ।। বি এম মিজানুর রহমান স্মৃতির স্বরলিপি ।। সঙ্গীতা মহাপাত্র একুশ মানে মাতৃভাষা রক্ষায় যুদ্ধ ।। রানা জামান প্রিয় বাংলা ভাষা ।। চিরঞ্জিত ভাণ্ডারী প্রবন্ধ ভাষার অবমাননা ।। গৌতম সমাজদার আমার প্রাণের ভাষা ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত একুশের লড়াই ।। বিধাত্রী চট্টোপাধ্যায় আমার ভাষা ।। অজয় বিশ্বাস মায়ের ভাষা ।। নজমুল ইসলাম খসরু মাতৃভাষা ।। শোভন চট্টোপাধ্যায় কবিতা ।। মাতৃভাষার স্বাদ ।। রুহুল আমিন বাংলা আমার মা ।। অশোক দাশ একুশের গান ।। দীপঙ্কর সাহা মাতৃভা...

'রঙ' বিষয়ে গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম

  'রঙ' বিষয়ক গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম লাল   আপনি এমন কি আপনিও পারেন কোন সুন্দরী টাইপিস্টের প্রেমে পড়তে যে আপনি খুবই সহজভাবে জীবনকে দেখেন জীবনকে নিজের ভেতর দিয়ে বয়ে যেতে দেন জবরদস্তি ছাড়াই রং নিয়ে কখনো তেমন ভাবেননি ধরুন লাল রং একজন পেইন্টার আর একজন জেনারেলের কাছে ওর মেজাজ নিশ্চয়ই আলাদা হবে হ্যা আমি নিশ্চিত যে নার্ভ ঠিক রেখে একটা তেলাপোকাও কখনো মারতে পারেননি আপনি সেই আপনাকে হঠাৎ খুন করে ফেলতে পারে কোন সুন্দরী টাইপিস্ট আর এই খুনের ব্যাপারটা নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে কী লিখে নিচ্ছে সে কি ডকুমেন্ট তৈরি করছে সেটা তো আপনি জানতেও পারছেন না কেন না মনিটর তো সাদা রং নিয়া আমাদের মারাত্মক ভুল ধারণা রইছে সবুজ হলুদ কমলা নীল বেগুনী কালো সাদা এগুলা কিন্তু সতিকার রং না হ এগুলা সত্যিকার রং হয়া উঠবো যখন এগুলারে তুমি লাল রঙে চুবায়ে নিতে পারবা লাল রঙের গ্লাস আজ অব্দি যতোগুলো গ্লাসে আমি জল খেয়েছি তার সবগুলোর গায়েই ফুল আঁকা আচ্ছা বাজারে এমন কোন গ্লাস কি পাওয়া যায় না যার গায়ে আগুন আঁকা আর আপনারা জানেন আগুন যখন জ্বলে তখন তার আকৃতি তাজা একটা ফুলের মতোই আর লাল হ্যা যখন যে অবস্থায়ই আগুনকে আপনি দেখেন না কেন...