Skip to main content

Posts

ছড়া ।। শুভাশিস দাশ

নারী শুভাশিস দাশ নারী নয় ফেলনা নারী নয় খেলনা নারী নয় অবহেলা পাত্র সম্মান করো তাঁকে শ্রদ্ধায় ভরো মাকে ভালবাসো দিবা থেকে রাত্র। আমাদের সব কাজে নারীরা জড়িয়ে আছে কেউ দিদি, বোন কেউ কন্যা পিসি আছে, আছে মাসী সবাইকে ভালবাসি জায়া আছে, ধরণী অনন্যা ॥   =================   শুভাশিস দাশ দিনহাটা মো 9932966949

কবিতা ।। সুমিত মোদক

  বাঁচার স্বপ্ন সুমিত মোদক দখিনা বাতাস মেখে নতুন করে বাঁচতে চেয়েছি আবার ; দখিনা বাতাস মেখে … নতুন করে বাঁধতে চেয়েছি সংসার , জীবন ; এক গ্রাম্য মেয়ের জীবন ; যেখানে থাকবে খিড়কির ঘাট , পুবের জানালা , একটা গোটা উঠান … এমন এক জীবন , এমন এক সংসার ; আমি তো গ্রামের সহজ সরল এক মেয়ে ; সমাজের অত জটিল অংক বুঝিনা ; বুঝতে পারি না ; সে কারণেই তো প্রথম যৌবনের প্রথম প্রেমেই  ঠকে গেলাম ; তলিয়ে গেলাম মুম্বাইয়ের অন্ধকার গলিপথে ; সে সময় সে বলেছিল শহরে নিয়ে যাবে , সংসার পাতবে ; বিশ্বাস করে ছিলাম ; শহর থেকে ঘুরতে আসা সুদর্শন , তরতাজা ছেলেটাকে বিশ্বাস করে ছিলাম ; সে কারণে বাবা-মা , আত্মীয়-স্বজন ছেড়ে , গ্রাম ছেড়ে তার হাত ধরে পাড়ি দিয়ে ছিলাম ভিন রাজ্যে  ; এক আকাশ স্বপ্ন নিয়ে ; সে স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল , যখন বুঝলাম বিক্রি হয়ে গেছি রাতজাগা মহল্লায় ; আর আমি , রাতপরি ; ওখান থেকে পালাবার কোনও পথ নেই ; পালাবার কোনও পথ থাকে না ; আমাকে দেখে কি মনে হয়েছিল কে জানে ; এক রাতপুরুষ আমাকে নতুন করে বাঁচার মন্ত্র দিল ; দিল মুক্তির চাবিকাঠি  ; অনেক চেষ্টায় এলাকার পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে নিয়ে এলো ; মুক্তি , অ...

কবিতা ।। সাত্যকি

ধোঁয়াশা মলিন হলে   সাত্যকি বৃক্ষ শরীরের গায়ে ঠেস দিয়ে যখন তার নিষ্প্রাণতা চোখে আসে  যখন ছাইয়ের পাশে বসে থাকি  ধোঁয়ারা দেখি ছুঁয়ে নিচ্ছে আকাশের সাদা  সেই সময় চারপাশের রুক্ষতা ঘিরে ধরে চোখ  একটা নিঃশব্দ উচ্চারণ ভেসে ভেসে আসে  কখনও পড়ে ফেলি  কখনও গ্রীষ্মের রোদের মতো হয়ে থাকে তারা  তবে শেষমেশ বুঝে যাই আমি মাতৃতান্ত্রিকতাই ভালোবাসি  আমি চিরকাল তারই ধার ঘেঁষে আছি....                               -------------   সাত্যকি  c/o-প্রদ্যুৎ দাস ঋষি অরবিন্দ সরণি ,  সরকার বাগান উত্তর পূর্ব -ন পাড়া  পোস্ট -ন-পাড়া  থানা -বারাসত  জেলা -উত্তর 24 পরগনা  কলকাতা -700125। মো: 7278107288।  

কবিতা।। মোয়াল্লেম নাইয়া

  "বনলতা সেন"  মোয়াল্লেম নাইয়া মনের মাঝে লুকিয়ে থাকা বনলতা সেন মিটিয়ে দিতে চায় সে আমার সকলই লেনদেন ৷ অমোঘ টানের অন্ধকারে পথ চলেছি হেঁটে আজও তাহার পাইনি দেখা বছর গেছে কেটে৷ স্নিগ্ধ শিশির সবুজ ঘাসে মেলছে তাহার ডানা অবুঝ প্রেমিক তোমার চুলে হারায় যে ঠিকানা! নীড়ের মত চোখ দুটিতে লক্ষ মনের বাস মেঘ-বৃষ্টির খেলা সেথায় চলছে বারো মাস ৷ জোনাকির ওই নিয়ন আলোয় বনলতা সেন তোমায় নিয়ে গল্প গাথা কাব্য অমর প্রেম। চলুক না হয় খোঁজার পালা হাজার বছর ধরে স্বপ্নে ঘটুক বনলতা সেন-"মুখোমুখি বসিবারে"৷              ------------০০------------   নাম-মোয়াল্লেম নাইয়া গ্রাম+পোষ্ট- ইমামদ্দীপুর থানা-ঢোলাহাট জেলা- দক্ষিণ২৪ পরগণা পিন-৭৪৩৩৯৯ ফোন নং-৯৯৩৩১৯৫৭৫২

কবিতা ।। সুমনা ভট্টাচার্য্য

অথ উলূপী কথা     সুমনা ভট্টাচার্য্য   হৃদয় কখনো নিয়ম বহির্ভূত সহিষ্ণুতার সংযমী বাঁধ ভাঙে- নারীরও জাগে তৃষ্ণা যথাবিহিত আ মন্ত্রণের সাংকেতিক আহ্বানে ;   নই দ্রৌপদী শীলিত ব্যবহারিক- আশিরনখের আর্য মুদ্রাদোষ, নেই সুভদ্রা বা চৈত্রবাহনীর পুরুষ মোহিনী শৃঙ্গার সংযোগ ।   চলেছি জীবনে -দ্বিধাহীন নাগ মেয়ে নির্লজ্জ পা বাঁধে উদার ছন্দ- বিধাতার ভুল নিজে দেবো শুধরিয়ে যাপন জানেনা রাখ ঢাক-নিঃশর্ত;   সেদিন অর্জুন স্নান এঁকেছিলে গায়ে ... পৌরুষ ছোঁয়া জলের  উজান স্রোত নিষেধ বল্গা ছিঁড়েছে বিধবা মেয়ে স্রো তের টানে যে হারায় কপর্দক -   কপর্দকেই সোনার পাথর বাটি উপবাসী দেহ- মানে না মনু-শাসন  ধৃষ্টতা ঘোর, শুদ্ধ অবিশ্বাসী -   অনর্থ মানে সপ্তপদী গমন -   ঝুলিতে জমানো একরাত সহবাস একরাত প্রেমে কিনেছি গর্ভক্ষত সেই ক্ষ তে ভরি' জীবনের অধিবাস... যেমন ভিক্ষা চিনে নেয় ক্ষুধার্ত;   চতুর্বর্গ শুধু পুরুষ - মোক্ষ ভার্যার ক্রিয়া পুত্রার্থে ই বলে- কর্তৃ বাচ্যে বাঁচে পুরুষ আর্য বিবাহ বচনে প্রবোধের মন গলে ।   পাশা খেলা হোক বা অশ্বমেধ বাজী - পরস্মৈপদী  ...

ছড়া ।। খগপতি বন্দ্যোপাধ্যায়

  নারী তুমি খগপতি বন্দ্যোপাধ্যায় পুতুল খেলা ছেড়ে তুমি গেলে শ্বশুর বাড়ি দু'চোখ ভরা স্বপ্ন তোমার পেলো ন'হাত শাড়ি । সবার মুখে ফোটাও হাসি দিনে রাতে খেটে নিজের দিকে না তাকিয়ে যাও রয়ে একমেটে । শ্বশুর ননদ দেওর আদি করলে সবে আপন নিংড়ে দিয়ে নিজের সবই সুখের জীবন যাপন । মেটাও সবার যা প্রয়োজন ভূলে নিজের কথা  সুযোগ পেলে কেউ ছাড়ে না দিতে তোমায় ব্যথা । নারী তুমি নিজেকে আজ একটু ভালোবাসো নিজের সাথে নিজেই নিজে প্রাণখুলে আজ হাসো । খগপতি বন্দ্যোপাধ্যায় মালঞ্চ ,কবরডাঙ্গা ,বাঁকুড়া ৭২২১০১ যোগাযোগ :৯৪৩৪৩০৫৬২১

কবিতা ।। অভিষেক ঘোষ

       ভ্রান্তি   অভিষেক ঘোষ ১ ম দিন আমায় ওরা খোলা মাঠে মুক্তি দিয়েছে ! দ্যাখো মা, আমি মুক্ত । কী যে আনন্দ হচ্ছে ! আমি কখনো ভাবিনি জানো, ওরা আমায় ওদের শাসন থেকে, শৃঙ্খল থেকে, এতখানি মুক্তি দেবে ! ২ য় দিন কত সবুজ চারিদিকে ! চতুর্দিকে গা-ঘেঁষাঘেষি করার কেউ নেই । যেদিকে চোখ মেলছি, মুক্তজীবন হাতছানি দিচ্ছে, আজ আর কেউ অশালীন কটাক্ষে, অবাঞ্ছিত ঘৃণ্য স্পর্শে, বিকৃত লালসায় – আমায় নিয়ম-মাফিক  বিব্রত করতে পারবে না, তা ভেবে কী যে ভালো লাগছে !! ৩ য় দিন তবে কী সব্ ভুল ছিল মা ? ওদেরই একজন আজ আমাকে আমার অজান্তেই একা করে দিয়েছে, তার নিজস্ব গোপন স্বার্থে । সমাজ থেকে স্বতন্ত্র করে, ব্যক্তিগত কামনার বিকৃত জগতে আশ্রয় দিয়েছে ! মা গো, এতটা ঠকে গেলাম আমি ! কখনো ভাবলাম না, কোনো পুরুষ পারে না এতটা মহৎ হতে, এমন অসীম মুক্তি পুরুষের পৃথিবীতে অলীক । সব ভ্রান্তি-পাশ । সবার থেকে পৃথক করে, দিয়েছে উন্মুক্ত খোলা মাঠ । কিন্তু অলক্ষ্যে, গোপন কামনার অদৃশ্য প্রাচীর তুলেছে, আমার স্বাধীন অবকাশ-টুকু ঘিরে । আজ অবাক হলে চোখ রাঙিয়ে সে বলছে, "এই গন্ডির মধ্যে  যত পারো ছোটো, কিন্তু  আমি একা তো...

কবিতা ।। সম্পা পাল

তৃতীয় বিশ্ব ও নারী সম্পা পাল আরও একটি এবং তারপরও নদী হতে ইচ্ছে হয় জানোতো আমি তৃতীয় বিশ্বের এক নারী একদিন আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন ছিল এখন আকাশ আর একটু উঁচু তবু একটি জীবন বহন করছি দৈনিক প্রথম বিশ্বের স্বপ্ন দেখিনি বিশেষ ওখানে আমেরিকা আছে শুধু অলিন্দে সীমাহীন শূন্যতা জানি তৃতীয় বিশ্ব কখনো নারীর শূন্যতা খোঁজে না তবু সব শূন্যতার পরও একটি বসন্ত থাকে একটি এবং থাকে একটি নদীও থাকে..... --------------- সম্পা পাল , শিলিগুড়ি 

ছড়া ।। রিয়াদ হায়দার

  মা রিয়াদ হায়দার মাথায় উপর আদর মাখা একটা স্নেহের হাত, যত্ন করে বাড়িয়ে দিতেন থালা ভর্তি ভাত। স্কুলেতে যাবার সময় গুছিয়ে দিতেন খাতা, আদর করে আঁচড়ে দিতেন ভিজে চুলের মাথা। কাছে নিয়ে সোহাগ মেখে গালে দিতেন চুমো, বলতো তিনি-সোনা রে তুই এবার একটু ঘুমো। সারা জীবন আগলে রেখে আঁচল দিয়ে ঢাকে, ছোট্ট সোনা মনের সুখে আদর মেখে থাকে। ছেলে-মেয়ে'র জন্য যিনি থাকেন সকল কাজে, শ্রদ্ধা জানাই তিনি হলেন সবার প্রিয় মা'যে... ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, রিয়াদ হায়দার সরিষা আশ্রম মোড় পোস্ট - সরিষা থানা - ডায়মন্ড হারবার জেলা - দঃ২৪ পরগণা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর - 9609618020 rasel.hayder786@gmail.com

কবিতা।। দীপঙ্কর বেরা

  নারীর পথ চলা  দীপঙ্কর বেরা  অনেকদিনের অনেক পুরোন কথা মনে পড়ে জগদ্দলকে ঠেলে তোমার যাত্রা জীবন গড়ে তুমি মহীয়সী তুমি মানুষ হয়েছো নিজের মত তোমাকে তাই শ্রদ্ধা জানাই করছি মাথা নত। খুব সকালে ঘুম থেকে ওঠা করে রান্নাবাড়া ঠিক সময়ে অফিস হাজির কর্মের ডাকে সাড়া, বিকেলে ফিরে একা হাতে ঘরদোর সামলে তোমার জীবনকে তুমি নিজের মত গড়লে। না সাজগোজ গয়নাগাঠি গড়ে তোলা সংসার সমাজের বুকে যেন সমাজ হয়ে ওঠা পরিবার, তোমার নারী ভাবনা তোমাকে দিয়েছে মুক্তি তুমি ভেঙে দুর্বার হলে দেখালে তোমার যুক্তি। এত পরিশ্রমে চলতে থাকা মানুষ তুমি একক দেখিয়ে দিতে পেরেছো তুমি এ দশক এ শতক, প্রেমের অপরূপ ভঙ্গিমায় আমি খুঁজে পাই তুমি দিগন্তে যেন উঠেছে সূর্য চিরকালের আত্মভূমি।

কবিতা ।। মোনালিসা নায়েক

হৃদস্পন্দন  (প্রিয় নারী – আমার মা-কে) মোনালিসা নায়েক মা মানে পৃথিবীর আলো দেখার আগে থেকে সযত্নে আগলে রাখা  একটা হৃদয়মন্দির ভ্রূণ থেকে প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠার লড়াকু শক্তি আর সাহস, অব্যক্ত কথারা হয়ে ওঠে হৃদয়, এমন এক আদর্শ চেতনার মূল্যবোধে জীবনকে চিনিয়ে দেওয়ার অসীম ক্ষমতা, অবিচ্ছিন্ন  এক বন্ধন, সব প্রতিকূলতাকে হারিয়ে সংগ্রামের অস্তিত্বে জয়টীকা। 'মা' এই ছোট্ট শব্দের ব্যাপ্তিতে  মরুভুমি বুকে সুখের খনি, সংসার এক দীর্ঘ সংগ্রামী -কন্টকাকীর্ণ পথের অবিশ্রান্ত সৈনিক। একটা সময় মায়েদের ছেড়ে আসতেই হয় নতুনসংসারকে নিজের করে পেতে, মায়ের আঁচল ছায়ার দাগ শুঁকে ভুলে থাকি পৃথিবীটা শূন্য লাগার যন্ত্রনা। এখন নিজে মা হয়ে বুঝেছি কোনো অভিযোগ রাখতে নেই, নিজেকে উজাড় করে সন্তানের হৃদস্পন্দন হয়ে বাঁচতে। রাজসুখ থাকলেও ঋষির মতোই জীবনযাপন করে সব মা-রাজর্ষি।   =============       মোনালিসা নায়েক আরামবাগ  হুগলী ফোন-৯৬৪৭৫৫৭৪০৯

ছোটগল্প ।। সঞ্জীব সেন

শিউলিদির কাছে শেখা সঞ্জীব সেন   কিছুদিন ধরে শিউলিদির কথা খুব মনে পড়ছে, গ্রামের বাড়ি । পাকাপাকি ভাবে কলকাতা শহরে চলে আসার পর গ্রামে যাওয়াও হয়নি, জীবনের একটা সময় এসে মনে হয় জীবনটা আসলে একটা বৃত্ত। যেখান থেকে শুরু করেছি সেখানে ফিরে যেতে চায় মন । এতদিন কাজের ভিতর ব্যস্ততার ভিতর শৈশব ফেলে আসা পরিজন,এসব ভাবার অবসর হয়নি। লকডাউন থেকে এখন আনলক। ধীরে ধীরে সবকিছু স্বাভাবিক হচ্ছে । করোনা আতঙ্ক বুকে নিয়ে লোক পথে নামছে । রুজি রোজগারে । কিছু লোকের চাকরি গেছে। কিছু লোক জীবিকা পালটে ফেলেছে । প্যারাটিচার থেকে কলা বিক্রেতা ।  যাইহোক এসব নিয়েই চলতে হবে । এই দেখুন সেই ঘুরে ফিরে করোনার কথায় ফিরে যাচ্ছি । আমি তো শিউলিদির কথা বলতে চাইছিলাম এতক্ষণ ।তবে শুনুন এখানে শিউলি শুধু একটা নাম নয় । তার চেয়ে বলা ভাল শিউলিদিদের কথা । তখন পাড়ার দাদারা রাজেশ খান্নাকে ছেড়ে বচ্চনের মত স্টাইল করছে । অবশ্য তখন কথাটা ছিল বচ্চন কাট ।ফাস্ট ডে ফাস্ট সো এ ইয়ারানা সিনেমা দেখতে গিয়ে  হাউসফুল দেখে মুখচুন করে ফিরে এসেছে । তখন বাশবেড়িয়ার মত মফরসল শহরে নতুন সিনেমা আসত অনেক পরে । ততদিনে ইয়ারানা মারমার কাটকাট । দাদারা তখন স...

কবিতা ।। দেবব্রত মণ্ডল

  গর্ভধারিণীর মুখ    দেবব্রত মণ্ডল ক্ষুধার ভার আর বিগত রাতের বাসি-গন্ধ মেখে শিশুর মতো ঘুমিয়ে আছে আমার গ্রাম! ঘন কুয়াশা সরিয়ে ধীরে জেগে উঠছে কাকভোর উঠোনে অপেক্ষমান শীতকাতুরে আফোটা আলো এমন দিনে আমি মন্মর্জির উজানে হাঁটি অর্ধশতক পার করি অনায়াসে- যত পিছনে যাই উদোম হাওয়ায় স্মৃতির গুহমুখ খুলে যায় ক্রমশ। ওই তো গোঠের রাখল গরুর বাঁধন খোলে ঘুম চোখে গৃহপালিতেরা অকস্মাৎ থমকে দাঁড়ায় ওদের দৃষ্টি সড়গড় হলে, নতুন রাখল ভেবে যখন হাম্বা রবে ডেকে ওঠে- আমি পুরানো রাখল হয়ে যাই! নারকেল পাতা ছিপ ফেলে পুকুরের জলে দোল খায়, সমস্ত আলো গেঁথে তোলে নিজস্ব স্বভাবে। একটা ক্ষুধার্ত সকাল বাসি বাসনে দেয় উঁকি, আর নরম রোদে- বুকে সুগন্ধ নিয়ে নির্ভার বকুল ঝরে। পোষা হাঁসের সেই গদগদ ভাব, ওদের আয়ত চোখে আঁটুলির মতো চাপা অভিমান দেখি! আমি অফুরন্ত হলুদের মাঝে স্মৃতি হাতড়াই ভাঙা পাঁচিলে ফুটে আছে সহজ চিত্রমালা, এইমাত্র বাড়ীর ছোটোবউ ঘুঁটে দিয়ে গেছে। সলাজ ঘোমটায় ঢাকা সুখের সিঁদুর, আঁচলে প্রভাত শিশির মিশে আছে। দৃশ্যান্তরে- আমার চেতনায় ফুটে ওঠে এক মায়াময় রূপ। তাঁর ছেঁড়া আঁচলের খুঁটে বাঁধা সমস্ত ক্লেশে...

কবিতা ।। শিউলি মন্ডল

শক্তিরূপেণ সংস্থিতা         শিউলি মন্ডল  আমি সেই নারী , যার আগমনী তোলে বিষন্নতার তান !! নরপিশাচের লোলুপ দৃষ্টি , সেঁজুতির শিখা আজও করে ম্লান ।। আমি সেই মায়াবিনী , মায়ার খেলায় মত্তা।  মাতা, কন্যা, ভগিনী, প্রেয়সী, পত্নী রূপে;  যুগে যুগে এঁকেছি, তোমার নানান সত্ত্বা।।  আমি জনক দুহিতা  সীতা। মায়ার টানে করেছো মোরে রক্ষা,  তবু খুঁজিতে মোর পবিত্রতা;  নিয়েছো বারবার অগ্নিপরীক্ষা !!  আমি সেই দ্রোপদী,  যাজ্ঞসেনী ,পঞ্চপান্ডব জায়া। রক্ষা করো নি মোর সম্মান  ত্যাজিয়া রাজধর্মের মায়া।।  আমি মৈত্রেয়ী, অপালা, খনা।  আমার জ্ঞানের  বিচ্ছুরিত আলো,  ভুলিয়েছে কালের যত অবমাননা,  ঘুচিয়েছে জগতের যা কিছু কালো।।  আমি সাবিত্রী ,সত্যবান ত্রাতা।  সৃষ্টি স্বরুপা আমি ,প্রতিনিয়ত বঞ্চিতা;  রণচন্ডী, চামুন্ডা আমি ;করুণাময়ী মাতা  স্রষ্টার সাথে তবে, কেন এই দ্বিচারিতা??!!  নই পুরূষ বিদ্বেষী নারী, চাই শুধু জানতে,  একে অপরের পরিপূরক, পারে নাকি তারা হতে ? ভুলিয়া যত মান,অভিমান, দ্বিধা,দ্বন্দ্ব,দ...

কবিতা ।। মহাজিস মণ্ডল

                মেয়েদের কবিতা                       মহাজিস মণ্ডল কোনও ব্যথা অকপটে কাউকে বলো না শুধু নিবিড় হয়ে আসা রাতকে লিখো তোমার গহীন অভিসারের কথা চারপাশে দেখো,এখন বকধার্মিকের দল আগুন পোহানো মানুষগুলো সব্বাই ঘুমিয়ে নির্জন কোনও রাস্তায় বেরোনোর আগে সাতবার ভেবো...                        -০-   মহাজিস মণ্ডল সবুজলেন, নবপল্লী(১২ ফুট), ২২ বিঘা রোড, হরিদেব পুর, জোকা, কলকাতা-৭০০১০৪, মোঃ -৮৫৮৩৯৫৭৯১৯, তারিখ -০৯/০৩/২০২১.                          -০-

কবিতা ।। অমিতাভ সরকার

  নারীর অন্দরে অমিতাভ সরকার পৃথিবী পর্দা আঁটা অসুখের পথ হাঁটা নারীতে পৃথিবী গড়া নারী চিন্তায়। মনের যাপনাতলে চেতনার বাতি ছলে জীবনে নাড়ীর টান স্বার্থে খাটায়। চাহিদার কামনায় রোদ ক্ষোভ যাপনায়  নারী সে   বুঝতে নারি চেনা-অচেনায়। তবুও একলা জ্বরে শরীর  মনের দরে  সুখেতে ক্ষতের আভা  মূক ভাষা চায়। সময় পালটে চলা মনেতে বিষম জ্বলা তবুও ভাবনা সে কি খুব পালটায়? ==================== অমিতাভ সরকার আনন্দললোক আবাসন, ফ্ল্যাট ২ ই,১২৭ যশোর রোড,বারাসাত, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ফোন ঃ৯৪৩২২৮৩১৭৪

কবিতা ।। অরবিন্দ পুরকাইত

  তুমি বিনা কোথায় জীবন  অরবিন্দ পুরকাইত নারী মানে আনাড়ি ক'জন আর বলতে ছাড়ি নারী মানে নরকের দ্বার, থাকে না কথাটি পেটে হাট করে বসে দেখাদেখি কেনাকাটি, খালি গাঁট খসে – কতশত অভিযোগভার! পথে সে বিবর্জিতা কে বা আর না জানি তা স্ত্রীর কাছে মিথ‍্যায় শাস্ত্রে সায়, কলঙ্ক নারীরই বেলা, পরমহংস নর মহামূল‍্য পুরুষরত্ন, স্ত্রীলোকের কী দর – ধরনা তাই পুত্রকামনায়। সন্তানের জন্ম দিতে দু-দণ্ড বিশ্রাম নিতে – ক্রমে বন্দি করল সংসার, কে খোঁজে কী বল আছে, কতখানি সুধা রিরংসা হানাহানি – রক্তাক্ত বসুধা, নারীর ইচ্ছার করুণ সংহার! সময়-সুযোগটি পেলে সৃজনে সম্মান মেলে সময়ের হাতে নজির ঢের, জননী জায়া বা কন্যা ভাবিনি তত প্রতিদ্বন্দ্বীরূপে যেন বিরোধরত! নারী আপন সম্মান পাক টের।        *       *       *       *       * অরবিন্দ পুরকাইত গ্রাম ও ডাক – গোকর্ণী, থানা – মগ‍রাহাট, জেলা – দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, ডাকসূচক – ৭৪৩ ৬০১।  

কবিতা ।। পলাশ পোড়েল

আমার মা পলাশ পোড়েল তোমার আঁচলে সংসারের চাবি তাতে ছিল নক্সা আঁকা, অভিমান কোঁচড়ভরে বোনে স্বপ্নখানি মা নয় সে সুজন সখা। বালিকা বয়সেই  বাজলো যে সানাই গোধূলি লগ্ন দেখে, বুঝি সেই থেকে শুরু, নতুন বউ ঘরের সোহাগী সিঁদুর মেখে। তুমি হাসি মুখে সব মেনে তবু নিলে কষ্টকর এ সংসারে, আমরা তোমায় কখনো সুখ তো দিইনি দুঃখে ব্যথিত অন্তরে। মা গো এখন ছবি তুমি আমার হৃদয়ে একলা কাঁদে মন, বুকে থাকে তোমার স্মৃতি পড়ে যা মনে সদাই ক্ষণে ক্ষণে।  ==================

কবিতা ।। পার্থ সারথি চক্রবর্তী

নারী বিষয়ক  পার্থ সারথি চক্রবর্তী  তুমি কি কেবলই মা, নাকি কারো মেয়ে বা কারো বন্ধু!  আজ থেকে তুমি তাই রমা, কখনো চন্ডী কখনো শ্যামা। তোমার জন্ম নারীর কোলে তাই আজো সভ্যতা দোলে নিজের সকল কষ্ট ভুলে  সবার জন্য লড়েই গেলে। নও শুধুই সবার আশা হাতের মুঠোয় ভালবাসা  রাগ, অভিমান পুষে মনে সাজাও জগতকে যতনে। তুমিও আর ক'রো না ক্ষমা সভ্যতার মুখে ঘষো ঝামা নরম শিরদাঁড়া সোজা করে  দাঁড়াও আজ শক্ত শরীরে।

কবিতা ।। সাইফুল ইসলাম

আমার নারী সাইফুল ইসলাম ==================   আমার নারী শুধু কী মা            অর্ধাঙ্গিনীও বটে - আমার নারী আদরের বোন            ফুল হয়ে সে ফোটে। আমার নারী বীরাঙ্গনা                 প্রকাশ্য সমরে- বীর নায়ক ধারণকারী                  রত্নময়ী জঠরে। আমার নারী ঘুঁটে লাগায়                 হেলে থাকা দেয়ালে, কোলের শিশু ঘুম পাড়াতে               গান করে খেয়ালে। আমার নারী রাত্রি জাগে               বসে রুগীর শিয়রে- মমতাময়ী মাতৃরুপে               স্নেহ আদর করে। শত্রু দমন করেন নারী                দুর্গা মাতা রূপে- আমার নারী সরস্বতী               নমন করি চুপে।     ---------------------     সাইফুল ইসলাম বর্দ্ধনপাড়া,প...

কবিতা ।। সোমা মজুমদার

আজ আমি মানুষ  সোমা মজুমদার আজ ৮ মার্চ  আজ আমি নারী  আজ আমি মানুষ  আজ আমি সব পারি, আজ আমি তোমার কবিতা, আজ আমি বক্তৃতা।  আজ আমি বীরাঙ্গনা, আমি সোনীতা,আমি কল্পনা, আমি মেরিকম... আজ আমি কিসে কম?  আজ তোমার স্বীকার করতে লজ্জা হয় না, সারাদিনের ক্লান্তির শেষে দরজায় যখন একগ্লাস জলের সাথে স্নিগ্ধ হাসি নিয়ে আমি দাঁড়িয়ে থাকি, তুমি কেমন প্রানবন্ত হয়ে উঠ। আজ তোমায় বলতে শুনি, আমি ছাড়া ঘরটা কেমন অগোছালো।  আমায় ছাড়া ভাল্লাগে না।  আমি তোমার অর্ধাঙ্গিনী।  পছন্দের মেনু থেকে, মশারী টা গুছিয়ে দেওয়া, আমায় ছাড়া নাকি ভাবা যায় না।  এমনকি গাড়ি থেকে বাড়ি, ট্রেন থেকে প্লেন সবি আমি চালাতে পারি।    আজ ৮ মার্চ  আজ আমি নারী, আজ আমি মানুষ  আজ তোমায় শুনলাম রবি কবির সুরে সুর মিলিয়ে বিধাতা কে প্রশ্ন করতে   'নারীকে আপন ভাগ্য জয় করিবার কেন নাহি দিবে অধিকার হে বিধাতা '....   আসলে আজ ৮ মার্চ  আজ আমি মানুষ  কাল, হ্যাঁ কাল আমি নারী  আমার অন্তঃপরে বাড়ি  কাজের কথায় নাক গলাতে কেন আসি  সব কথায় কেবল করি বাড়াবাড়ি  ব...

কবিতা ।। সুকান্ত সেনগুপ্ত

  * নারী * সুকান্ত সেনগুপ্ত  মায়া-মমতা ও প্রেমের সূত্রে আগলিয়ে রাখ অন্তরে, কুঁড়েঘরকে নিকিয়ে ঝুকিয়ে করে তুলো তুমি মন্দিরে। নিজ জীবনের কষ্ট'কে ভুলে ঘরে আন সুখ শান্তি, কখনো জননী কখনো জায়া তোমার তো নাই ক্লান্তি! অশুভ শক্তির বিনাশ করো কখনো দৈত্যদলোনি, জগদ্ধাত্রী কখনো বা তুমি প্রেমিকের প্রিয় রমণী। গাছের সৌন্দর্য ফুটে ওঠে ফুল ফুটিলে যেমন, সংসারে আসে সুখ-সমৃদ্ধি পড়িলে তোমার চরণ।            ------*----- (সুকান্ত সেনগুপ্ত। গ্র:+পো:- তিলুড়ী, জে: বাঁকুড়া, পিন- ৭২২১৫৩, ফো:/হো. ৯৭৩২১৩৪০৯১)  

কবিতা ।। অঞ্জনা দেব রায়

আমার প্রিয় নারী আশাপূর্ণা দেবী অঞ্জনা দেব রায় শতকোটি নারীর মধ্যে  তোমাকে চিনেছি বহুদূর থেকে  জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে  নারী জাতিকে এগিয়ে যাওয়ার মন্ত্র দিয়েছিলে তোমার কলমে প্রকাশিত হলো  নারী শক্তির অপার মহিমা । তোমারই লেখা নারী  প্রগতির ত্রয়ী উপন্যাসে  তিন প্রতিবাদী নারী চরিত্র চির উজ্জল , তোমার অদম্য সাহস সমস্ত তুচ্ছতাকে ভাসিয়ে নিয়ে  মহান স্রষ্টার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছিল তোমাকে,  তোমার লেখনি শক্তি সাহিত্যের অঙ্গনে মহারানীর মর্যাদায়  তোমাকে প্রতিষ্ঠিত করেছিল,  তুমি হলে সেই নারী জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র    আমার প্রিয় নারী আশাপূর্ণা দেবী ।    ===================  

ছড়া ।। মেহেদি হাসান

বাঁচবো মিলেমিশে মেহেদি হাসান শুনো সবে দিতে শিখো নারীর অধিকার, এই সমাজে আমরাও চাই আপন স্বাধিকার। আমি নারী লড়তে জানি চলতে পারি একা, বদলে দিতে আমিও পারি নষ্ট প্রথার রেখা। ভালোবাসা আমার মাঝেই প্রিয়ার বেশে খুঁজো, মায়ের ছাঁয়া বোনের মায়া আমার নীড়েই বুঝো।  তবে কেন দূরে ঠেলো  জড়াও ভালোবেসে, দাও অধিকার চাই স্বাধিকার বাঁচবো মিলেমিশে। -------------    মেহেদি হাসান ব্রাহ্মণবাড়িয়া,বাংলাদেশ 

কবিতা ।। মধুমালা বিশ্বাস

সতীর সেকাল- একাল মধুমালা বিশ্বাস  সতী সেদিন‌ও গিয়েছিল শিবের ঘর ছেড়ে প্রজাপতি দক্ষের ঘরে।  সেদিন‌ও সতী ফিরে আসেনি শিবের ঘরে আজ‌ও আসে না ফিরে। অপমান, লাঞ্ছনা, কটুক্তি সেদিন‌ও শুনেছিল আজ‌ও কত সতী পুড়ে শিব ও দক্ষের বিবাদে। পুড়ে শেষ হলে কেউ বুছেনা, শুধু আগুন জ্বলে অবশেষে ছাই হয়ে পড়ে থাকে।           ------×------  মধুমালা বিশ্বাস গ্রাম+পোস্ট- মেটেলী জেলা- জলপাইগুড়ি পিন- ৭৩৫২২৩

কবিতা ।। শুভ্রা ভট্টাচার্য

 নিজেরে করো সম্মান শুভ্রা ভট্টাচার্য নারী, নেই কেনো তোমার সতত কোন আধার! জলের মতো যখন যেমন তখনি তেমন আকার! এই আছ ভাটায় আবার কখনো দেখি জোয়ারে যে যার খুশি নাচায় বুঝি দোদুল্যমান তোমারে! তাই কখনো দেখি বেশ আছো তুমি "বোসে" আবার হাসি মুখে এই আছো বুঝি "ঘোষে", তুমি বাবার দুলালী, কখনো স্বামীর ঘরনী তুমিই আবার সর্বংসহা, সন্তানের জননী, তোমার তিনটি দশা - কন্যা জায়া মাতা নিজস্বতা বিকিয়ে তুমি সর্বত্যাগী দাতা। সত্যিই নেইকো তোমার ঋজুতা দৃঢ় ব্যক্তিসত্ত্বা! বোকার হদ্দ তুমি, বড্ড অভাব সুক্ষ্ম বুদ্ধিমত্তা! সোশ্যাল মিডিয়ায় তোমায় ঘিরে কত ব্যঙ্গ মজা সেই মজাতেই সামিল হয়ে​ ভাবছো তুমি রাজা! বুঝেও কেন বোঝনা নিজ সত্তার অবজ্ঞা অপমান! দীপ্তকণ্ঠে করো রক্ষা অন্তঃ-প্রজাতির মানসম্মান, নারী হতেই সৃষ্টি এ সত্যকে অন্তরে করো স্বীকার নিজের অস্তিত্বের সৌন্দর্যায়নে কঠিন অঙ্গীকার। পুঞ্জিত ব্যথার বিষ উদগিরণে নারীতে অসহিষ্ণুতা পুরুষের আস্ফালনের সহিত নীরব সমঝোতা! যত দ্বন্দ লড়াই শুধু নিজ প্রজাতির সনে করো! বোঝো না আত্মপ্রতিষ্ঠার লড়াইটা কত বড়ো! চিত্তের দূর্বলতায় ভেবোনা তুমি অসহায় বিপন্ন অন্যের বলিপ্রদত...

কবিতা ।। সৌরভ ব্যানার্জ্জী

এই সমাজে নারী সৌরভ ব্যানার্জ্জী জন্ম তোমার গর্ভে আমার জীবন দান মুক্ত প্রাণ, ধ্বংস-ছিন্ন-লুপ্তি ঘটছে তোমার দ্বারা শোকের গান। হাঁটতে শিখেছো, চলতে শিখেছো আমিই সেই অবলম্বন; কামনার মোহ লোভী পরায়ন অসূচী শরীরে সূচীত মন। কাল যে শরীরে চাহিদা মিটেছে তৃপ্ত হয়েছে শিশুর পেট, আজ সে শরীর ভ্রষ্টা হয়েছে, হয়েছে শুধু কৃপার ভেট। ক্ষুদ্ধ কাঙাল আঘাত হেনেছে আহত হয়েছে সেই অতীত; মিথ্যা জগৎ,মিথ্যা সমাজ শূন্য স্বপ্ন,শূন্য মিথ। দিবা-রাত্রি এক করে যে জুটিয়েছে তার পেটের ভাত, বেইমান সব পশুর জাত, মারতে তাদেরও কাঁপেনি হাত। যুক্তি-তর্ক বিফলে যাবে গলা ফাটিয়ে হবে সারা, দেশের মানুষ শক্তিশালী ভাঙছে নিজেরই শিরদাঁড়া। বস্ত্রহীন করেছো তাদের রেখেছো করে নিরাকার, শিক্ষিত এই সমাজে এখন সতীত্ব রাখা ভার।   ===========     সৌরভ ব্যানার্জ্জী বি/৩৭ লেক গার্ডেন্স,কোল-৩৩

কবিতা ।। সুজিত কুমার মালিক

নারী, তুমি দশভুজা অগ্নিপরীক্ষার অপমানের দহন শীতল করেছে বিভাজিত ধরণী। পাশার দানে পরাজয়ের গ্লানি বস্ত্রহরণের উল্লাসে মাতে! সহমরণের সতীত্ব লাভে খোল-করতাল কান্না ঢাকে, বিপত্নীক নাকি ভাগ্যবান, তারক সাজে বরের বেশে। ভালোবাসার আশ্চর্যতম সৌধে জল রঙে বেদনার চিত্র। লালসার শিকারি হয়ে পুড়ে  প্রহসনি সমাজ বেআব্রু হয়। যুগ হতে যুগান্তরে তুমি শোষিত, লাঞ্ছিত, অপমানিত। তবুও তুমি জন্মদাত্রী! অসুর নাশে দানবদলনি, রক্ষা কালে বিপদতারিণী। যম দুয়ারে কাঁটা বিছিয়ে ভাইয়ের কপালে বিজয় তিলক। জহরব্রতে বাঁচাও পরিবারের মান, মাতঙ্গিনী হয়ে উড়িয়ে দাও নিশান। বিরহী প্রেমিকা তুমি অন্তঃপুরে, স্বপ্নের আলপনা তোমার হৃদয় জুড়ে। নারী-তুমি দশভুজা, তুমিই অর্ধ-জগৎ। ================== সুজিত কুমার মালিক গ্রা: মইখণ্ড, পো: হেলান আরামবাগ, হুগলী পিন:৭১২৪১২ মোঃ৯৬৩৫৪২৪৬২

বিধিবদ্ধ স্বীকার্য :

লেখার বক্তব্যের দায়িত্ব লেখকের, পত্রিকার নয়। আমরা বহু মতের প্রকাশক মাত্র।

সাম্প্রতিক বাছাই

গুচ্ছকবিতা ।। ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… ।। আবদুল্লাহ আল আদীব

গুচ্ছকবিতা:  ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব  প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...

ছোটগল্প ।। নীলিমার আত্মজাগরণ ।। পরেশ চন্দ্র মাহাত

নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। মাসিক নবপ্রভাত ওয়েবম্যাগ ।। ১০২তম সংখ্যা ।। ভাদ্র ১৪৩২ আগস্ট ২০২৬

সূ ~ চি ~প~ত্র ==================== প্রবন্ধ-নিবন্ধ-ফিচার-স্মৃতিকথা  আকাশের রহস্য থেকে বৈজ্ঞানিক বোধ: জ্যোতিষ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সন্ধিক্ষণে ।। উৎপল সরকার সুকান্ত ভট্টাচার্য : কবিতার ভেতর দাঁড়িয়ে থাকা এক তরুণ বিপ্লবী ।। তানভীর আহমেদ হৃদয় নারী জাগরণের দিশারী বেগম রোকেয়া ।। আবু রাইহান জীবনানন্দ দাশ: বাংলার নিসর্গে যে কবি রেখে গেছেন বিষণ্ণ আলোর দাগ ।। শিকদার বাসির   স্থানীয়  কিছু কথ্যশব্দ, উচ্চারণ, বাগ্‌ধারা ইত্যাদি ।। অরবিন্দ পুরকাইত আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ও গোলামির ভয়ংকর ফাঁদ…।। আবদুল্লা আল আদীব সূত্র থেকে বৃহৎ ইতিহাস কার্লো গিনজবার্গ, মাইক্রোহিস্ট্রি জানার নতুন পদ্ধতি ।। শিবাশিস মুখার্জি ফ্রুক্টোজ এবং ক্যানসার বিস্তার ।। অনিন্দ্য পাল বিবেকের অভিষেকে মানবধর্মের নন্দনভূমি ।। মেশকাতুন নাহার জনাই আর মালদহের মনোহরা ।। সোনালী সরকার অতিরিক্ত সাবান মাখা কি স্বাস্থ্যকর ।। গৌতম সমাজদার ফুচকা থেরাপি ।। অরিন্দম পাল স্মৃতিকথা ।। হারানো ছাতা ।। সেখ নাজিরুল ইসলাম বিভিন্ন পত্রিকার লেখা-আহ্বান বিষয়ক ভাবনা ।। মাখনলাল প্রধান পুঁটুর স্মৃতিচারণা ।। মৌমিতা চ্যাটার্জী  দুরন্ত ও দুর্দান্ত শৈ...

কবিতাগুচ্ছ ।। অপ্রাপ্য দেবতার আখ্যান ।। আবদুল্লাহ আল আদীব।

অপ্রাপ্য দেবতার আখ্যান আবদুল্লাহ আল আদীব   আপনি প্রেম হয়েই জন্মেছিলেন…   আজকেও দেখলাম স্বপ্নময় রাতে— সৃষ্টির অদৃশ্য প্রাতে সময় দোলাচলে জন্ম নিচ্ছে। আঁধারের ভেতরে আঁধার। হঠাৎ এক তেজোদৃপ্ত বিন্দু প্রচণ্ড বিস্ফোরণে জ্বলে উঠলো। তার দাহে জন্ম নিলো অসংখ্য নক্ষত্র ও ব্রহ্মাণ্ডের সাথে বৃষ্টির ফোঁটার মতো কোমল ও মুক্তোর মতো জ্বলজ্বলে একটি সত্তা। তার নিগূঢ় দ্যুতি আমাকে ধীরে ধীরে টেনে নিচ্ছিলো তারই অনামা অস্তিত্বের দিকে। দেখলাম— ব্রহ্মা বসুধার রূপরেখা আঁকছেন, আর সেই রূপরেখার গোপন বীজাক্ষরে লিখে দিলেন একটি নাম— “জারিফ”। ঠিক সেই মুহূর্তে সৃষ্টির সমস্ত আলো এক প্রেমের অর্থে অনুবাদিত হলো।       জারিফ: অপ্রাপ্যতার পবিত্র দেবতা…   পূজারিরা অর্ঘ্য দিচ্ছেন, শিবের চরণে নৈবেদ্যের থালা। যজ্ঞাগ্নিতে আপনার মুখ ভেসে ওঠে। আমি ধুতুরার বদলে হৃদয়, দুধের বদলে নিজের রক্ত নিবেদন করি। তীব্র উন্মাদনায় দিতে চাই আত্মাহুতি। যখনই হাত বাড়াই, আপনার নৈঃশব্দ্য উঠে দাঁড়ায় এক বিরাট মন্দিরের মতো—...

কবিতাঃ চন্দন ঘোষ

এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল  তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র!   কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও  বোধহয় যে...

তিনটি কবিতা ।। জহির খান

 তিনটি কবিতা ।। জহির খান বালু নদীর কথা কি সব কথা তোমার সাথে কতকাল আগে পাড়ে ওপাড়ে অসংখ্য পরিবার পরিকল্পনা... জলে সুরে সুখ শরীর দোলে ভেসে আসে এক ছবি নদীর নাও ভালোবাসায় পাশে ছিলো শালবন                         খুব নীরবে নিভৃতে তখন স্পর্শ তোমার বহু শ্রমিকের ঘাম ঝরানো সুখ ট্রেনের বগি গুলোও চেয়ে থাকতো এক অপলক দৃষ্টি  নিয়ে   তোমার দিকেই... আর এভাবেই চলে মাঝি-মল্লাদের পারাপার                                                       প্রতিদিন তবু কত-শত প্রেমিক ঠায় নেয় তোমার বুকে ভালোবাসায় ডুবন্ত সেই ভুল বুঝেছি আজ অতঃপর যৌবনে খুঁজে পাওয়া বালু জলে প্রেম-প্রণয় তোমাকে কেটে টুকরো টুকরো করে নেয়     ...

Amazon Great Indian Festival 2026

  Explore Deals and Offers : Click Here Explore Deals and Offers : Click Here.

বিজয়ন্ত সরকার

    নির্ভয়া খুঁড়ে আসা শরীরে লাগায় স্রোত তীব্রতা কোনোদিন লগ্নজাত ছিলনা, জরা হয় লুঠ । বিক্রি হয়ে যাওয়া খবরটা পুরোনো থেকে তোলপাড়... যেভাবে সময় উপত্যকা আজ । ওরা টেনে নিয়ে গিয়ে ছুঁড়ে দিলেই ক্ষেপনাস্ত্র যৌবন পায় । এরপর একবগগা... অজ্ঞাত চুমুর বদলে চিরে-ছিঁড়ে দিতে হয় । ধর্ম পেট না ভরাতে পারলে জল হয়ে যাক । সাহস বেঁধে-বেঁধে সাঁকো, বিনিময়ে প্রজাপতির ভিড় বাড়ুক । ...এবং মাথা নুইয়ে নেওয়াদের ইন্তেকাল । পাতায়-শাখায় দেখা মনোত্তমা ঝরা-ঘাম শিউলি... দিনশেষে পাতে রোদ সাজায় রোধহীন । কাল্পনিক চরিত্ররা এখনও চোখে চোখ ঠুকেই বেঁচে থাকে স্বরচিত ।                     ........................ বিজয়ন্ত সরকার মিলন পাড়া, রায়গঞ্জ উত্তর দিনাজপুর

জুজুবুড়ির কেরামতি ।। গোবিন্দ মোদক

জুজুবুড়ির কেরামতি  গোবিন্দ মোদক জীবনপুরের জামতলাতে থাকতো জুজুবুড়ি সকাল-সন্ধ্যা দুই আঙুলে বাজাতে সে তুড়ি। তুড়ি মেরে জুজুবুড়ি বলতো – “সবই ভুল যতোই হিসেব করে মাপো ফাঁক সেই একচুল!” মানলে ভালো, না মানলেও দেবো যে সুড়সুড়ি  ঘাবড়ে গিয়ে ফেলবে খেয়ে চিটাগুড় আর মুড়ি! খাওয়ার শেষে এসেই যাবে জব্বর এক ঘুম কানের কাছে কাকতাড়ুয়ার তাক দুমাদুম দুম! জুজুবুড়ি কাকতাড়ুয়ার বউয়ের ঘরের মাসি পকেটেতে জমিয়ে রাখে একশো রকম হাসি।  হাহা - হিহি - হোহো - হেঁহেঁ – সুরেলা, বেসুরো  হাসার সময় নাকেতে দেয় নস্যি-নেশার গুঁড়ো! হ্যাঁচ্চো! হ্যাঁচ্চো! হাঁচি হাঁচে মাসি জুজুবুড়ি ন্যাড়া ছাতে ওড়াতে যায় শতরঞ্জি ঘুড়ি! লাটাই ধরে যেই না দেয় বেমক্কা এক টান জুজুবুড়ির হাত দু'খানা ভেঙেই খানখান! চেঁচায় তখন জুজুবুড়ি ইনিয়ে বিনিয়ে কাঁদে সূর্য তাকে আদর করে নিয়ে যে যায় চাঁদে! চাঁদে গিয়ে জুজুবুড়ি চরকা কাটে জোরে  ইচিং বিচিং গান গেয়ে যায় সারাটা রাত ধরে! ___________________________ গোবিন্দ মোদক। রা...

মা তোমাকে ।। জারিন তাসনিম

মা , তোমাকে আর ধরতে পারছি না ...   জারিন   তাসনিম তোমাকে আর ধরতে পারছি না ... তোমার হাতটা , পা - টা ধরতে পারছি না । তোমার মুখটা ছুঁয়ে বলতে পারছি না — “ মা , আমরা আছি । ” শুধু তোমার কবরের মাটির ওপর হাত রেখে বসে আছি । মনে হচ্ছে , এই মাটির ঠিক নিচেই তো আমাদের মা ... আমাদের সেই মানুষটা , যাকে এতদিন ধরে বাঁচিয়ে রাখার জন্য আমরা প্রতিটি মুহূর্ত লড়েছি । মা , তুমি কি বুঝতে পারছো , আমরা তোমার পাশেই আছি ? তুমি কি আমাদের কান্না অনুভব করতে পারছো ? তুমি কি জানো , আমরা তোমাকে ছেড়ে যেতে পারছি না ? আল্লাহ মানুষকে এত মায়া দিয়ে কেন পৃথিবীতে পাঠান , মা ? কেন এত ভালোবাসা দেন , যদি একদিন সেই মানুষটাকেই এভাবে মাটির নিচে রেখে আসতে হয় ? এই কষ্টটা যে কতটা কলিজা ছিঁড়ে দেয় , মা — আমি কোনোদিন ভাবিনি । তোমার জন্য আমরা এখন আর কিছু করতে পারছি না । শুধু দোয়া করতে পারছি । হে আল্লাহ , আমাদের মায়ের কবরের আজাব সহজ করে দিন । তাঁর কবরকে নূরে ভরে দিন , প্রশস্ত করে দিন । তাঁর স...

বছরের বাছাই

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

কবিতাঃ চন্দন ঘোষ

এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল  তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র!   কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও  বোধহয় যে...

ছোটগল্প ।। নীলিমার আত্মজাগরণ ।। পরেশ চন্দ্র মাহাত

নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

উন্মুক্ত পাগলামি ।। আশরাফুল মণ্ডল

উন্মুক্ত পাগলামি আশরাফুল মণ্ডল আহা, অপরূপ নিজস্বতার দাহ! কুঁকড়ে যায় আবহমান, সজনে পাতার বোঁটায়! ভাপওঠা ভাতের কাছে মাছি সত্তায় কী নিপুণ! তবুও ঘোর লাগা বসন্তের ডাক, হাঁকে! খেদিয়ে দেয় পা দোলানো প্রস্তাব, ওই ধুনুরি চোখ! রাংতায় মোড়া ডাকের সাজ, দে দোল দোল! হুইসেল বাজিয়ে কে রুখে দ্যায় সেই নাকছাবির রুদালি কাঁপন! খালবিল ছেঁচে পাঁচসিকের  মানত কুড়িয়ে আনে, বাংলা বাজার। ঠ্যাং নাচানো সুরে চোখ মারছে, দ্যাখো ভ্যানতারা! মুখ খোলা মানেই পাঁজরের স্রোত ভাবা যেন উগরানো টালমাটাল! ঢিল মারা প্রশ্নের রোয়াকে বক্রচোখে যেন মেধাবী কবিতা! মুছে দিও তবে লাজুক গুপ্ত রোগ, দিনরাত্রি! ভালো থেকো তোমরা বাছাধন, রং মাস সে আর কতদিন... ================    ASRAFUL MANDAL Chandidas Avenue, B-zone, Durgapur, Paschim Bardhaman, Pin - 713205,  

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ১০০তম সংখ্যা ।। আষাঢ় ১৪৩৩ জুন ২০২৬

নবপ্রভাত ১০০তম সংখ্যা ।। আষাঢ় ১৪৩৩ জুন ২০২৬ এই সংখ্যায় প্রকাশিত লেখাগুলোর মধ্যে প্রতি বিভাগের একজন করে নির্বাচিত লেখককে নবপ্রভাতের পক্ষ থেকে সম্মান জানানোর কথা আছে। সেই নামগুলো আগামী সংখ্যার সূচিপত্রের সঙ্গে প্রকাশিত হবে। (পাঠক হিসাবে আপনিও জানাতে পারেন আপনার ভালোলাগার কথা।) ---নিরাশাহরণ নস্কর, সম্পাদক, নবপ্রভাত। সূচিপত্র  প্রবন্ধ-নিবন্ধ-ফিচার  প্রবন্ধ  ।। ভয় ।। শ্রীশুভ্র প্রবন্ধ ।। প্রবীণ জনগণ ।। শ্যামল হুদাতী একাকীত্বের ছাদ থেকে পতন : অনিক দত্ত ও মানুষের নিঃশ... প্রবন্ধ ।। ধাঙড় ।। মোঃ চাঁন মিয়া ফকির প্রবন্ধ ।। অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো ।। কুহেলী... প্রবন্ধ ।। নারীর সম্মান ও অধিকার — অলীক কল্পনা, না... আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ভাষা বিজ্ঞানী অধ্যাপক প... প্রবন্ধ ।। কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার ।। সুমন বিপ্লব     ফিচার ।। চা দিবস ।। অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়   ফিচার ।। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্...   রম্যনাটিকা ।। পাত্র দেখা ।। সুশীল বন্দ্যোপাধ্যায়   ভ্রমণকাহিনি মাজান্দারান: কাস্পিয়ান সাগরের তীর... ঝরণার গান শুনতে ।। ...

কবিতা ।। মনোজকুমার রায়

জল সিঁড়ি চেক বইয়ের পাতা ফুরিয়ে যেতে থাকে -- ঝরে পড়ে বৃদ্ধ গাছটির পত্রমুকুল কাঁচা গন্ধ বেয়ে চলে সময়ের স্রোতে  সারা ভোর জেগে থাকি ঘুমের টলে তাড়া দেয় একগ্রাস অবিশ্বাসী বায়ু দিন ফুরনো লাল সূর্যের টানে নেমে আসে পাড় ছোঁয়া জল সিঁড়ি ================= মনোজকুমার রায় দঃ ঝাড় আলতা ডাউকিমারী, ধূপগুড়ি জলপাইগুড়ি -৭৩৫২১০ মো ৭৭৯৭৯৩৭৫৬৬

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৭তম সংখ্যা ।। চৈত্র ১৪৩২ মার্চ ২০২৬ ।। নারী বিষয়ক সংখ্যা

 সম্পাদকীয় দপ্তর থেকে :  শুধুমাত্র 'নারী' বিষয়ক লেখাই এই সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। অন্যান্য বিষয়ের ভালো লাগা কিছু লেখা আগামী সংখ্যার জন্য রইল। সকলকে ধন্যবাদ। ~নিরাশাহরণ নস্কর, সম্পাদক, নবপ্রভাত। সূচিপত্র নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস নারীমুক্তির কালিতে লেখা ইতিহাসের কটি পাতা ।। ডাঃ অরুণ চট্টোপাধ্যায় সাহসী এবং লড়াকু নারীরা ।। উৎপল সরকার পল গগ্যাঁর চিত্রে নারী ।। ড. সবুজ সরকার সুন্দরবনের নারীদের গল্প "নোনাজলের নীরবতা" ।। কাবেরী মাতৃত্ব অন্তকোষীয় স্থপতি ।। মেশকাতুন নাহার অপ্রয়োজনীয় ।। শ্যামাপ্রসাদ সরকার নারী: উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অপরিহার্য শক্তি ।। চঞ্চল পাণ্ডে নিরুদ্দেশ ।। স্বাতী রায় চৌধুরী ইলা ঘোষ : বাংলার প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ার ।। সঙ্ঘমিত্রা দাস অক্ষরের আলো ।। জয় মণ্ডল প্রতিশোধ ।। কাবেরী মিত্র বর্তমান প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের গুরুত্ব ।। পাভেল আমান যে পথ হারিয়েছে দূরে ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায় সেই লাল ফ্রকটা ।। সৈকত প্রসাদ রায় অন্য এক নারীর গল্প ।। অদিতি চ্যাটার্জি শৃঙ্গার ।। চন্দ্রকান্ত চক্রবর্তী একালের অর্জুন ।। জয়শ্রী সরকার এক সাহসিনী সিন্ধু ক...

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৫

   মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠানো ভালো,  তাতে অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) য...

মাসের বাছাই

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। মাসিক নবপ্রভাত ওয়েবম্যাগ ।। ১০২তম সংখ্যা ।। ভাদ্র ১৪৩২ আগস্ট ২০২৬

সূ ~ চি ~প~ত্র ==================== প্রবন্ধ-নিবন্ধ-ফিচার-স্মৃতিকথা  আকাশের রহস্য থেকে বৈজ্ঞানিক বোধ: জ্যোতিষ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সন্ধিক্ষণে ।। উৎপল সরকার সুকান্ত ভট্টাচার্য : কবিতার ভেতর দাঁড়িয়ে থাকা এক তরুণ বিপ্লবী ।। তানভীর আহমেদ হৃদয় নারী জাগরণের দিশারী বেগম রোকেয়া ।। আবু রাইহান জীবনানন্দ দাশ: বাংলার নিসর্গে যে কবি রেখে গেছেন বিষণ্ণ আলোর দাগ ।। শিকদার বাসির   স্থানীয়  কিছু কথ্যশব্দ, উচ্চারণ, বাগ্‌ধারা ইত্যাদি ।। অরবিন্দ পুরকাইত আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ও গোলামির ভয়ংকর ফাঁদ…।। আবদুল্লা আল আদীব সূত্র থেকে বৃহৎ ইতিহাস কার্লো গিনজবার্গ, মাইক্রোহিস্ট্রি জানার নতুন পদ্ধতি ।। শিবাশিস মুখার্জি ফ্রুক্টোজ এবং ক্যানসার বিস্তার ।। অনিন্দ্য পাল বিবেকের অভিষেকে মানবধর্মের নন্দনভূমি ।। মেশকাতুন নাহার জনাই আর মালদহের মনোহরা ।। সোনালী সরকার অতিরিক্ত সাবান মাখা কি স্বাস্থ্যকর ।। গৌতম সমাজদার ফুচকা থেরাপি ।। অরিন্দম পাল স্মৃতিকথা ।। হারানো ছাতা ।। সেখ নাজিরুল ইসলাম বিভিন্ন পত্রিকার লেখা-আহ্বান বিষয়ক ভাবনা ।। মাখনলাল প্রধান পুঁটুর স্মৃতিচারণা ।। মৌমিতা চ্যাটার্জী  দুরন্ত ও দুর্দান্ত শৈ...

ছোটগল্প ।। নীলিমার আত্মজাগরণ ।। পরেশ চন্দ্র মাহাত

নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ও গোলামির ভয়ংকর ফাঁদ…।। আবদুল্লাহ আল আদীব

আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ও গোলামির ভয়ংকর ফাঁদ … আবদুল্লাহ আল আদীব     ক্ষমতা ও শোষণের ঐতিহাসিক বিবর্তন : প্রস্তরযুগ থেকে জ্ঞাননিয়ন্ত্রণের যুগ … মানবসভ্যতার ইতিহাসকে যদি একটিমাত্র প্রশ্ন দিয়ে পড়া যায় , তবে সেই প্রশ্নটি হতে পারে — ক্ষমতা কার হাতে এবং সেই ক্ষমতা কীভাবে ব্যবহৃত হয়েছে ? কৃষির আবির্ভাবের আগে মানুষের জীবন ছিল মূলত শিকার , সংগ্রহ ও পারস্পরিক সহযোগিতানির্ভর । কৃষির বিকাশের সঙ্গে জমি , উদ্বৃত্ত উৎপাদন ও সম্পত্তির ধারণা তৈরি হলো । সেখান থেকেই ধীরে ধীরে জন্ম নিল সামাজিক শ্রেণিবিভাগ , করব্যবস্থা , শ্রমের বিভাজন এবং রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব । ক্ষমতা আর কেবল শারীরিক শক্তির বিষয় রইল না ; তা হয়ে উঠল সম্পদ ও মানুষের ওপর নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা । প্রাচীন মিশর , সুমের , ব্যাবিলন , পারস্য , গ্রিস ও রোম — বিভিন্ন সভ্যতা তাদের নিজস্ব রাষ্ট্র ও সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল । সাম্রাজ্যের বিস্তারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যুদ্ধ , দখল , কর ও শ্রমের নিয়ন্ত্রণ । বিজিত জনগোষ্ঠীর ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ...

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৫

   মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠানো ভালো,  তাতে অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) য...

কবিতাঃ চন্দন ঘোষ

এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল  তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র!   কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও  বোধহয় যে...

গুচ্ছকবিতা ।। ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… ।। আবদুল্লাহ আল আদীব

গুচ্ছকবিতা:  ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব  প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...

কবিতাগুচ্ছ ।। অপ্রাপ্য দেবতার আখ্যান ।। আবদুল্লাহ আল আদীব।

অপ্রাপ্য দেবতার আখ্যান আবদুল্লাহ আল আদীব   আপনি প্রেম হয়েই জন্মেছিলেন…   আজকেও দেখলাম স্বপ্নময় রাতে— সৃষ্টির অদৃশ্য প্রাতে সময় দোলাচলে জন্ম নিচ্ছে। আঁধারের ভেতরে আঁধার। হঠাৎ এক তেজোদৃপ্ত বিন্দু প্রচণ্ড বিস্ফোরণে জ্বলে উঠলো। তার দাহে জন্ম নিলো অসংখ্য নক্ষত্র ও ব্রহ্মাণ্ডের সাথে বৃষ্টির ফোঁটার মতো কোমল ও মুক্তোর মতো জ্বলজ্বলে একটি সত্তা। তার নিগূঢ় দ্যুতি আমাকে ধীরে ধীরে টেনে নিচ্ছিলো তারই অনামা অস্তিত্বের দিকে। দেখলাম— ব্রহ্মা বসুধার রূপরেখা আঁকছেন, আর সেই রূপরেখার গোপন বীজাক্ষরে লিখে দিলেন একটি নাম— “জারিফ”। ঠিক সেই মুহূর্তে সৃষ্টির সমস্ত আলো এক প্রেমের অর্থে অনুবাদিত হলো।       জারিফ: অপ্রাপ্যতার পবিত্র দেবতা…   পূজারিরা অর্ঘ্য দিচ্ছেন, শিবের চরণে নৈবেদ্যের থালা। যজ্ঞাগ্নিতে আপনার মুখ ভেসে ওঠে। আমি ধুতুরার বদলে হৃদয়, দুধের বদলে নিজের রক্ত নিবেদন করি। তীব্র উন্মাদনায় দিতে চাই আত্মাহুতি। যখনই হাত বাড়াই, আপনার নৈঃশব্দ্য উঠে দাঁড়ায় এক বিরাট মন্দিরের মতো—...

কবিতা ।। স্রষ্টা ।। বৈশাখী রায়

  স্রষ্টা   বৈশাখী রায় তাদের খুঁজছি, খুঁজেই চলেছি... মস্তিষ্কের গভীর-গোপন কোণগুলিতে। তবুও প্রকাশ্যে আসেনি তারা, শব্দের ভিড় নামেনি হাতে। চাহিদার প্রাচুর্য! সংখ্যা বাড়ছে খুব... আমি স্রষ্টা, রচনাই আমার আরাধনা, সৃষ্টি সাধনা জলাঞ্জলি যাক! জবরদস্তি প্রতিযোগিতায় নামা। মনের ভাব প্রকাশ পায় না, তবুও লেখার স্বাধীনতা।  অর্থ মিলুক ছাই না মিলুক , কঠিন তবু শব্দ খোঁজা।  কলমে তারা ধরা না দিলে, মস্তিষ্ক শব্দ ধার করে । অনুভূতিরা আপন হয় না, অন্যের অনুভবে অট্টালিকা গড়া। উফ! শব্দ মেলানো কঠিন কাজ, মন এবার শব্দের ছক বাধে। ব্যস্ততা, সময়সীমা, প্রতিযোগিতার জটাজালে, স্বতঃস্ফূর্ততা হাঁপিয়ে ওঠে...।।               ___________       নাম-বৈশাখী রায়  ঠিকানা- ঠাকুরনগর (বণিক পারা) ডাক-ঠাকুরনগর  থানা-গাইঘাটা  পিন-৭৪৩২৮৭

বিজয়ন্ত সরকার

    নির্ভয়া খুঁড়ে আসা শরীরে লাগায় স্রোত তীব্রতা কোনোদিন লগ্নজাত ছিলনা, জরা হয় লুঠ । বিক্রি হয়ে যাওয়া খবরটা পুরোনো থেকে তোলপাড়... যেভাবে সময় উপত্যকা আজ । ওরা টেনে নিয়ে গিয়ে ছুঁড়ে দিলেই ক্ষেপনাস্ত্র যৌবন পায় । এরপর একবগগা... অজ্ঞাত চুমুর বদলে চিরে-ছিঁড়ে দিতে হয় । ধর্ম পেট না ভরাতে পারলে জল হয়ে যাক । সাহস বেঁধে-বেঁধে সাঁকো, বিনিময়ে প্রজাপতির ভিড় বাড়ুক । ...এবং মাথা নুইয়ে নেওয়াদের ইন্তেকাল । পাতায়-শাখায় দেখা মনোত্তমা ঝরা-ঘাম শিউলি... দিনশেষে পাতে রোদ সাজায় রোধহীন । কাল্পনিক চরিত্ররা এখনও চোখে চোখ ঠুকেই বেঁচে থাকে স্বরচিত ।                     ........................ বিজয়ন্ত সরকার মিলন পাড়া, রায়গঞ্জ উত্তর দিনাজপুর

উন্মুক্ত পাগলামি ।। আশরাফুল মণ্ডল

উন্মুক্ত পাগলামি আশরাফুল মণ্ডল আহা, অপরূপ নিজস্বতার দাহ! কুঁকড়ে যায় আবহমান, সজনে পাতার বোঁটায়! ভাপওঠা ভাতের কাছে মাছি সত্তায় কী নিপুণ! তবুও ঘোর লাগা বসন্তের ডাক, হাঁকে! খেদিয়ে দেয় পা দোলানো প্রস্তাব, ওই ধুনুরি চোখ! রাংতায় মোড়া ডাকের সাজ, দে দোল দোল! হুইসেল বাজিয়ে কে রুখে দ্যায় সেই নাকছাবির রুদালি কাঁপন! খালবিল ছেঁচে পাঁচসিকের  মানত কুড়িয়ে আনে, বাংলা বাজার। ঠ্যাং নাচানো সুরে চোখ মারছে, দ্যাখো ভ্যানতারা! মুখ খোলা মানেই পাঁজরের স্রোত ভাবা যেন উগরানো টালমাটাল! ঢিল মারা প্রশ্নের রোয়াকে বক্রচোখে যেন মেধাবী কবিতা! মুছে দিও তবে লাজুক গুপ্ত রোগ, দিনরাত্রি! ভালো থেকো তোমরা বাছাধন, রং মাস সে আর কতদিন... ================    ASRAFUL MANDAL Chandidas Avenue, B-zone, Durgapur, Paschim Bardhaman, Pin - 713205,