বৃষ্টির চিঠি
এসেছে চিঠি মুখবন্ধ এক খামেখোলা জানালায় তখন বৃষ্টি নামেবিন্দু বিন্দু জল উড়ে এসে পড়েহৃদয় আমার থেকে থেকে নড়ে চড়েঝড় উঠেছে ভীষণ বজ্র রোষেউড়ছে চিঠি আমার ই আশে পাশেদুলছে বাড়ী মনে ভীষণ ভয়এখন ই বুঝি শিলাবৃষ্টি হয়বিকেল গড়িয়ে এল এক সন্ধ্যাধুইয়ে দিল আমার বারান্দাআজকে যেন পূর্ণিমা কোন তিথিবৃষ্টি বয়ে আনলো আমার চিঠিনিম্নচাপের ভ্রূকুটি মেঘের পরেচাঁঁদের আলো আসেনি আমার ঘরেবিদ্যুৎহীন আজকে আমার পাড়াচেষ্টা করেও হোল না চিঠি পড়া।--------chandansuravi NandaRevenue OfficerManbazar-llPurulia
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...
