বৃষ্টি আখরে লেখা চিঠি
মেঘ আসে সব আকাশেতে এলেবেলে
সাদা সাদা মেঘ আষাঢ়ে শরৎ নাকি
হেলায় দিয়েছে বৃষ্টি ঘরানা ফাঁকি
ভিজব ভেবেছি এবার বরষা এলে !
ভেবেছি ভাসাব কাগজের নাও গড়ে
কলকল জলে কইমাছ এলে উঠে
ধরে নিয়ে বাড়ি আসব লাফিয়ে ছুটে
নিষেধ না শুনে, যদিবা বাজও পড়ে।
এখনো কিশোর মনের গহীণে নাচে
এখনো দামাল হতে চায় দেখি মন
বৃষ্টি ফোঁটায় কী যেন ছন্দ আছে
ঝমঝম শুনি ঝিমঝিম সারাক্ষণ !
মৌন গাছেরা ঝিম মেরে সারাবেলা
পাখিরা নীরব ভুলে গেছে বুঝি খেলা
মাটির হাঁ-মুখে নীরব আর্তনাদ
ফসলের ক্ষেতে সকরুন সংবাদ।
প্রিয়ার চিঠি যে বইত সে মেঘ কোথা
কোথা গেল তার নবজলধর রূপ
দৌত্য করুক মানায়না এই চুপ
মরা নদীগুলি ভরা হোক খরস্রোতা ।
না হারায় পথ না হারায় যেন দিক
কালো কেশদাম নিয়ে মেঘ দিক দেখা
নামুক মেঘেরা বৃষ্টি আখরে লেখা
পড়ব চিঠিটি, ভিজব এবার ঠিক।
..................
কান্তিলাল দাস
বেলতলা লেন
(সাধুখাঁ মাঠ)
ডাক : সিঙ্গুর
জেলা : হুগলি
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...