সুযোগ রেখে প্রাণজি বসাক ভাবনার পরত গাঢ় হতে না হতেই চেতনায় ধ্বনি ওঠে Next station is Dashrathpuri উঠে দাঁড়াই সাবধান হই… যদিও সুরঙ্গ পথে কোনো বেগতিক হাওয়া নেই মসৃণ হাতল ধরে দাঁড়িয়ে থাকা তন্বী মেয়েটি সম্ভবতঃ একবিংশ শতাব্দীর প্রথম স্তবকের এবং হয়ত প্রবাসী হালকা ভিড়সহ নেমে পড়ি যথার্থ নমনীয় ভাষায় বলি মাটির কথা ঘ্রাণের কথা অ আ ক খ বঙ্গভাষার কথা চলন্ত সিঁড়িতে পা রাখি আর ভাবি গন্তব্যের উপহাস - রাস্তায় টোটোগুলো যেন বাংলা কবিতার ঠাসা পংক্তি মানুষের সাথে সুযোগ রেখে রাজমন্দির পেরিয়ে যায় ******************* Pran G Basak New Delhi - 110045
গুচ্ছকবিতা: ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...