তিনটি কবিতা ।। নিমাই জানা তৃতীয় সাপেদের শুক্রতারল্যের উপপাদ্য ও ঋণাত্মক জ্বর সমগ্ৰ ক্যালসিয়াম কার্বাইড মৃত্যুর মতো শুক্রতারল্যের স্বর্গীয় উত্তপ্ত লৌহ কণিকার উষ্ণতম গর্ভগৃহে পা রেখে দেওয়ার পর আমরা অলৌকিক আততায়ীদের সাথে তৃতীয় সাপের অসুখগুলো ঝুলিয়ে ক্রুসেড ধর্মযাজকের নৃশংস হত্যাকারী হয়ে যাচ্ছি , মৃত রাতের শেষে ডুবে যাওয়া চাঁদের ধোঁয়ামাখা লম্বা প্রস্থছেদে জীবাণুর কঠিন নির্জন আড়ষ্টতার সিস্টোলিক চলন ঘুরে বেড়াচ্ছে গলার দীর্ঘ ক্যান্সার অসুখের মতো , ঘুমের চতুর্থ প্রকারভেদের নীলকরবির দাঁতগুলো ছিঁড়ে রক্তময় বাবার উপপাদ্যহীন মানস সরোবর আঁকছি মহাজনপদের শেষ আলো ডুবে যাওয়া রতিখন্ড মেঘের ঘণত্ব দিয়ে , কিন্নর , পিশাচ , লাভা , পুরোহিত খনিজ প্রত্ন নাবিক সকলেই স্নান ঘরে আগুনের লেলিহান ছুঁয়ে ছুঁয়ে - ৫৬° জ্বরের মেটামরফোসিস আবিষ্কার করছে গলিত জীবিত জীবাশ্ম দিয়ে প্রেত রঙের ভেসে থাকা তৈল গ্রন্থীময় নদী , স্বর্গ থেকে ফিরে এসে বুকের খাঁজে ৬৪ রজঃস্বলা নদীর কর্কটক্রান্তীয় অলৌকিক আবহবিকার কেন্দ্রে নিম্নবর্গীয় পরিযায়ী পাখিদের চক্রাসনের ভেতর থেকে দ্বাপর যুগ বের করল , অবৈধ করোটি ছেঁড়া...
স্রষ্টা বৈশাখী রায় তাদের খুঁজছি, খুঁজেই চলেছি... মস্তিষ্কের গভীর-গোপন কোণগুলিতে। তবুও প্রকাশ্যে আসেনি তারা, শব্দের ভিড় নামেনি হাতে। চাহিদার প্রাচুর্য! সংখ্যা বাড়ছে খুব... আমি স্রষ্টা, রচনাই আমার আরাধনা, সৃষ্টি সাধনা জলাঞ্জলি যাক! জবরদস্তি প্রতিযোগিতায় নামা। মনের ভাব প্রকাশ পায় না, তবুও লেখার স্বাধীনতা। অর্থ মিলুক ছাই না মিলুক , কঠিন তবু শব্দ খোঁজা। কলমে তারা ধরা না দিলে, মস্তিষ্ক শব্দ ধার করে । অনুভূতিরা আপন হয় না, অন্যের অনুভবে অট্টালিকা গড়া। উফ! শব্দ মেলানো কঠিন কাজ, মন এবার শব্দের ছক বাধে। ব্যস্ততা, সময়সীমা, প্রতিযোগিতার জটাজালে, স্বতঃস্ফূর্ততা হাঁপিয়ে ওঠে...।। ___________ নাম-বৈশাখী রায় ঠিকানা- ঠাকুরনগর (বণিক পারা) ডাক-ঠাকুরনগর থানা-গাইঘাটা পিন-৭৪৩২৮৭