রম্যনাটিকা পাত্র দেখা সুশীল বন্দ্যোপাধ্যায় স্থান-ভাবি বরের বাড়ি,সময় -বিকেল তিনটে নাগাদ। উপস্থিত চরিত্র- ভাবি বর,ওর বাবা,বরের মা,বরের মাসি ভাবি বরের একজন বৃদ্ধ প্রতিবেশী ভাবি কনে, কনের বাবা (মা'কে নিয়ে আসা হয়নি কারণ একটু খ্যাটখ্যাটে স্বভাবের)। (এতদিন আমরা ভাবি বরের বাড়ি থেকে কনের বাড়িতে পাত্রী দেখতে যাওয়ার কথা জানি, এটা তার উল্টো,পাত্রীই গেছে পাত্রের বাড়ি,পাত্র পছন্দ করতে।পাত্রের বাড়ির ড্রয়িং রুম, বেশ সাজানো গোছানো,দু দিকের দেয়াল বরাবর আরামদায়ক সোফা পাতা, মাঝে মাঝারি সাইজের বেশ সুন্দর মোটা কাঁচের টি টেবিল, দেয়ালে কয়েকটা আর্টিস্টিক ছবি, একপাশে ঘরের কোনায় একটা হাউইয়ান গীটার, হয়তো দেখানোর জন্য যে ছেলে গান বাজনা জানে। টেবিলে জলভরা সন্দেশ থেকে শুরু করে জয়নগরের মোয়া সবরকম মিষ্টি এসে গেছে, মেয়ের বাবা লোভ সামলে ঝকঝকে কাঁচের গ্লাসের থেকে একটু খানি জল খেয়েছেন মাত্র) পাত্রীর বা...
কবিতাগুচ্ছ: “বাংলাবিদ”: অনামা আলোর বিচ্ছেদে… আবদুল্লাহ আল আদীব তোমাকে ভালবাসি বলেই… বন্ধুবরেষু “বাংলাবিদ”, আমার কোমল প্রাণ মৌমাছি, অতি নরম-স্নিগ্ধ রোদে হেসে ওঠা মুক্তোদানা শিশির- দুঃখ করো না। তোমাকে ভালবাসি বলেই আজ এই দূরত্ব— যেন আমার কোন কিছু তোমার ক্ষতি না করতে পারে! তোমাকে ভুলিনি— তুমি আমার অন্তরের ইচ্ছের অন্তঃপুরে পাহাড়ের মতো ভারী হয়ে বসে আছো, এ যেন সভ্যতার এক ধ্বংসাবশেষ। প্রতিটি নিঃশ্বাসে তোমার নাম প্রকম্পিত হয়, যেন ধারালো ছুরি বুক চিরে রক্ত ঝরায়। ভুলতে চেয়েছি— কিন্তু স্মৃতিগুলো আমার রক্তে জমাট বেঁধে আছে, যেন পাথরখচিত প্রাচীন লিপি। তুমি হয়ে গেছো আমার নীরব কান্না, প্রতিটি লিখতে না পারা কবিতা আমার ভাঙা আত্মার লুকানো আর্তনাদ। তোমার স্পর্শ নেই, নেই আমাদের সম্পর্কের কোন নাম— তবু তুমি আছো অদৃশ্য, অমোঘ, যেন প্রতিটি ক্ষতচিহ্নে চিরন্তন বসবাস করা এক নিঃশব্দ মৃত্যু। ক্ষত-নিবদ্ধ বাঁশি… প্রিয় “বাংলাবিদ” আমার, কি এক আশ্চর্য সমর্পণ তন্ময়তা, মোহময় আকর্ষণ, বকুলের বিহ্বল ঘ্রাণ তোমার সত্তায়! তোমার বিস্তীর্ণ গালিচা থেকে বিদীর্ণ হয়ে আজ আমি বিচ্ছেদের নিঃ...