বিজ্ঞান কাহিনি টুইনি আরজু মুন জারিন অধ্যায়ঃ এক তথ্য আর অনুশীলন এর মধ্যে যে ফাক টুকু আছে তা জুড়ে দিতে পারলে কেল্লাফতে। এই পৃথিবী চলে আসবে নিশ্চিৎ ওর হাতের মুঠায়। এমনকি এ ও আশা করছে সকল গ্রহ, নক্ষত্র তারকারাজি রা ওর সাথে আজ মত্ত হয়ে উঠবে আবিস্কার এর খেলায়। না শেষবারের মত দেখে নিতে হবে সকল যন্ত্রপাতি। ওর বহু সাধনার আবিস্কার আজ সফল হতে চলেছে। আয়নিক টিপ এরসাথে আনবিক চিপ এর সংযোজন। সমীকরণগুলি আবার দেখতে লাগলো অতি সতর্কতার সাথে। সামান্য ভুলে সব ভন্ডুল হয়ে যেতে পারে। হ্যাঁ হ্যাঁ তথ্য গুলি নির্ভূল আছে। যন্ত্রপাতি ও সমীকরণ অনুসারে নির্মান করেছে ও। আশা করা যাচ্ছে এই টিপ চিপটি সঠিকভাবে কাজ করবে এবার। আগের কয়েকটি পরীক্ষায় ব্যর্থতায় মনটা একটু সংশয়ে আছে এইমূহূর্তে। ফিল্ডগুলোকে অপরিবর্তনীয় রেখেছে ও যাতে গোলকের সমীকরণটা সঠিক থাকে। এবার আস্তে করে সুইচটি নামিয়ে দিলো। চিপ আর টিপ এর সংযোগ স্থাপনের সাথে সাথে সেন্ট্রাল কোয়ার্জ চেম্বারের খাঁজ থেকে জ্বলে উঠলো আলোক শিখাটি। সাঁই করে চিপটি তারের সাথে ঘুরতে লাগলো এবার চতুর্দিকে। এক পর্যায়ে সর্বোচ্চ সীমায় গিয়ে থামলো ...
গুচ্ছকবিতা: ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...