পুরুষশাসিত সমাজের কঠিন নিয়মের বাইরে বেরিয়ে এসে বাংলা সাহিত্যে নারীশক্তির অন্যতম প্রকাশ আশাপূর্ণা দেবী অঞ্জনা দেব রায় প্রথামাফিক শিক্ষা না থাকলেও অন্তরের ভেতরে জাগরুক অদম্য সাহস , জ্ঞানপিপাসা সমস্ত তুচ্ছতাকে ভাসিয়ে দিয়ে আশাপূর্ণা দেবী মহান স্রষ্টার আসনে প্রতিষ্ঠিত হলেন আপন মহিমায় । ব্যর্থতার আবর্জনাকে পুড়িয়ে ফেলে যে জ্ঞানের আলোকে উদ্ভাসিত হয়ে উঠলেন তাঁকে অস্বীকার করার ক্ষমতা কারো নেই । নারীশক্তির অপার মহিমা প্রকাশিত হল । বাংলা সাহিত্যে আশাপূর্ণা দেবীর অভ্যুদয় একটি ঐতিহাসিক ঘটনা । তাঁর এই আবির্ভাব একটি জ্বলন্ত প্রতিবাদ । আশাপূর্ণা দেবী তাঁর সৃষ্টিশীলতায় যে অন্বেষণকে নিরন্তর জাগরুক রেখেছিলেন তা হ ' ল চেনা মানুষকে নতুন করে খুঁজে দেয়া । হৃদয়ের অনেক গোপন অন্ধকারের কথা তাঁর সাহিত্য প্রতিভায় প্রকাশ পেলেও নিজের হৃদয়কে কখনো সেই অন্ধকারের শিকার হতে দেননি । আশাপূর্ণা দেবী দেখেছেন মানুষ কত অসহায় , কেবল পরিবেশের কাছে নয় , সমাজের কাছে নয় , নিজের ...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...