মুকুটমনিপুরের মণিমুক্তা কাকলী দেব (1) অনেক দিন ধরেই একজন ছটফট করছে, কোথাও ঘুরতে যাবার জন্য। নিজেই নানারকম প্ল্যান করছে, ইউ-টিউবে ভিডিও দেখছে, বেড়ানোর। মাসে একবার অন্তত ঘুরতে না বেরোলে, ওর শরীর খারাপ হয়, মন খারাপ হয় ততোধিক ! তাই প্রায় প্রতি মাসেই বেড়ানোর একটা আয়োজন করতেই হবে! কোভিডের সময়ে ঘোরাঘুরি তে গাড়ী টা খানিক নিরাপদ বলে সেটাতে ভর করেই আমরা বেড়িয়ে পড়ি। তার আবার গাড়ী চালানোয় ভীষন আনন্দ! আমি একটু, "ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া, একটি ধানের শিষের ওপর একটি শিশির বিন্দু "- থিওরীর খুব ভক্ত! (2) এখন বসে আছি কংসাবতীর ধারে, পিয়ারলেস রিসর্টে। আমাদের কটেজের মুখ নদীর দিকে,সামনে বারান্দা। তারপরেই বাগান, সেটা পেরিয়ে রিসর্টের কম্পাউন্ডের পাঁচিল। তার পরেই মিষ্টি নামের, শান্ত নদী কংসাবতী। এত সুন্দর নাম, কবেকার কোন সময়ের মানুষের রাখা, তা কে জানে! কোনও নদীকে এত কাছ থেকে আগে কখনও দেখিনি! নদীর এইখানটায় যেন একটা লেকের মত! জলে তরঙ্গ আছে কিন্ত উথাল পাথাল ঢেউ ...
স্রষ্টা বৈশাখী রায় তাদের খুঁজছি, খুঁজেই চলেছি... মস্তিষ্কের গভীর-গোপন কোণগুলিতে। তবুও প্রকাশ্যে আসেনি তারা, শব্দের ভিড় নামেনি হাতে। চাহিদার প্রাচুর্য! সংখ্যা বাড়ছে খুব... আমি স্রষ্টা, রচনাই আমার আরাধনা, সৃষ্টি সাধনা জলাঞ্জলি যাক! জবরদস্তি প্রতিযোগিতায় নামা। মনের ভাব প্রকাশ পায় না, তবুও লেখার স্বাধীনতা। অর্থ মিলুক ছাই না মিলুক , কঠিন তবু শব্দ খোঁজা। কলমে তারা ধরা না দিলে, মস্তিষ্ক শব্দ ধার করে । অনুভূতিরা আপন হয় না, অন্যের অনুভবে অট্টালিকা গড়া। উফ! শব্দ মেলানো কঠিন কাজ, মন এবার শব্দের ছক বাধে। ব্যস্ততা, সময়সীমা, প্রতিযোগিতার জটাজালে, স্বতঃস্ফূর্ততা হাঁপিয়ে ওঠে...।। ___________ নাম-বৈশাখী রায় ঠিকানা- ঠাকুরনগর (বণিক পারা) ডাক-ঠাকুরনগর থানা-গাইঘাটা পিন-৭৪৩২৮৭