নারীর দ্রোহ ও প্রতিবাদ : ‘নিষিদ্ধ লোবান’ উপন্যাসের আলোকে মোরশেদুল আলম সারসংক্ষেপ : মুক্তিযুদ্ধ - পূর্ববর্তীকালে আবির্ভূত হয়েও স্বাধীনতা - উত্তরকালে যে - সব ঔপন্যাসিক বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের সুবিস্তৃত অঙ্গনে একইভাবে দীপ্তিবান , তাঁরা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সুমহান চেতনার সাহিত্যিক - সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার বহন করেছেন অসাধারণ দৃপ্ততায় ও প্রকাশ - নৈপুণ্যে । মুক্তিযুদ্ধের অন্তর - বাহির আর বাঙালি জাতির অকুতোভয় দুর্বার সংগ্রামের বহুবর্ণিল প্রসঙ্গ - অনুষঙ্গ নির্মাণ করেছে তাঁদের অভিজ্ঞতা ও অভিজ্ঞানঋদ্ধ শিল্পীচৈতন্য ; এবং এই ঔপন্যাসিকদের মধ্যে যাঁর নাম স্বতন্ত্রভাবে উল্লেখযোগ্য , প্রাতিস্বিকতায় প্রোজ্জ্বল যাঁর উপন্যাসসমূহ - তিনি সৈয়দ শামসুল হক ( ১৯৩৫ - ২০১৬ ) । উপন্যাসমালায়, বিশেষত ‘ নিষিদ্ধ লোবান ’ ( ১৯৮১ ) উপন্যাসে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালে বাঙালি জাতিসত্তার মর্মবেদনা , হাহাকার , অবরুদ্ধ সময়ের যন্ত্রণাদগ্ধ ছবি একদিকে যেমন তিনি এঁকেছেন অসাধারণ শৈল্পিক নৈপুণ্যে , অন্যদিকে তেমনি তুলে ধরেছেন মুক্ত...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...