পিরিতের তথা সৌহার্দের পুঁজিবাদ (Crony Capitalism) ও ভারত রণেশ রায় আগের সংখ্যায় আমরা ভারতে স্বাধীনতার স্বরূপ আলোচনা প্রসঙ্গে ভারতের অর্থনীতির চরিত্রটা আলোচনা করেছি । (পড়ুন: ঔপনিবেশিকত্তোর ভারতের অর্থনীতি ও ভারতের স্বাধীনতার স্বরূপ ।। রণেশ রায় ) এই প্রসঙ্গে আজকের ভারতে অনুগ্রহ তথা খয়রাতি অর্থনীতির বিষয়টা উঠে এসেছে । আজকের প্রতিবেদনে আমরা সারা পৃথিবী জুড়ে পুঁজিবাদ যে নতুন স্বরূপ গ্রহণ করেছে যাকে পিরিতের অর্থনীতি (crony capitalism) বলে সেটাই ভারতের পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের আলোচ্য বিষয় । এই প্রসঙ্গে আগের আলোচনার কিছু বিষয় এসে পড়বে । অষ্টাদশ শতকের দ্বিতীয় ভাগ থেকে সামন্তবাদ ভেঙে বাণিজ্যবাদের কাল পেরিয়ে পুঁজিবাদের বিকাশ ঘটে । প্রাথমিক পর্যায়ে এই পুঁজিবাদ ছিল প্রতিযোগিতামূলক পুঁজিবাদ যা সামন্তবাদকে বর্জন করে সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যায় । পুঁজিবাদের সবচেয়ে তীব্র সমালোচক কার্ল মার্কস ও ফ্রেডরিক এঞ্জেলসও কমিউনিস্ট মেনুফেষ্টতে এই প্রাথমিক ...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...