অমর একুশে অশোক দাশ আজি বসন্তে পলাশের বুকে নিত্য অলির গুঞ্জরন, কাঙ্খিত স্বপ্ন বুকে অমর একুশের শহীদ তর্পণ। মেঘনা -পদ্মার তুফানে আজও রক্তধারা বহে, শহীদের আত্ম বলিদান গৌরব গাঁথা সমীরণে ভাসে। আধো-আধো বলে গাইছে শিশু মায়ের ভাষার গান, সারা ভুবন ঋণী, শহীদদের জানায় শ্রদ্ধা- সম্মান। কান্না হলো হীরা -পান্না, মাতৃভাষা অমর মহীয়ান, বুকের মাঝে রক্ত কমল চির অনির্বাণ। রক্ত শোনিতে পদ্মা -মেঘনা -ইছামতির জল রাঙা, বিদ্রোহের অগ্নি শিখায় মীরজাফররা পেয়েছে কি সাজা! আজও ধর্মের নামাবলী গায়ে রক্তে হোলি খেলে, ভাতৃ বিদ্বেষে দাঙ্গার ক্ষতবুকে তাণ্ডব নৃত্যে মাতে। মাতৃভাষার সম্মান রক্ষায় একুশের রক্ত ঝরা ইতিহাস, উদ্ধত ধর্মের ব্যাপারীদের কাছে কেবলই প্রহসন উপহাস। ----------------------------- অশোক দাশ ভোজান, রসপুর, হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...