Skip to main content

Posts

রম্যরচনা ।। ভগবান নিপাত যাক ।। প্রদীপ দে

  ভগবান নিপাত যাক প্রদীপ দে এই যে ভগবান,  তুমি যা বলবে আমি ঠিক তার উল্টোটাই করবো। আমি কানে একেবারেই কম শুনি, একটু চিল্লিয়ে বললে ভাল হয়! --  কি? পাপ দেবে ? --  তা দাও দেওয়ার জন্যই তো তুমি! সকাল বিকাল কতো কি-ই তো চাইছি -  শুনতে পাও না?  তুমিও কি কালা? --  চাইলেই পাবে না ! --  ঢং ! তাহলে কি কাজে আসো তুমি ? --  বিশ্বের সৃষ্টি স্থিতি আর বিনাশ! --  বড় বড় ডায়ালগ আর জ্ঞানের ভাষনে তো বাজার গরম করে দিচ্ছো। কার কতোটা কাজে লাগলো ভেবে দেখেছো ? -- কি বললে, এসব বড় বড় জাগতিক ব্যাপার? --  নিকুচি করেছে জাগতিক ফাগতিক! যার যতটুকু চাহিদা দিয়ে দাও -তোমার অসুবিধার কি আছে? তুমি তো আর মানুষ নয়? ইচ্ছা করলেই তুমি তোমার বিশাল সাম্রাজ্য আর অর্থকোষ কে কাজে লাগাও - আমরা যে ভিখারি হয়ে পড়ছি ক্রমশই। তোমার গায়ের চামড়া কি শুকিয়ে নির্দয় হয়ে গেছে। বাব্বাঃ এত আস্তে কথা বলো - যে মিউমিউ করে, নিজেকে খুবই জ্ঞানী আর মুক্তি দাতাহি  হিসাবে মনে হয়। এত অহংকার ভাল নয়। পতনের কারন। দেখছো না সকলেই তোমাকে আর কেউ পাত্তা দেয় না। --  যে যার ভাগ্যে খায়? সেতো অটোমেটিক মেশিনও কর...

কিশোর অপরাধ : সমৃদ্ধিশালী জাতি গঠনে প্রধান অন্তরায় ।। মেশকাতুন নাহার

কিশোর অপরাধ : সমৃদ্ধিশালী জাতি গঠনে  প্রধান অন্তরায়  মেশকাতুন নাহার  শিল্পবিপ্লবের ফলশ্রুতিতে যেসব নেতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হয় তারমধ্যে কিশোর অপরাধ অন্যতম। শিল্প বিপ্লবের ফলে দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়নের বিকাশ ঘটেছে। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প নির্ভর সমাজব্যবস্থা ভেঙে যান্ত্রিক প্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটে। জ্ঞান, বিজ্ঞান, প্রয়োগ ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিপ্লব সংগঠিত হয়। কারখানা শিল্পের ব্যপক বিস্তৃতি লাভ করে। এর ফলে নারী পুরুষ উভয়েরই কারখানায় কর্মসংস্থানের সুযোগ ঘটে। আর সেক্ষেত্রে পরিবারের নির্ভরশীল শিশুরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে শিশু কিশোররা অপরাধে জড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। সাধারণত ৭ থেকে ১৬ বছর বয়সী কিশোর কিশোরীদের দ্বারা সংগঠিত সমাজবিরোধী আচরণকেই কিশোর অপরাধ বলা হয়। শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু কিশোরদের দ্বারা সংগঠিত অপরাধই হলো কিশোর অপরাধ। অপরাধ বিজ্ঞানী বার্ট বলেছেন "কোনো কিশোর কে তখনই অপরাধী মনে করতে হবে যখন তাঁর অসামাজিক কাজ বা অপরাধের জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে"।কিশোর কিশোরীরা সাধারণত আবেগের বশবর্তী হয়ে কিংবা পরিবেশ পরি...

গল্প ।। ঠগ ।। স্তুতি সরকার

   ঠগ স্তুতি সরকার              মিষ্টভাষী ধীর স্থির সুনীল বাবু যেখানে যান খুব জমিয়ে দেন আসর। আশেপাশে অনেক তোসামোদকারী স্তাবক জুটে যায়, এতো ওনার জনপ্রিয়তা। মাত্র কিছুদিন হলো এসেছেন এ পাড়ায় ভাড়াটে হিসাবে, বাবুদের বাড়ীর একতলার এঁদো একটাএক বেডরুমের ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে। অবশ্য একখানা বেডরুমের ঘর বলতে একখানাই শুধু ঘর নয়। ফাউ হিসাবে আছে দু'দিকে দুটো বারান্দা, একটা ছোট বসবার ঘর, রান্নাঘরের সঙ্গে লাগোয়া একচিলতে ডাইনিং রুম, বাথরুম পাইখানা সমেত কম্প্যাক্ট একটা ফ্ল্যাট। তবে বড়ো স্যাঁতস্যাঁতে ফ্ল্যাটটা। কী যেনো একটা ব্যবসা করেন তিনি। এহেন সুলীল বাবুর  পিছনেও আইবুড়ো মেয়েদের বাবা মা রা ফেউ লেগে গেলেন।কারণ তিনি আইবুড়ো। প্রত্যেক আইবুড়ো মেয়ের বাবা মা চাইছেন নিজের মেয়েটিকেগচাতে। আর কি আশ্চর্য, পাড়াতে এতো আইবুড়ো মেয়েও আছে! যাদের নিজেদের মেয়ে নেই, তাদেরও তুতো বোন, বোনঝি, ভাইঝির উত্পাত লেগেই রইলো। সুনীল বাবুর ডিমান্ড তো বেড়েই চলেছে পাত্র হিসেবে। বয়স অবশ্য একটু বেশীই হয়তো। সময়ে বিয়ে হলে চার ছেলের বাপ হয়ে যেতেন...

ছড়া ।। রেলের গাড়ি ।। শীলা সোম

রেলের গাড়ি শীলা সোম কু ঝিক্‌ ঝিক্‌ রেল গাড়ি, দেয় ছুট দূরের পানে, হাওয়ার বেগে যাচ্ছে জোরে, থামছে শুধু ইস্টিশানে। গাছ পালা সব মত্ত হয়ে, চলছে ছুটে, তারই সাথে, মাঠ ভরা ধান, পুকুর, নদী, সব যেন এক খেলায় মাতে। নামছে কেউ, উঠছে কেউ, রয়েছে কেউ ঠায় দাঁড়িয়ে, গান গেয়ে কেউ ভিক্ষা করে, হারমোনিয়াম গলায় নিয়ে। হকাররা সব চেঁচায় সুরে, কত রকম যে তাদের ঢং, ছাই মেখে তীর-ধনুক হাতে, সাজে আবার কেমন সঙ। ঝাঁট দিয়ে সব করছে জড়ো, ট্রেনের ভিতর নোংরা যত, খুঁটে খুঁটেই খাচ্ছে খাবার, উচ্ছিষ্ট যা মনের মত। পালিশ বলে যাচ্ছে ডেকে, বেচছে জিনিস রকমারি, কাঁদছে জোরে, ছেলে যে কার, বসার জন্য হুড়োহুড়ি। ভাব জমিয়ে নিয়েছে কেউ, যেন কত কালের চেনা, তাস খেলছে আপন মনে, নিত্যযাত্রী তারা ক'জনা। তাদের নিয়ে ছুটছে গাড়ি, আলসেমি নেই কক্ষনো,  সময় ধরে কাজ করে সে, নিয়ম মেনে চলছে জেনো।

ছড়া ।। এসেছে শীতের বেলা ।। বদ্রীনাথ পাল

  এসেছে শীতের বেলা বদ্রীনাথ পাল বসিয়ে গাঁদার মেলা- এসেছে শীতের বেলা। হলুদে দিচ্ছে শোভা- সর্ষেও মনোলোভা। খসে যায় শুকনো পাতা- ভরা মাঠ শূন্য খাঁ খাঁ। নলেনের সুবাস ভাসে- উত্তুরে ওই বাতাসে। মা'র হাতে তৈরী পিঠে- সে যে ভাই বড্ড মিঠে। সারাদিন মাতামাতি- মেলা আর চড়ুইভাতি। কুয়াশার চাদর মুড়ি- ডেকে যায় শীতের বুড়ি। "ঢাকা খোল্ সকাল হলো" তা কি হয়, তোমরা বলো ?   -------------------------------    বদ্রীনাথ পাল বাবিরডি, পোস্ট-গৌরাংডি, জেলা-পুরুলিয়া।

ছড়া ।। ফুটবলের রাজপুত্র ।। আনন্দ বক্সী 

ফুটবলের রাজপুত্র  আনন্দ বক্সী  ফুটবল ছিল ধ্যান-জ্ঞান ফুটবল ছিল প্রাণ  ফুটবলের সঙ্গে ছিল তাঁর যে নাড়ীর টান। তাঁর খেলাতে সৃষ্টি হতো তীব্র আকর্ষণ  ফুটবল-শৈলীতে তাঁর ভরতো সবার মন। তাঁর খেলাতে সারা বিশ্ব হয়েছিল একসূত্র  মারাদোনা নামটা যে তাঁর ফুটবল-রাজপুত্র।  আর্জেন্টিনাবাসী তিনি ফুটবল-জাদুকর ফুটবল-দক্ষতায় তিনি বিশ্ব করেন ঘর। ছুতোর মিস্ত্রি পিতা তাঁর দরিদ্র পরিবার। আট ভাইবোন নিয়ে ছিল কষ্টের সংসার।  অনটনের সঙ্গে সদা করতে হতো লড়াই  স্কুলে ভর্তি হলেও তাঁকে ছাড়তে হলো পড়াই। ফুটবলকেই তিনি শেষে ধরলেন যে আঁকড়ে  বদলে গেল জীবন তাঁর নিলো এমন বাঁক রে। পড়ে গেলেন এমন চোখে দেখতে হলো না ফিরে জুহুরীর চোখ চিনে নিলো যে এক আসল হীরে। ক্লাব কিম্বা দেশের হয়ে মাতিয়ে দিলেন খেলে  তাঁর খেলাতে মুগ্ধ হলো প্লাতিনি থেকে পেলে। বার্সালোনা-নাপোলিতে খেলেন তিনি চুটিয়ে ক্লাব-তাঁবু সাজিয়ে দিলেন ট্রফির ফুল ফুটিয়ে। ছিয়াশির বিশ্বকাপের তিনি একক নায়ক প্রতিযোগিতা-সেরার ট্রফি তারই পরিচায়ক। চার-পাঁচজন মিলে তাঁকে ধরলো যতই ঘিরে তবুও তিনি দিলেন পাস সেই রক্ষণ চিরে। তাঁর খেলা...

কবিতা ।। আত্মদণ্ডে নিমগ্ন বালিকা ।। রুদ্র সুশান্ত

  আত্মদণ্ডে নিমগ্ন বালিকা রুদ্র সুশান্ত যে অঙ্গে যৌবন উথলায় বালিকার মার্কিন থলির কাছে-  নিজদ্রোহী বালিকাদের আদৌ সে খবর আছে ! মনের মৈথুনে ঘর পার হতে দিন চলে যায় যার  ষোড়শীর স্তনে থমকে গেছে জীবন, নিশ্চল প্রেমিকার। মনে মনে চলে স্বদলদ্রোহিতা, দেহ শয়নে সঙ্গমে বর্ধিষ্ণু ঊর্ধ্বগামী মিলনের দোলনা, চিৎকার করে কামে। চোখে মুখে লেশ নেই, মনে নির্বোধ রতি- প্রকৃতি জাগে, না না করে ইতি। নিশির নিদ্রা ভাঙ্গে, আলিঙ্গনের সুখ মনে জাগে খুব-  পাঁচ থেকে সাত - এই দণ্ডে ক্লান্ত হয় বিষুব।  মন জাগে দেহ জাগে - খুলে দাঁড়ায় দুয়ার চাষার আহবানে নিতান্ত আসে যদি জোয়ার। ============ রুদ্র সুশান্ত বালুঘাট, ঢাকা।

কবিতা ।। জেতার আসক্তি ।। দেবযানী পাল

  জেতার আসক্তি দেবযানী পাল সব সরে যাও ভুঁইফোড় সস্তা দুঃখ যাকিছু পথের কাঁটা উপড়ে ফেলে সামনে তাকাই ফিকে রঙে লাগছে নতুন ছোঁয়া ধীরে ধীরে এবার রাঙা পা ফেলি আগামীর পিছু পিছু। দেখো, ওই কাঠবেড়ালি ঘুরছে কেমন গাছে গাছে ওরাই ধন্য পৃথিবীর প্রকৃতিতে, মগ্ন আপনিতে খেলে বেড়ায় সরল মনে,জটিলতা শূন্য হয়ে সহজ কত ওদের জীবন, দুঃখের না আড়াল আছে। জানা নেই আগামীর সুখ কোন্ বেড়াজালে শুয়ে অতীত থেকে লম্বা পথে অনেকটা সময়ের চিরকুট শুকনো ক্ষেতে শস্য ভরে আছে সোনালী রঙ নিয়ে এমনটা তো হতেই পারে, ভরা স্বপ্নের ধান রুয়ে । নীড়ভাঙা ক্লান্ত পাখি চেয়ে থাকে আকাশের কোণে প্রশ্ন আছে,তবু ভাষা যেন পায় না স্থবির মুখখানি নির্বাক ইতিহাস গড়ে দিগন্ত জুড়ে নির্লিপ্ততা উচ্ছল পৃথিবীর গলায় সেই নতুনের ডাক শোনে। হারতে চাইনা একটুও, তীব্র আসক্তি জেতায় খুঁড়ে চলেছি বালিয়াড়ি দিনরাত নির্লজ্জতায় এত চেষ্টা দমিয়ে রাখা মুঠো জোনাকী আশায় চাহিদার সম্মানটুকু সঞ্চিত ভরে আছে যেথায়। নতুনের আগামীতে ভরে যাবে শেষ ইচ্ছের কথা সুস্থ জীবনের দিকে চাইবো দূর নিহারিকা পথে স্বপ্ন মেদুর উজ্জ্বল সুদূর আনন্দের বার্তা দেবে ইতিহাস বাঁচুক সারমর্মে - ...

কবিতা ।। অন্বেষণে ।। অঙ্কিতা মজুমদার

  অন্বেষণে  অঙ্কিতা মজুমদার একটা জীবনমুখী গল্পগাথা, সেই গল্পের পাতা খুলে পড়েছিল এক ঝাপসা রাত্রির কাঁচে। ছেলেটি, ছুটতে.... ছুটতে.... কলকাতা,বরানগর,হাওড়ার - ওলিতে - গলিতে, প্রত্যহ নিয়ন্ত্রণ পায় চোখ থামা অশ্রুর। হাত ভর্তি জ্ঞানের সার্টিফিকেট আর ঝোলা ভর্তি বই, সব ছড়ানো ওর মণিকোঠায়.... দুশ্চিন্তা,সংসার,দায়িত্ব। দুঃখের কালরাত্রি তাকে ডেকে আনে সম্মুখে; বেসামাল পদচিহ্ন,ক্লান্তি জড়ানো দেহ করে তোলে এক নিরেট পাথরের স্তূপ। নির্বিকার প্রতিবাদ দীর্ঘশ্ব‌াসে সাড়া ফেলে, অগ্নুৎপাতে বেরিয়ে আসে জ্ঞানের দেহাবশেষ। জ্বলতে থাকে দাউ দাউ আগুনে; তখনও খুঁজে ফেরে.... একটা কাজের ঠিকানা।।   =================  অঙ্কিতা মজুমদার গ্রাম +পোস্ট - চকদিঘী পিন -৭১৩৪০৪

ছড়া ।।  বই পড়ো জীবন গড়ো ।। রঞ্জন কুমার মণ্ডল

 বই পড়ো জীবন গড়ো রঞ্জন কুমার মণ্ডল করো কেন হই চই সবে মিলে পড়ো বই । জীবন কে দেয় গড়ে বড়ো হও বই পড়ে। বই পড়ো খুশি মনে ভালো বই জেনে শুনে। সাথী হলে ভালো বই বড়ো হ'বার পাবে মই। বই পড়ো ফল পাবে জ্ঞান চক্ষু খুলে যাবে। বই চোখে আনে আলো ঘুচে যায় যত কালো। জ্ঞানী গুণী জন যারা বই পড়ে লেখে তারা। ধ্যান হলে বই পড়া হবে শুরু জীবন গড়া। বই পড়ো পাবে দিশা পূর্ণ হবে মনো আশা। বই ছাড়া গতি নাই সদা বই পড়ো তাই। ============== রঞ্জন কুমার মণ্ডল সারাঙ্গাবাদ,মহেশতলা ওয়ার্ড নং-৩৫(মহেশতলা) জেলা -দক্ষিন ২৪ পরগণা।

কবিতা ।। সময়কে ভালোবাসি ।। পূজা সিংহ রায়

  সময়কে ভালোবাসি   পূজা সিংহ রায় হয়তো আমার মধ্যে অনেক খামতি, এই কমতি দিয়েই সন্তুষ্টির নীড় গড়ে পূর্ণতার মহোৎসব করি। অন্ধকারে আর ভয় পাই না, জোনাকিরা যে একলা ছাড়ে না। বস্তুগত অধিকত্বের চাওয়া পাওয়া গুলো কে পুঁটলিতে পুরে হারিয়ে দিয়েছি। অন্ধকার ঘরে খুঁজতে থাকা অজানা প্রশ্নোত্তরের উপর আলোকপাত করে, সময় কত অজানা সমীকরণের সমাধান পথ জানিয়ে দেয়। সময়ই প্রতি রাতে শান্তির অ্যারোমায় ঘুম পাড়িয়ে দেয়, সময়কেই ভালোবেসেছি, নিরবচ্ছিন্ন সঙ্গী সবার। কানে কানে আশ্বাস ও মন্ত্রণা দিয়ে যায় শান্ত থেকে সময়ের স্রোতে ভেসে চলার। খেয়া কোন তীরে নোঙর বাঁধবে, তা নাকি সময় জানে। রক্ষাকর্তা হয়ে দায়িত্ব নিয়েছে, ডুবতে দেবে না কোনো এলোপাতাড়ি বানে। বেশ তো তবে সে পথেই ভাসুক তরী, গন্তব্যস্থলে যাত্রাপথের বৈচিত্র্যময় দৃশ্য গুলো উপভোগ করি। তুমি এই খেয়া নীড়ে আসলে তোমারও হয়তো ভালো লাগতো, নীরবতা তুমিও তো বেশ পছন্দ করো। আর আতিথেয়তা, যত্ন আত্তি.. তুমি তো আমার বর্ণমালার সবটা জানো।  =============== পূজা সিংহ রায় বোলপুর, বীরভূম 

কবিতা ।। স্বার্থ ।। অশোক দাশ

স্বার্থ অশোক দাশ স্বার্থের পৃথিবীতে বহুরূপী বদলায় রং ঔদ্ধত্য অহং প্রকট, বৃহতের আস্ফালন ক্ষুদ্র পদানত। স্বার্থের স্বপ্নে বিভেদ বিস্ফোরণ বিভেদ ভাঙ্গে ঐক্য  লোভের যুপকাষ্ঠে অকাল বলিদান, ভালোবাসা ঘৃণ্য  পণ্য মান- সম্মান। ভোগের স্বার্থে মেকি ভালোবাসা ভালোবাসায় শকুনের লোলুপদৃষ্টি                      নেই অমৃত সুধা বৃষ্টি। যৌবন মুঠোফোনের নেশায় মত্ত বাঁচার এখন একমাত্র স্বত্ত্ব। ভাবনায় আনো নতুন কৃষ্টি যাক রসাতলে অমূল্য সৃষ্টি। স্বার্থের দাসত্বে বন্দী ফেরারি মন সরল অংক জটিল জ্যামিতিক প্যাঁচে আবদ্ধ। ভাঙো  দেশ ভাঙো প্রদেশ দ্বন্দ্ব সংঘাতে চূর্ণ বিচূর্ণ হোক মানুষের সহজাত  প্রবৃত্তি স্নেহ -প্রেম -মায়া -মমতা। সুনাম -অর্থ -যশ -ভোগ- ত্যাগ  সবেতেই লুকিয়ে আছে স্বার্থ। নিঃস্বার্থ শুধু আভিধানিক শব্দ অলঙ্কার।   ==============    অশোক দাশ ভোজান, রসপুর ,হাওড়া।।

কবিতা ।। বিষণ্ণ সন্ধ্যায় ।। প্রবোধ কুমার মৃধা

  বিষণ্ণ সন্ধ্যায়  প্রবোধ কুমার মৃধা ছায়া-ঘন পল্লী 'পরে  সন্ধ্যা নামিছে ধীরে -             দিকে দিকে বেজে ওঠে শাঁখ । রাত-চরা পশু পাখি হেথা-হোথা দেয় উঁকি-             ঝোপে-ঝাড়ে জোনাকির ঝাঁক । পশ্চিম দিগন্তু -ভালে সহসা উঠিল জ্বলে-               সাঁঝের -প্রদীপ সন্ধ্যাতারা । ত্বরিতে চরণ ফেলে গৃহপানে ফিরে চলে -               দূরের পথিক ছিল যারা । গোঠে ফিরে এল ধেনু উড়ায়ে পথের রেণু-               কুলায়ে ফিরিল পক্ষীকুল । ফিরিল না মা যে আর বুকে বাজে হাহাকার-               বারে বারে হয়ে যায় ভুল ।   ================= প্রবোধ কুমার মৃধা, গাববেড়িয়া, পোঃ ঢোষা‌, জয়নগর‌, দঃ ২৪ পরগণা  

কবিতা ।। মিথ্যে শহর ও অকৃত্রিম হাসি ।। রাজাদিত্য

  মিথ্যে শহর ও অকৃত্রিম হাসি রাজাদিত্য   হারিয়ে যাওয়া ছোটবেলার মতোই, হারিয়ে গেছে অম্লান হাসি ,  মেঘ জমেছে বুকের ভিতর অন্তর হয়েছে ক্ষয়িষ্ণু ,  তবু দিনের শেষে চাই একটু বাতাস, বাঙালির আড্ডা আর, ঠোঁটের কোণে বক্রতা ।  নেশা লাগুক অকৃত্রিম ছোঁয়ায় ,  গালের গোটায় ফুঁটুক ভালোবাসা ।  মিথ্যেমাখা রক্ত খেকো শহর, লুকিয়ে দেখুক মুক্ত হাসির, প্রাণখোলা স্নিগ্ধতা ...

কবিতা ।। সর্বহারার স্বার্থ চুরি ।। হারান চন্দ্র মিস্ত্রী

সর্বহারার স্বার্থ চুরি     হারান চন্দ্র মিস্ত্রী                ভানুমতীর খেলা চলছে জগৎ জুড়ে।   একই লোক একই পথে যায়-আসে অনন্তর  যন্ত্রের মতো।   নেই তার অগ্র-পশ্চাতগতি।   তাদের সমগতিতে চলতেই হবে   এক শ্রেণীর মানুষের অভিলাষ পূরণের জন্যে।   তাদের সুখের দায়ভার নিরন্ন মনুষের হাতে।  এদের বিশ্রামের সুযোগ থাকতে নেই-  থাকে নাও।   এরা সর্বহারা বলে পরিচিত জগতে।   স্বার্থ চুরি করে ওরা অর্থের পাহাড় গড়ে, ওরা সম্মান পায় পীরের মতন।   দেশটা তাদের হাতে পড়ে সংকটাপন্ন।  লোভ আর স্বার্থের টানে   তলানিতে এসে ঠেকেছে বিপন্ন মানবতা।   হানাহানি আর টানাটানি করে   ছিনিয়ে নিয়েছে সর্বহারার স্বার্থ।   আম খেয়ে আঁটিও চুষে ছেড়ে দেয় এরা- পীপিলীকাও অভুক্ত থাকে।     সর্বহারার সুখ চুরি করে স্বার্থচোরের উদরপূর্তি হয়। __________     হারান চন্দ্র মিস্ত্রী গ্রাম ও পো- আমতলা, থানা-ক্যানিং, জেলা-দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্...

কবিতা ।। গাঁয়ের উপকণ্ঠে ।। গোপা সোম

  গাঁয়ের উপকণ্ঠে গোপা সোম যাচ্ছে দেখা দূরে ওই, ছোট্ট এক খানি গাঁ,  স্বল্প পরিসরে জমি, নিয়ে কয়েক বিঘা। গাঁয়ের উপকণ্ঠে আছে বিশাল পুষ্করিণী, গাঁয়ের যত মানুষ, সবে, তার কাছে ঋণী। ঘাট গুলি বাঁধানো , সুন্দর তার সোপান, শান্ত জলে মুগ্ধ, পাই গভীর এক টান। স্বচ্ছ, পরিষ্কার জল তার, করে টলটল, তরঙ্গায়িত জলস্তর, বাতাস পরিমল।   সেই পুষ্করিণীতে হয় হরেক মাছের চাষ, এছাড়া, কিছু জলজ প্রাণীর আছে এতে বাস।  সাঁতার কাটে কাতলা, মৃগেল, জলে তরতাজা শোল আছে, রুই মাছ আছে, মাছেদেরই রাজা। ছিপ নিয়ে মাছ ধরে কেউ, সারা দিনমান ধরে, টোপ বানায় মাছের তরে, অনেক যতন করে। মাঝে মধ্যেই জেলেরা, পুকুরে ফেলে জাল,  টাটকা তাজা মাছগুলি, হয় যে নাকাল। গাঁয়ের মানুষ, সুলভে পায় পুষ্টির উপাদান, বাড়তি মাছ গুলি সকল বাজারে হয় চালান। স্নান করা, বাসন মাজা, নিষেধ আছে সেথা, গ্রামবাসীরা পালন করে সাধ্যমত যথা।  মাঝে মাঝে মাছরাঙা পাখি দেয় জলে ডুব, মাছ মুখে নিয়ে উঠে আসে, আনন্দিত খুব। বক ধার্মিক, আশায় থাকে, মাছের প্রতীক্ষায়, মাছের দেখা মিললে পরে, ছোঁ মেরে নিয়ে যায়। পুষ্করিণী ঐ গাঁয়ের মানুষের অনেক আশা-ভরসা, শান্ত, সুনিবিড় ছায়া...

ছড়া ।। মানবতার গান ।। খগপতি বন্দ্যোপাধ্যায়

  মানবতার গান খগপতি বন্দ্যোপাধ্যায় ঋতুচক্রের আবর্তনে  শীত এসেছে ভাই, গরীব দুখীর কষ্ট ভীষণ  গরম পোশাক নাই । রবির কিরণ গায়ে মেখে  কাটে সারাদিন, সন্ধ্যা বেলায় কাঁপা শুধুই  কুটোর কাছে ঋণ । খড়কুটোতে আগুন জ্বালায়  শরীরে নেয় তাপ, গরীব ঘরে জন্ম নেওয়া  তাদের কোথায় পাপ? খিদের জ্বালা সাথী তাদের দোসর হলো শীত, এই ছবিটা গাঁ শহরে  নড়ায় না কি ভিত? পারবে যাঁরা এসো না ভাই  করো বস্ত্রদান, সবাই মিলে একসুরে গাই  মানবতার গান ।   ============ খগপতি বন্দ্যোপাধ্যায় বাঁকুড়া ,পশ্চিমবঙ্গ ,ভারত 

ছড়া ।। শীতের ছুটিতে ।। দীপক পাল

    শীতের ছুটিতে        দীপক পাল   সন্ধ্যে থেকেই বাবু সোনা মন দিয়েছে পড়ার   পণ করেছে আজ রাতেই হোমটাস্কটা শেষ করার।   কাল শনিবার পরশু রবি দুদিনেই স্কুল ছুটি,   সোনামনির আসার কথা কালকে মোটামুটি।   পিসেমশাই বলেছিলেন কাল দেখাবেন সার্কাস   শীতের দুপুর জমবে ভারী সিংহ হলে প্রকাশ।   সোনামনির পাশে বসে ক্লাউন দেখতে মজা   হাসতে হাসতে সবার মন যে হবেরে তরতাজা।   সোনারা যেই অবাক হবে ট্রাপিজের খেল দেখতে   কেক মিষ্টি দেবেন রে মা ওই সোনাদের হস্তে   সবার শেষে ভয় লাগে ভাই বাঘ সিংহের খেলায়   বাবা বলেন ভয় নেই রে ফিরবে ওরা খাঁচায়।   চায়ে চুমুক দিয়ে বাবা হাঁকেন ' বাবু সোনামনি '   চিড়িয়াখানায় যাবোরে কাল শোন তবে এক্ষুনি।   আনন্দেতে নেচে ওঠে বাবু  সোনা মণি,   তাইনা দেখে হেসে ওঠেন মা আর পিশিমনি।   এক শিম্পাঞ্জি ডিগবাজি খায় আর একজনা গাছে   কখনো সে সিগার ধরায় চেয়ে কারও কাছে।   ঘুরে দেখে জেব্রা জিরাফ সাদা বাঘের খাঁচায়,   বোঁটকা গন্ধে টেকা যে দায় তারাতা...

কবিতা ।। আমার একজন লোক চাই ।। সাইফুল ইসলাম

  আমার একজন লোক চাই সাইফুল ইসলাম  আমার একজন লোক চাই এমন মানুষ কোথায় পাই? যে আমারে কথায় কথায় হাসি ভুলিয়ে কেবল কাঁদায়। চোখের জলে নদী হয়ে কুলুকুলু যাবে বয়ে। লাগায় আগুন মনের বনে ধিকিধিকি জ্বলে ক্ষণে।  রক্ত-মাংসের শরীরখানা ছিন্নভিন্ন সবার জানা। যে জন আমায় অহোরাত্র  জ্বালায় পোড়ায় স্বর্ণগাত্র। গ্রাম-শহরে খুঁজি তারে মাঠে-ঘাটে ঝোপে ঝাড়ে। বলো না তারে কোথায় পাই আমার একটি কবিতা চাই। দূঃখ ব্যথা থাকলে পাশে কবিতা আসে অনায়াসে। ----------------------------     সাইফুল ইসলাম  গ্রাম-বর্দ্ধনপাড়া ডাকঘর-পঞ্চহর  জেলা-বীরভূম  পিন-৭৩১২২১ 

ছড়া ।। রঞ্জনদা ।। দিলীপ কুমার মধু

  রঞ্জনদা দিলীপ কুমার মধু আমার পাড়ার রঞ্জনদা সুখরঞ্জন নাম বৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ তার সকল কাম, নারকেল গাছের মাথায় উঠে ডাব থেকে জল খায়  ফুটো  ফাটা হয়না তবু ডাব , ডাবের জায়গা রয়, ভরা বর্ষায় হেঁটে বেড়ায় জল লাগে না গায়ে ছাতা মাথায় নেইকো তবু জল লাগেনা পায়ে, আজগুবি সব গল্প শোনায় মানতে পারা দায় যে শুনবে সে বলবে হায়, রামরাম হায় ! হঠাৎ হঠাৎ বুদ্ধি এসে মাথায় হাজির হয় বললে বলে- হয়তো ভাই মাথার C.P.Uতে রয়, এমন বানিয়ে এমন গুছিয়ে কল্প গল্প বলবে রঞ্জনদা জিও জিও এটা, অনন্তকাল চলবে।   ------   দিলীপ কুমার মধু, মেমারি, পূর্ব বর্ধমান। 

কবিতা ।। নাড়ুগোপাল ।। সবুজ জানা

  নাড়ুগোপাল সবুজ জানা নাড়ুগোপাল! হেয়ালিটা কানাকানি তা বিলক্ষণ আমি জানি। আমার জীবনীটা পড়। ডিজিটাল প্রতিবাদ ও তোতাকাহিনি। আমার ফেয়ারীটেল মুভমেন্ট পাড়ার মোড়ের চায়ের ঠেকে নেহাত না'হয় হাঁটতে রাজি নিরাপদ দূরত্ব রেখে  শেয়ালের সুরে স্লোগান তুলি ভীড় ঘ‍্যাঁষে হুক্কাহুয়া  চললে গুলি তোমার রক্ত আনুক স্বাধীনতা পূণ্যতোয়া... যদি এই নাড়ু শেয়ানের কথাই অনুসরণীয় ধরো  অযথা এই বলিদান কিংবা রাজপথ থেকে জেলভরো  তার চেয়ে এঁদোগলির অন্ধকারে গাঢাকতে বেশ রাজি ভাবতে পার তোমরা হাড়হাভাতে, বজ্জাত কিংবা পাজি! আবার কোনো সার্ভেকার, সুযোগ বুঝে উঁকি দেবো সেলুলারের ফলক ঘেঁটে-'ঘ' নিজের নামটা লিখিয়ে নেবো।                                                                              ============== সবুজ জানা পাঁশকুড়া পূর্বমেদিনীপুর

কবিতা ।। দহন ।। পশুপতি দত্ত 

      দহন   পশুপতি দত্ত  স্মৃতির অতলে ডুব দিয়ে দেখি কত যে রঙিন স্বপ্ন, সজীব যেন সবই আজ তাতে মন হতে চাই মগ্ন। কত ছিল সুখ, ছিল কত আশা ছিল না তার কোন পরিভাষা, উচ্ছ্বাসে প্রাণ ভাসিত জোয়ারে সৃষ্টিতে ছিল নব আশা। দিবারাতি সে তো আসিত স্বপনে সব হেরে আজ পুড়ছি দহনে, তার বিরহে বুক ফেটে যায় সে তো আজ কারও মননে।   ===================    Pasupati Dutta Vill - Bonbiddi (Asansol) P.O - Basudevpur -Jemari P.S - Salanpur,  Dist - Paschim Bardhaman,  PIN - 713335.

কবিতা ।। ইচ্ছের মৃত্যু ।। মেশকাতুন নাহার

  ইচ্ছের মৃত্যু  মেশকাতুন নাহার প্রতিদিন কত ইচ্ছেরা নীল প্রজাপতির মতো পাখা মেলে উড়ে বেড়ায়, ফুলে ফুলে গাছে গাছে,পুলকিত হয়ে আবেশ ছড়ায়।  প্রস্ফুটিত হওয়ার আগেই কলি টা কখনো ঝরে যায়!  ইচ্ছে গুলোর মৃত্যু হয় প্রতিনিয়ত নানান প্রতিকূলতায়  পিষ্ট আহত প্রজাপতি মন কখনো তাঁর ডানা হারায়! স্বাধীন ভাবে উড়ে চলার  ইচ্ছে গুলো দূর অজানায় অদৃশ্যে গিয়ে মিলায়। কখনো ইচ্ছে করে গিরির পথ বেয়ে হারিয়ে যাই ঐ সুদূর নীলিমায়,  মনের অন্তরীক্ষে সপ্তরঙের পাখা মেলে  ইচ্ছেগুলো দোলে হাওয়ায়,  আকস্মিক দুর্বিষহ ঝটিকা বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত হয়ে ইচ্ছে ডানাগুলো খোয়ায়, অভিলাষ গুলো বিবর্ণতায় জরাগ্রস্ত হয় মর্মান্তিক যন্ত্রণায়। হৃদয় উদ্যানে স্বপ্নের বীজ রোপণ করেছি বারেবারে,  অঙ্কুরিত হওয়ার আগেই দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে অজ্ঞাতসারে। সহস্রবার রঙ তুলির আঁচড়ে এঁকেছি ছবি ভাবনার ক্যানভাসে,  সম্মুখে উন্মেষিত হয়নি কখনো অন্তর্ধান হয়েছে দীর্ঘশ্বাসে। পূর্ণিমা রজনীতে কত যে বিনিদ্র কাটিয়েছি শূন্যতা নিয়ে,  স্পৃহা সমূহ ভস্মীভূত হয়েছে যাতনা ভরা প্রদাহের অনল জ্বালিয়ে,  প্রাণচঞ্চল মনকে শান্ত করেছি ইচ্ছ...

কবিতা ।। অনুভবে পাই ।। মীরা রায়

  অনুভবে পাই মীরা রায় সব কিছু দেখে বুঝা যায় না অনুভবে পাওয়া যায় যেমন শীত গ্রীষ্ম বর্ষা দেখা যায় না অনুভবে ও বুঝায়। দুঃখ ক্ষোভ কষ্ট নিজের অনুভূতি একান্ত ই নিজের কাউকে বলার দরকার পড়ে না নেই কোনো খোঁজের। ভালোবাসা সে ও তো অনুভূতি সুখ ও তাই সবকিছু ই অনুভব, অনুভূতি ওতেই সব পাই। শোক তাপ, রোগ, ব্যথা  সবই অনুভূতির ব্যাপার শান্তি অশান্তি তাও নিজের মধ্যে থাকে সবার।   ========= মীরা রায় আঁকড়ি, শ্রীরামপুর, পুরশুড়া, হুগলি।

কবিতা ।। ভালোবাসি বলে দিও ।। বলরাম বিশ্বাস

  ভালোবাসি বলে দিও বলরাম বিশ্বাস তুমি ক‍্যামন আইছো জানিনাই তবু এচিঠি তুমার আগমণী বার্তার দুত পাশবালিশে মুখলুকাইয়া কাঁদলাম মন ঘামের ঘনত্ব কমিগেচে একন একনজর তাকাইয়া ভুরু দিলে মুড়ে দুপুরে দুঃখ আসে হাতকতক ঘুরে আচ লেগেচে তাই শীত গেচি ভুলে অভ‍্যন্তর কাঁদচে কতক খেয়েচি গোলামাটি গুলে। হাসচে চোখ কাঁদচে মন তুমি আচ সেআগের মতন? এসো সব ভুলে। জট বেধেচে চুলে। চাড়িয়ে দাও হাত।। ভালোবাসা হবে কাচাকাচি শুলে।।। গরীবের ভালোবাসা ফিরিয়ে দেবে জানি তবু পাটালাম এ দুত তুমি থেকে কারো মনে যুত আমি এবার হব অদ্ভুত।।।।

বিধিবদ্ধ স্বীকার্য :

লেখার বক্তব্যের দায়িত্ব লেখকের, পত্রিকার নয়। আমরা বহু মতের প্রকাশক মাত্র।

সাম্প্রতিক বাছাই

কবিতাঃ চন্দন ঘোষ

এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল  তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র!   কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও  বোধহয় যে...

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

কবিতা ।। স্রষ্টা ।। বৈশাখী রায়

  স্রষ্টা   বৈশাখী রায় তাদের খুঁজছি, খুঁজেই চলেছি... মস্তিষ্কের গভীর-গোপন কোণগুলিতে। তবুও প্রকাশ্যে আসেনি তারা, শব্দের ভিড় নামেনি হাতে। চাহিদার প্রাচুর্য! সংখ্যা বাড়ছে খুব... আমি স্রষ্টা, রচনাই আমার আরাধনা, সৃষ্টি সাধনা জলাঞ্জলি যাক! জবরদস্তি প্রতিযোগিতায় নামা। মনের ভাব প্রকাশ পায় না, তবুও লেখার স্বাধীনতা।  অর্থ মিলুক ছাই না মিলুক , কঠিন তবু শব্দ খোঁজা।  কলমে তারা ধরা না দিলে, মস্তিষ্ক শব্দ ধার করে । অনুভূতিরা আপন হয় না, অন্যের অনুভবে অট্টালিকা গড়া। উফ! শব্দ মেলানো কঠিন কাজ, মন এবার শব্দের ছক বাধে। ব্যস্ততা, সময়সীমা, প্রতিযোগিতার জটাজালে, স্বতঃস্ফূর্ততা হাঁপিয়ে ওঠে...।।               ___________       নাম-বৈশাখী রায়  ঠিকানা- ঠাকুরনগর (বণিক পারা) ডাক-ঠাকুরনগর  থানা-গাইঘাটা  পিন-৭৪৩২৮৭

বিজয়ন্ত সরকারের গল্প

// রাস্তার ছেলে মন্টু // গতরাতে যখন অঝোর ধারা... স্বস্তির গন্ধ দালানের মালিকদের উরুভাঁজে-কার্নিশে তখন ভেজা শরীরে বছর নয়ের মন্টু আশ্রয় নিয়েছিল একটা জীর্ণ একচালায়। যার নীচে দাঁড়িয়ে শরীরটা অন্তত একটু কম ভেজে ।  বৃষ্টিস্নাত রাতে এই একটাই সমস্যা মন্টুর । সকালে মবিন মিঞাঁকে দেখেই- - আরে চাচা, গতরাতে যা বৃষ্টি, তোমার এই একচালার নীচেই তো ছিলাম । - কী কইতাসস্ ! এই চালায় যত ফুটা, দিনে বারিষ আইসলে মুই বুঝবার পারিনা জুতা সিলাইয়ের জিনিস রাকপো কই আর মুইবা খাড়াবো কই ! - যাই বল চাচা, ভগবান আমার জন্যই তোমাকে পাঠিয়েছে । তা না হলে খদ্দের তো তেমন আসেনা, তবু ওই কটা পুরানা জুতা-কালি-সুতা নিয়ে বসে থাকো।  - হা হা হা (প্রাণখোলা হাসি) সহী বাত্ বেটা...সহী বাত্ । 'যাই ওদিকে হয়তো চা ফুটছে, পরে এসে নিউজ শোনাব তোমাকে' মন্টু বলতে বলতে ঝটপট্ বেরিয়ে যায়।  দাস টিফিন সেন্টারে কাজ করে মন্টু । সারদিন খেটে নাম মাত্র টাকা পায় আর কখনও কখনও পায় এক বেলার টিফিন । অথচ কথায়, চাল-চলনে, ফুরফুরে-উড়ে বেড়ায় বেশ । (ব্যাগ হাতে এপাড়ার গন্যিমান্যি গগন বাবুর আগমন) - আরে ও মবিন...

পুস্তক-আলোচনা ।। পুস্তক : বেগমপুরের ইতিহাস ।। লেখক : ড. দেবব্রত নস্কর ।। আলোচক: অরবিন্দ পুরকাইত

'বেগমপুরের ইতিহাস' :  অনুসরণযোগ্য জন্মগ্রাম-গাথা — অরবিন্দ পুরকাইত আজন্ম যে স্থানে মানুষের শৈশব-কৈশোর কাটে, যৌবন কাটে, তার স্মৃতি সচরাচর অবিস্মরণীয়। যত নগণ্যই হোক না সে স্থান। প্রত্যক্ষভাবে যদি না-ও হয়, আমরণ ছায়াসঙ্গী যেন তা মানুষের! আমাদের ইতিহাসচেতনা বলবার মতো নয়। একাধিক খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব এ আক্ষেপ করে গেছেন, বঙ্কিমচন্দ্রের কথা তো স্বত-ই মনে আসে। আমরা এমনকি ইতিহাস নিয়ে ভাবি-ই না তেমন করে! মৌখিক পরম্পরা একসময় হারিয়ে যেতে থাকে আগের প্রজন্মের মানুষের একের পর এক প্রস্থানের সঙ্গে সঙ্গে, তার লিখিত বা অন্য রূপ তেমন ধরে রাখতে না পারার কারণে।        কেবল শৈশব-কৈশোর-যৌবনই নয়, জন্মতক দেবব্রত নস্করের প্রায়-সাতদশকজোড়া জীবন নিরবচ্ছিন্নভাবে কেটেছে তাঁর ধাত্রী, পালয়িত্রী বেগমপুরে — দুশো-আড়াইশো বছর আগে বর্তমান উত্তর চব্বিশ পরগনার দাড়া গ্রাম থেকে এসে তাঁদের পূর্বপুরুষদের জঙ্গল হাসিল-করা স্থানেই। জন্মভূমির প্রতি দায়বদ্ধতাস্বরূপ লিখেছেন তিনি তাঁর জন্মগ্রামের কথা। বহু মানুষেরই স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ তাঁদের জন্মভূমির সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। সেই জন্মভূমির প্রতি প্রায়...

ছোটগল্প ।। নীলিমার আত্মজাগরণ ।। পরেশ চন্দ্র মাহাত

নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

উন্মুক্ত পাগলামি ।। আশরাফুল মণ্ডল

উন্মুক্ত পাগলামি আশরাফুল মণ্ডল আহা, অপরূপ নিজস্বতার দাহ! কুঁকড়ে যায় আবহমান, সজনে পাতার বোঁটায়! ভাপওঠা ভাতের কাছে মাছি সত্তায় কী নিপুণ! তবুও ঘোর লাগা বসন্তের ডাক, হাঁকে! খেদিয়ে দেয় পা দোলানো প্রস্তাব, ওই ধুনুরি চোখ! রাংতায় মোড়া ডাকের সাজ, দে দোল দোল! হুইসেল বাজিয়ে কে রুখে দ্যায় সেই নাকছাবির রুদালি কাঁপন! খালবিল ছেঁচে পাঁচসিকের  মানত কুড়িয়ে আনে, বাংলা বাজার। ঠ্যাং নাচানো সুরে চোখ মারছে, দ্যাখো ভ্যানতারা! মুখ খোলা মানেই পাঁজরের স্রোত ভাবা যেন উগরানো টালমাটাল! ঢিল মারা প্রশ্নের রোয়াকে বক্রচোখে যেন মেধাবী কবিতা! মুছে দিও তবে লাজুক গুপ্ত রোগ, দিনরাত্রি! ভালো থেকো তোমরা বাছাধন, রং মাস সে আর কতদিন... ================    ASRAFUL MANDAL Chandidas Avenue, B-zone, Durgapur, Paschim Bardhaman, Pin - 713205,  

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৫

   মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠানো ভালো,  তাতে অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) য...

কবিতা ।। ভাষার জন্য লড়াই ।। চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু

ভাষার জন্য লড়াই চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু মুখের ভাষা বাংলা ভাষা মাকে ডাকি মা, সারা বিশ্বে তোমার মাগো নেই তো তুলনা। তোমার মুখের প্রথম ভাষা আমার মনের সকল আশা তোমার ভাষায় বলবো মাগো আমার মনের কথা, এই ভাষাতেই জড়িয়ে আছে সকল স্বাধীনতা।  এই ভাষাকে আনতে গিয়ে তাজা বুকের রক্ত দিয়ে রাজপথে সব লড়াই হলো করলো লড়াই কারা, আমার মায়ের দামাল ছেলে রক্ত পলাশ যারা।  তোমার ছেলে লড়াই করে আনলো ভাষা ঘরে ঘরে সেদিন থেকে শহীদ মিনার সাজাই ফুলে ফুলে, বীর শহীদের ত্যাগের কথা যাইনি আজও ভুলে।    ++++++++++++++++++++++++++++++++    চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু শহীদ আবুল কাশেম সড়ক, বড় বাজার, চুয়াডাঙ্গা, বাংলাদেশ।

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

বছরের বাছাই

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

সূচিপত্র ।। ৮৯তম সংখ্যা ।। শ্রাবণ ১৪৩২ জুলাই ২০২৫

সূচিপত্র   প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান প্রবন্ধ ।। শ্রমিকের অধিকার ।। চন্দন দাশগুপ্ত প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস কবিতা ।। মশালের রং তুলি ।। তূণীর আচার্য কবিতা ।। জললিপি ।। রূপক চট্টোপাধ্যায় গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম নিবন্ধ ।। পূনর্জন্ম ।। শংকর ব্রহ্ম মুক্তভাবনা ।। কোলাহল তো বারণ হলো ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত গল্প ।। গানের হাড় ।। শুভজিৎ দত্তগুপ্ত গল্প ।। শিকড়ের খোঁজে ।। সমীর কুমার দত্ত সুপ্রভাত মেট্যার পাঁচটি কবিতা গ্রন্থ-আলোচনা ।। আবদুস সালামের কাব্যগ্রন্থ 'অলীক রঙের বিশ্বাস'।। তৈমুর খান অণুগল্প ।। হরিবোল বুড়ো ।। সুমিত মোদক রম্যরচনা ।। গোয়েন্দা গোলাপচন্দ আর প্রেমের ভুল ঠিকানা ।। রাজদীপ মজুমদার দুটি গল্প ।। মুহাম্মদ ফজলুল হক দুটি কবিতা ।। তীর্থঙ্কর সুমিত কবিতা ।। মেঘমুক্তি ।। বন্দনা পাত্র কবিতা ।। ব্যবচ্ছিন্ন শরীর ।। কৌশিক চক্রবর্ত্তী কবিতা ।। শমনচিহ্ন ।। দীপঙ্কর সরকার কবিতা ।। ভালোবাসার দাগ ।। জয়শ্রী ব্যানার্জী কবিতা ।। ফণীমনসা ।। বিবেকানন্দ নস্কর ছড়া ।। আজও যদি ।। বদ্রীন...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৮৭তম সংখ্যা ।। জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ মে ২০২৫

  প্রচ্ছদ চিত্র: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সূচিপত্র রবীন্দ্রনাথ এবং কয়েকজন নারী ।। অনিন্দ্য পাল পরাবাস্তববাদ ও বাংলায় জীবনানন্দের কাব্যচর্চা ।। রণেশ রায় প্রতীক্ষা ।। চন্দন দাশগুপ্ত আশ্রয় ।। সায়নী সাহা বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্র ।। দেবাংশু সরকার প্রণামের প্রভু ।। সুপ্রভাত মেট্যা দুর্ভাগ্যের সম্মুখ সমরে ।। সমীর কুমার দত্ত আচমকা শরৎ ।। অর্ণব সামন্ত প্রতিধ্বনি ✍️ সুবীর কুমার ঘোষ জীবন যেখানে যেমন ।। আরজু মুন জারিন বছর সীমান্তে হিসেব নিকেশ ।। রানা জামান চারটি কবিতা ।। বিবেকানন্দ নস্কর আমরা আছি ।। লালন চাঁদ চাওয়া ।। মাথুর দাস কাগজ ফুলে ।। সফিউল মল্লিক সময়ের স্রোত ।। দুর্গাদাস মিদ্যা তুমি মানুষ ।। বদরুল বোরহান দিঘার সমুদ্র ।। মাখনলাল প্রধান পুস্তক-আলোচনা ।। অরবিন্দ পুরকাইত সংযম ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত  চেনা প্রতিবেশী (প্রথম পর্ব) ।। দীপক পাল খেলার মাঠ ।। তূয়া নূর বন্ধু শ্যামলকান্তি ।। শংকর ব্রহ্ম তুমি তোমার মতো থাকলে ।। সত্যেন্দ্রনাথ বেরা গ্রীষ্মে খুবই হিংস্র রবি ।। জগবন্ধু হালদার স্বপ্ন দর্শন ✍️ পার্থ প্রতিম দাস মৌন মুখরতা ।। মুসা মন্ডল রুদ্র বৈশাখ ।। দীনেশ সরকার চিহ্নিত পদযুগ পদাঘাত ।। দেবাশীষ...

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস

নারীমর্যাদা ও অধিকার হিমাদ্রি শেখর দাস  নারীর মর্যাদা বলতে বোঝায় নারীর সম্মান, অধিকার, এবং তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। এটি সমাজে নারীর অবস্থান এবং তার প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিকে নির্দেশ করে। নারীর প্রতি সম্মানজনক আচরণ করা হয় এবং তাদের অধিকার গুলি সুরক্ষিত থাকে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে এই শ্রেণি সংগ্রাম শুরু হয়েছিল অনেক আগে।  একদিকে শ্রেণী বৈষম্য অপরদিকে নারী পুরুষের বৈষম্য এই দুটি ছিল শ্রেণীবিভক্ত সমাজের অন্যতম দুটি মূল ভিত। নারীর অধিকারহীনতা বা দাসত্ব শুরু হয় পরিবার ও সম্পত্তির উদ্ভাবনের ফলে। বহু যুগ ধরে নারী সমাজকে পারিবারিক ও সামাজিক দাসত্বের বোঝা বহন করতে হয়েছে বিনা প্রতিবাদে। সভ্যতার ক্রম বিকাশের সাথে সাথে নিপীড়ন ও নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে - দাস সমাজব্যবস্থা এবং সামন্ততান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীরা পুরুষ ও পরিবারের অধীনতা স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়েছে। সামাজিক উৎপাদনের কাজে নারীদের বঞ্চিত রেখেই তাদের পরাধীন জীবন যাপনের মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। নারীর অধিকারহীনতার বিরুদ্ধে সংগ্রামের সূচনা হয় ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে। নতুন করে নারীদের সামাজিক উৎপাদনের কাজে ...

প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান

বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় মাখনলাল প্রধান বাংলার শিল্প-সংস্কৃতির জগতে যাত্রা শিল্প তথা নাট‍্যশিল্পে মড়ক নেমে এসেছে । যাত্রা শিল্পের মড়কে শুধু কোভিড নয় তার বহুপূর্ব থেকেই অর্থনৈতিক বিপর্যয় , শিক্ষাক্ষেত্রে বন্ধ‍্যাত্ব এবং গ্ৰাম বাংলার পটপরিবর্তন শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। যাত্রা-শিল্পের লীলাভূমি ছিল গ্ৰাম বাংলা। গ্ৰামে প্রচুর যাত্রাপালা হত নানা উৎসবকে কেন্দ্র করে । জমিদারি ব‍্যবস্থা লুপ্ত হওয়ার পর গ্ৰামীণ মানুষের উদ‍্যোগে শীতলা পূজা,  কালীপূজা, দুর্গাপূজা, কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, চড়ক ইত‍্যাদিকে উপলক্ষ‍্য করে যাত্রাপালার আয়োজন না হলে কেমন যেন ম‍্যাড়ম‍্যাড়ে লাগতো। সেই সঙ্গে কলকাতার বড়বড় কোম্পানির যাত্রাপালা ঘটা করে, টিকিট সেল করে হত মাঠে। খুব বড় মাপের খেলার মাঠ যেখানে ছিল না সেখানে ধানের মাঠ নেওয়া হত ‌। ত্রিশ-চল্লিশ হাজার মানুষ দেখতে আসত। স্পেশাল বাস পাঠাত  আয়োজক কর্তৃপক্ষ। বিনা ভাড়ায় বাসে যাতায়াত করত যাত্রার দর্শকেরা। কিন্তু বিকল্প ধানচাষ শুরু হলে জমিগুলো সময় মতো ফাঁকা পাওয়া গেল না । প্রথম দিকে ব‍্যাপকহারে ধান শুরু না হওয়ায় খুব একটা অসুবিধা হত না। বহুক্ষেত্রে  ধান কা...

প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী

ভিনগ্রহীদের সন্ধানে  শ্যামল হুদাতী  ইতিহাসের শুরু থেকে বারবার মানুষকে একটা প্রশ্ন কুঁড়ে কুঁড়ে খায় – এই মহাবিশ্বে আমরা কি একা? পৃথিবীর মতো আরও গ্রহ রয়েছে, যেখানে মানুষের মতো বুদ্ধিমান প্রাণীরা বাস করে – এই সম্ভাবনা বরাবর মানুষকে মুগ্ধ করেছে। আমাদের প্রত্যেকের জীবনের কখনও না কখনও এই ভাবনা এসেছে। দীর্ঘ কয়েক দশকের গবেষণার পরও, এই বিষয়ে কোনও নিশ্চয়তা দিতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। জেমস ওয়েব মহাকাশ টেলিস্কোপ, বহু দূরের এমন কিছু গ্রহের সন্ধান দিয়েছে, যেগুলিতে প্রাণ থাকতেই পারে। তবে, নিশ্চিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে, আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ভিনগ্রহীদের খুঁজতে বহু দূরে যাওয়ার কোনও দরকার নেই। তারা এই পৃথিবীতেই মানুষের ছদ্মবেশে মানুষের মধ্যেই বসবাস করতে পারে। আমরা ভিনগ্রহীদের যেমন কল্পনা করি, এরা তার থেকে আলাদা। এরা অনেকটাই, দেবদূতদের মতো। মানব জগতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক প্রযুক্তিগত নয়, বরং জাদুকরি। মহাকাশে সৌরজগতের গ্রহ পৃথিবী ছাড়া অন্য কোথায় প্রাণ রয়েছে কি না তা নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা। একই সঙ্গে পৃথিবী ছাড়া অন্য কোনো গ্রহে মানুষ বসবাস ক...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৬তম সংখ্যা ।। ফাল্গুন ১৪৩২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। প্রথম পর্ব : 'প্রেম' বিষয়ক লেখাগুচ্ছ

সূচিপত্র   গদ্য-গল্প-কবিতা প্রেম বিষয়ক কবিতা ।। উত্তম চৌধুরী   উদভ্রান্ত আমি ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায় গুচ্ছকবিতা || অভিজিৎ হালদার   প্রেম: মানুষের অন্তরে জ্বলে থাকা অনন্ত আলোর নাম ।। আদিল হোসেন মাহি অসমাপ্ত ভালোবাসা ✍️ শিবাশিস মুখার্জী অসমাপ্ত শ্রুতি ।। জয় মণ্ডল রম্যরচনা ।। ভালোবাসা প্রাইভেট লিমিটেড ।। অভীক চন্দ্র প্রেমিক-জন্ম ।। নবনীতা সরকার সুব্রতাসম্ভব, সহজ গান ।। অর্ণব সামন্ত যৌবনের বিগত ঋণ ।। শম্পা সামন্ত দেখা ।। রাজশ্রী দে খেলাঘর ।। অদিতি চ্যাটার্জি ক্ষণস্থায়ী ।। শ্যামল হুদাতী মন ।। লালন চাঁদ আনমনে ।। সন্দীপ গাঙ্গুলী রজনীর গন্ধে ভেজা রাত ।। কৃষ্ণনীল মিস্টার ব্যানার্জী || আরজু মুন জারিন দুটি কবিতা ।। জয়শ্রী দাস কড়ানাড়া ।। মলয় সরকার অদেখা চিঠির নদী ।। দেবব্রত মণ্ডল অপূর্ণতা ।। ​সুখেন সিনহা জুলি এবং আমি ।। মাখনলাল প্রধান প্রেমের আরেক নাম ।। সুমিত মোদক হৃদয় ঘটিত ।। চঞ্চল পাণ্ডে তোমার জন্য ।। বনশ্রী চক্রবর্তী কল্পপ্রেম ।। প্রদীপ সেন বেনারসিটা শুধুই তোর জন্য ।। সৈকত প্রসাদ রায় তিনটি কবিতা ।। স্নেহা ঘণ্টেশ্বরী ...

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

প্রবন্ধ ।। শ্রমিকের অধিকার ।। চন্দন দাশগুপ্ত

শ্রমিকের অধিকার  চন্দন দাশগুপ্ত          এই নিবন্ধের পরিধিটি বিশাল। ভারতবর্ষের বিভিন্ন শ্রম- আইনানুসারে শ্রমিকদের বেশ কিছু অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ এই ক্ষুদ্র নিবন্ধে নেই, তাই শুধু কয়েকটি প্রধান উল্লেখযোগ্য বিষয়েই আলোকপাতের চেষ্টা করা যাক।            [১] কাজে নিযুক্ত হবার সময়েই প্রত্যেক শ্রমিক একটি নিয়োগপত্র [ পশ্চিমবঙ্গ দোকান ও সংস্থা আইন-১৯৬৩ -র অধীনে থাকা শ্রমিকেরা এক্স (X) ফর্মে ] পাবেন ।           [২] (ক) জুট মিলে কর্মরত কোনও শ্রমিকের পাক্ষিক উপস্থিতি ১২ দিন হলে, তিনি বেতন ছাড়াও অতিরিক্ত ২০ টাকা পাবেন।                 (খ) 'ঠিকা'-তে উল্লিখিত পরিমাণের চেয়ে বেশি চাপাতা সংগ্রহ করলে বাগিচা শ্রমিকেরাও নির্দিষ্ট নিয়মানুসারে অতিরিক্ত টাকা পাবেন।            [৩] (ক) ১০ বা তার বেশি শ্রমিক কাজ করেন, অথবা বিগত ১২ মাসের যেকোনও একদিন ১০ বা তার বেশি কর্মী ছিলেন ( সিনেমা হলের ক্ষেত্রে এটি ৫ জন )-- এমন সংস্থ...

মাসের বাছাই

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৭তম সংখ্যা ।। চৈত্র ১৪৩২ মার্চ ২০২৬ ।। নারী বিষয়ক সংখ্যা

 সম্পাদকীয় দপ্তর থেকে :  শুধুমাত্র 'নারী' বিষয়ক লেখাই এই সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। অন্যান্য বিষয়ের ভালো লাগা কিছু লেখা আগামী সংখ্যার জন্য রইল। সকলকে ধন্যবাদ। ~নিরাশাহরণ নস্কর, সম্পাদক, নবপ্রভাত। সূচিপত্র নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস নারীমুক্তির কালিতে লেখা ইতিহাসের কটি পাতা ।। ডাঃ অরুণ চট্টোপাধ্যায় সাহসী এবং লড়াকু নারীরা ।। উৎপল সরকার পল গগ্যাঁর চিত্রে নারী ।। ড. সবুজ সরকার সুন্দরবনের নারীদের গল্প "নোনাজলের নীরবতা" ।। কাবেরী মাতৃত্ব অন্তকোষীয় স্থপতি ।। মেশকাতুন নাহার অপ্রয়োজনীয় ।। শ্যামাপ্রসাদ সরকার নারী: উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অপরিহার্য শক্তি ।। চঞ্চল পাণ্ডে নিরুদ্দেশ ।। স্বাতী রায় চৌধুরী ইলা ঘোষ : বাংলার প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ার ।। সঙ্ঘমিত্রা দাস অক্ষরের আলো ।। জয় মণ্ডল প্রতিশোধ ।। কাবেরী মিত্র বর্তমান প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের গুরুত্ব ।। পাভেল আমান যে পথ হারিয়েছে দূরে ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায় সেই লাল ফ্রকটা ।। সৈকত প্রসাদ রায় অন্য এক নারীর গল্প ।। অদিতি চ্যাটার্জি শৃঙ্গার ।। চন্দ্রকান্ত চক্রবর্তী একালের অর্জুন ।। জয়শ্রী সরকার এক সাহসিনী সিন্ধু ক...

ছোটগল্প ।। নীলিমার আত্মজাগরণ ।। পরেশ চন্দ্র মাহাত

নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

কবিতাঃ চন্দন ঘোষ

এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল  তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র!   কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও  বোধহয় যে...

কবিতা ।। ভাষার জন্য লড়াই ।। চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু

ভাষার জন্য লড়াই চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু মুখের ভাষা বাংলা ভাষা মাকে ডাকি মা, সারা বিশ্বে তোমার মাগো নেই তো তুলনা। তোমার মুখের প্রথম ভাষা আমার মনের সকল আশা তোমার ভাষায় বলবো মাগো আমার মনের কথা, এই ভাষাতেই জড়িয়ে আছে সকল স্বাধীনতা।  এই ভাষাকে আনতে গিয়ে তাজা বুকের রক্ত দিয়ে রাজপথে সব লড়াই হলো করলো লড়াই কারা, আমার মায়ের দামাল ছেলে রক্ত পলাশ যারা।  তোমার ছেলে লড়াই করে আনলো ভাষা ঘরে ঘরে সেদিন থেকে শহীদ মিনার সাজাই ফুলে ফুলে, বীর শহীদের ত্যাগের কথা যাইনি আজও ভুলে।    ++++++++++++++++++++++++++++++++    চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু শহীদ আবুল কাশেম সড়ক, বড় বাজার, চুয়াডাঙ্গা, বাংলাদেশ।

পল গগ্যাঁর চিত্রে নারী ।। ড. সবুজ সরকার

পল গগ্যাঁর চিত্রে নারী  ড. সবুজ সরকার পল গগ্যাঁ ( ১৮৪৮ - ১৯০৩)  ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রতিভাবান ও প্রভাবশালী ফরাসি চিত্র শিল্পী। গগ্যাঁ তাঁর শিল্পচর্চার  শুরুতে একজন Impressionist শিল্পী হিসেবে  চিত্র অঙ্কন শুরু করলেও ( ১৮৮০ র দশকে) পরবর্তীতে পরিচিতি এবং খ্যাতি পেয়েছিলেন  একজন বিশিষ্ট Post- Impressionist চিত্র শিল্পী হিসেবে। নিজের জীবন দর্শন এবং তাঁর শিল্পকলা গগ্যাঁর কাছে চিহ্নিত হয়েছিল বন্য " savage" হিসেবে।     গগ্যাঁ তাঁর রেখায় এবং রঙে বারে  বারে ফিরে যেতে চেয়েছেন আদিমতার কাছে। একাত্ম হতে চেয়েছেন প্রকৃতির সাথে। মিশে যেতে চেয়েছেন প্রকৃতির সম্মোহনী সত্ত্বায়। ১৮৮০ র পরে সময় যত এগিয়েছে গগ্যাঁ ততই আধুনিক সভ্য সমাজের যান্ত্রিকতা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে গেছেন। বারংবার আঁকতে চেয়েছেন কল্পনার সাম্রাজ্যের স্বর্গীয় অনুভূতিগুলিকে, আর তাঁর ছবিগুলো হয়ে উঠেছে অকৃত্রিম, খাঁটি এবং আদিম। জীবনের প্রকৃত সত্য ও আদিম চেতনার সন্ধানে গগ্যাঁ ১৮৯১ সালে ফরাসি পলিনেশিয়ার তাহিতি দ্বীপে চলে যান। এই দ্বীপে সাধারণ মানুষের জীবন যাপন তাঁকে আকৃষ্ট করে। এব...

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

উন্মুক্ত পাগলামি ।। আশরাফুল মণ্ডল

উন্মুক্ত পাগলামি আশরাফুল মণ্ডল আহা, অপরূপ নিজস্বতার দাহ! কুঁকড়ে যায় আবহমান, সজনে পাতার বোঁটায়! ভাপওঠা ভাতের কাছে মাছি সত্তায় কী নিপুণ! তবুও ঘোর লাগা বসন্তের ডাক, হাঁকে! খেদিয়ে দেয় পা দোলানো প্রস্তাব, ওই ধুনুরি চোখ! রাংতায় মোড়া ডাকের সাজ, দে দোল দোল! হুইসেল বাজিয়ে কে রুখে দ্যায় সেই নাকছাবির রুদালি কাঁপন! খালবিল ছেঁচে পাঁচসিকের  মানত কুড়িয়ে আনে, বাংলা বাজার। ঠ্যাং নাচানো সুরে চোখ মারছে, দ্যাখো ভ্যানতারা! মুখ খোলা মানেই পাঁজরের স্রোত ভাবা যেন উগরানো টালমাটাল! ঢিল মারা প্রশ্নের রোয়াকে বক্রচোখে যেন মেধাবী কবিতা! মুছে দিও তবে লাজুক গুপ্ত রোগ, দিনরাত্রি! ভালো থেকো তোমরা বাছাধন, রং মাস সে আর কতদিন... ================    ASRAFUL MANDAL Chandidas Avenue, B-zone, Durgapur, Paschim Bardhaman, Pin - 713205,  

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৫

   মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠানো ভালো,  তাতে অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) য...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৬তম সংখ্যা ।। ফাল্গুন ১৪৩২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। পর্ব: ২ ।। বিষয় : মাতৃভাষা

  সূচিপত্র শঙ্করের প্রস্থান : বাংলা নগরসাহিত্যের এক মহাযুগের অবসান ।। শিবাশিস মুখার্জী মাতৃভাষা: অস্তিত্বের শেকড়, ঐতিহ্যের ধারক ও সংগ্রামের ফসল ।। উৎপল সরকার অগ্নিগর্ভ একুশে ফেব্রুয়ারি ।। মুক্তি দাশ সঙ্কটে আমাদের মাতৃভাষা চর্চা।। পুলকরঞ্জন চক্রবর্তী মাতৃভাষা: হৃদয়ের প্রথম স্বর ।। বাসিরা খাতুন আমি বাংলাকে ভালবাসি ।। সৌম্য পাল মাতৃভাষা ।। এস এ বিপ্লব সুখে দুঃখে মাতৃভাষা ও মাতৃভূমি ।। সামসুজ জামান শেকড়ের খতিয়ান ।। মামুন চাকলাদার মধুর ভাষা বাংলাভাষা ।। রবীন বসু মাতৃভাষা ।। দিলীপ সামন্ত ভাষার কথা ।। বি এম মিজানুর রহমান স্মৃতির স্বরলিপি ।। সঙ্গীতা মহাপাত্র একুশ মানে মাতৃভাষা রক্ষায় যুদ্ধ ।। রানা জামান প্রিয় বাংলা ভাষা ।। চিরঞ্জিত ভাণ্ডারী প্রবন্ধ ভাষার অবমাননা ।। গৌতম সমাজদার আমার প্রাণের ভাষা ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত একুশের লড়াই ।। বিধাত্রী চট্টোপাধ্যায় আমার ভাষা ।। অজয় বিশ্বাস মায়ের ভাষা ।। নজমুল ইসলাম খসরু মাতৃভাষা ।। শোভন চট্টোপাধ্যায় কবিতা ।। মাতৃভাষার স্বাদ ।। রুহুল আমিন বাংলা আমার মা ।। অশোক দাশ একুশের গান ।। দীপঙ্কর সাহা মাতৃভা...

'রঙ' বিষয়ে গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম

  'রঙ' বিষয়ক গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম লাল   আপনি এমন কি আপনিও পারেন কোন সুন্দরী টাইপিস্টের প্রেমে পড়তে যে আপনি খুবই সহজভাবে জীবনকে দেখেন জীবনকে নিজের ভেতর দিয়ে বয়ে যেতে দেন জবরদস্তি ছাড়াই রং নিয়ে কখনো তেমন ভাবেননি ধরুন লাল রং একজন পেইন্টার আর একজন জেনারেলের কাছে ওর মেজাজ নিশ্চয়ই আলাদা হবে হ্যা আমি নিশ্চিত যে নার্ভ ঠিক রেখে একটা তেলাপোকাও কখনো মারতে পারেননি আপনি সেই আপনাকে হঠাৎ খুন করে ফেলতে পারে কোন সুন্দরী টাইপিস্ট আর এই খুনের ব্যাপারটা নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে কী লিখে নিচ্ছে সে কি ডকুমেন্ট তৈরি করছে সেটা তো আপনি জানতেও পারছেন না কেন না মনিটর তো সাদা রং নিয়া আমাদের মারাত্মক ভুল ধারণা রইছে সবুজ হলুদ কমলা নীল বেগুনী কালো সাদা এগুলা কিন্তু সতিকার রং না হ এগুলা সত্যিকার রং হয়া উঠবো যখন এগুলারে তুমি লাল রঙে চুবায়ে নিতে পারবা লাল রঙের গ্লাস আজ অব্দি যতোগুলো গ্লাসে আমি জল খেয়েছি তার সবগুলোর গায়েই ফুল আঁকা আচ্ছা বাজারে এমন কোন গ্লাস কি পাওয়া যায় না যার গায়ে আগুন আঁকা আর আপনারা জানেন আগুন যখন জ্বলে তখন তার আকৃতি তাজা একটা ফুলের মতোই আর লাল হ্যা যখন যে অবস্থায়ই আগুনকে আপনি দেখেন না কেন...