আকাশ-ঘুড়ি সুমিত মোদক উড়িয়ে দিলাম , উড়িয়ে দিলাম আকাশ-ঘুড়ি তোমার বুকে ; তোমার সঙ্গে সেই কবে দেখা হয়েছিল ঠিক ঠিক মনে নেই ; কেবলমাত্র মনে আছে অঘ্রাণের ধান উঠে যাওয়া মাঠে দুজনে মিলে দিগন্তরেখা দেখতে চেয়েছিলাম ; বিকালের আলোতে আকাশ-পথ চিনিয়ে দিয়েছে সাদা সাদা বক , কিশোর-স্বপ্ন … সেখানে এখন আর কোনও ভাবেই সহজে ঢুকে পড়তে পারি না ; থেকে যায় একটা ঘাসফড়িং … যে কিনা সব সময়ের জন্য তিড়িংবিড়িং করে লাফিয়ে লাফিয়ে উঠে মনের আনন্দে ; হয় তো সে দিন দুজনে একটা গোটা আকাশ নামিয়ে আনতে চেয়েছিলাম বুকের ভিতর ; হয় তো সে দিন গান ধরে ছিলাম কোনও এক পল্লিগীতি কিংবা রামায়নি ; বেলা শেষ হয়ে আসছে জানি ; তা বলে ঘুড়ি ওড়াবো না হয় ; পেঁচকাটি , চাঁদিয়াল , বগ্গা … সবই আছে ; যখনই ইচ্ছা হয় উড়িয়ে দিতে পারি ; অথচ , সময় হয়ে ওঠে না আর ; সাত সমুদ্র তের নদী পেরিয়ে যে দিন ফিরে এলাম , সে দিন তুমি আর নেই পেঁচাখুলির মাঠে ; চাষীরাও ধান কেটে নিয়ে গেছে যে যার বাড়িতে ; কেবল পড়ে আছে ছোট ছোট নাড়া ; ঠিক আমার হৃদয়ের মতো ; আরও কিছুটা সময়ের পর ধীরে ধীরে ঘিরে ধরবে কুয়াশার সোহাগ ; শব্দ উঠবে খসে পড়া হলুদ পাতার ; তুম...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...