তুমি বলে দাও রবীন্দ্রনাথ হঠাৎ ঝেঁপে বৃষ্টি আসার মতো মনের গভীরে চঞ্চলতা তীব্র না হলে কবিতা লিখব কী করে -- বলে দাও তুমি রবীন্দ্রনাথ। মনের গহনে তীব্র দহন জ্বালা, পুড়ে ছাইভস্ম হবার মুহূর্তে যদি ফিনিক্সের মতো পুনর্জন্ম ঘটে, তবেই এই হাত থেকে আবার কবিতার জন্ম হবে-- দু:খের আতপে স্নান না সেরে কবিতা তার রূপ নেয় না-- এ কথা বলে গেছ স্বয়ং তুমি রবীন্দ্রনাথ। প্রেমের তরলতম রূপের মধ্যে বিচ্ছেদের করুণ সুর সুস্পষ্ট, এক বুক অভিজ্ঞতার মাহেন্দ্রক্ষণে আজও হৃদয় গুঙরে কাঁদে, পাওয়ার সুখের চেয়েও হারানোর বেদনা বুকে চেপে যেন গভীর দীঘির বুকে লম্বা বাঁশের লাঠি স্থির, একা জেগে থাকে। মাছরাঙা কখন যে উড়ে এসে বসে তবুও তো নিষ্পাপ নয়নে কারণ জিজ্ঞাসা করেছে এ নীরবতার। অকস্মাৎ জলেতে কীসের শব্দ, ঢিল ছুড়েছে চপলমতি কোনো কোমল বালক, ঢেউ ছুটে এসে শান্তি ভঙ্গ করে! রবীন্দ্রনাথ, তুমি বলে দাও এ বেদনা রাখি কোথায়-- সে কি একবারও আমার হতে পারত না! তিরবিদ্ধ এমাথা ওমাথা ছড়িয়ে আছে আমার পাগলামির নমুনা, তোমাকে বিরক্ত...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...